মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
মেসিকে ধন্যবাদ জানিয়ে ইনফান্তিনো বললেন, ‘অবিস্মরণীয় সব স্মৃতির জন্য কৃতজ্ঞ’

মেসিকে ধন্যবাদ জানিয়ে ইনফান্তিনো বললেন, ‘অবিস্মরণীয় সব স্মৃতির জন্য কৃতজ্ঞ’

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। সোমবার (৩০ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন পোস্টে জাতীয় দলকে বিদায় বলেছেন তিনি। মেসির বিদায়ের ঘোষণার পর ইনস্টাগ্রামে তাকে অভিনন্দন জানান ইনফান্তিনো। ফিফা সভাপতি লিখেছেন, ‘একটি অসাধারণ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের জন্য (লিওনেল মেসিকে) অভিনন্দন, যা লাখ লাখ মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে এবং সুন্দর এই খেলাটিকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করেছে।’ মেসির রেকর্ড ও অর্জনের কথাও তুলে ধরেছেন ইনফান্তিনো। তিনি লিখেছেন, ‘২০২২ ফিফা বিশ্বকাপজয়ী, আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ও সর্বোচ্চ গোল করার পাশাপাশি ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডের অধিকারী। তোমার এই জাদুকরী প্রতিভা ও বিনয় চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ তবে ইনফান্তিনোর বার্তার সবচেয়ে আবেগঘন অংশটি ছিল মেসির প্রভাব নিয়ে। আর্জেন্টিনার জার্সিতে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দেওয়ার জন্য তাকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ফিফা সভাপতি লিখেছেন, ‘আর্জেন্টিনার জার্সিতে অবিস্মরণীয় সব স্মৃতি উপহার দেয়ার জন্য এবং বিশ্বের প্রতিটি কোণায় ছড়িয়ে থাকা সমর্থকদের এক সুতোয় বাঁধার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। তোমার জীবনের পরবর্তী অধ্যায়ের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।’

‘আমরা খুবই দুঃখিত, তবে সে যেন ভালো থাকে’

লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের সিদ্ধান্তে গভীরভাবে আঘাত পেয়েছে তাঁর পরিবার। দীর্ঘ ও গৌরবময় এক অধ্যায়ের সমাপ্তির বেদনার মধ্যেও অবশ্য ছেলের সুখকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন মেসির মা সেলিয়া। মেসির অবসরের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর টিভি অনুষ্ঠান ইনত্রুসোস-এর সঙ্গে বার্তা বিনিময়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন সেলিয়া। তিনি জানান, মেসির অবসের বিষয়টি পরিবার আগে থেকেই জানত। তবু আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্তটি সামনে আসার পর কষ্টটা কমেনি। সেলিয়া লিখেছেন, ‘আগে থেকেই জানতাম, তবু পরিবারের সবাই খুবই দুঃখিত।’ আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির দীর্ঘ পথচলার সমাপ্তি শুধু সমর্থকদের জন্য নয়, তাঁর পরিবারের কাছেও ভীষণ আবেগের। ১০ নম্বর জার্সিতে বছরের পর বছর দেশের হয়ে খেলে যাওয়া ছেলেকে আর জাতীয় দলের হয়ে মাঠে দেখতে না পাওয়ার কষ্ট থাকলেও, মায়ের কাছে সবার আগে মেসির ভালো থাকা। সেলিয়ার বলেন, “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সে যেন ভালো থাকে।’ জাতীয় দল থেকে মেসির অবসরের বিষয়টি অবশ্য পরিবারে নতুন কোনো আলোচনা ছিল না। সেলিয়ার ইঙ্গিত, দীর্ঘদিন ধরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাবছিলেন আর্জেন্টাইন তারকা। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত থাকতেন তাঁর বাবা জর্জেও। গত ৮ আগস্ট রোজারিওতে মারা যান জর্জে। বাবাকে হারানোর শোকের মধ্যেই মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল ছাড়ার সিদ্ধান্ত পরিবারকে আরও বেশি আবেগাপ্লুত করে তুলেছে। বাবার সঙ্গে এ প্রসঙ্গে হওয়া কথোপকথনের স্মৃতি তুলে ধরে সেলিয়া লিখেছেন, ‘বাবা সব সময় বলতেন, ‘আমি আর খেলব না, তখন কী করব?’ আর সবকিছু একসঙ্গেই ঘটে গেল, অবিশ্বাস্য।’ নিজের বিদায়ী বার্তাতেও বাবার মৃত্যুর পর সিদ্ধান্তটি আরও দৃঢ় হওয়ার কথা জানিয়েছেন মেসি। হাতে লেখা এক চিঠিতে তিনি জানান, জাতীয় দলকে বিদায় বলার এটাই তাঁর জন্য উপযুক্ত সময়। মেসি লিখেছেন, ‘আমি শূন্য হয়ে গেছি, দেওয়ার মতো আমার আর কিছু নেই।’ চিঠির শেষ দিকে নিজের সিদ্ধান্তের পেছনের সময়টিও তুলে ধরেছেন মেসি, ‘আমি এই কথাগুলো লিখেছিলাম ২১ জুলাই, ফাইনালের দুই দিন পর। আজ, আমার বাবার সঙ্গে যা ঘটেছে, তার পর আমি আগের চেয়েও বেশি নিশ্চিত।’

‘আমরা খুবই দুঃখিত, তবে সে যেন ভালো থাকে’

মেসির অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা, টাকা ফেরত পাবেন ৩৩ হাজার দর্শক

গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে চরম বিশৃঙ্খলায় ভেস্তে যায় মেসির ‘গোট ইন্ডিয়া ট্যুর’ আয়োজন। মাঠে কর্মকর্তা ও অতিথিদের ভিড়ে মেসিকে ঠিকমতো দেখতে পারেননি দর্শকেরা। মাত্র ২০ মিনিটের মতো স্টেডিয়ামে থাকার পরই মেসিকে সেখান থেকে বেরিয়ে যেতে হয়। মেসিকে দেখতে না পেয়ে ক্ষুব্ধ দর্শকদের একাংশ স্টেডিয়ামে ভাঙচুর চালান। মেসিকে ঠিকমতো দেখতে না পাওয়ায় সেদিন থেকেই টিকিটের টাকা ফেরত চেয়ে আসছিলেন দর্শকরা। মেসিকে দেখতে না পাওয়া ৩৩ হাজার দর্শকদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার (২৯ আগস্ট) ভারতের জাতীয় ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘মেসির বিপুল ভক্ত রয়েছে। তারা ৪ হাজার ও ৬ হাজার রুপি দিয়ে টিকিট কিনেছিলেন। আমার ইচ্ছা, এই ৩৩ হাজার ক্রীড়াপ্রেমীর দেওয়া টাকা যেন ফেরত দেওয়া হয়। এ নিয়ে আমি ইতিমধ্যে অভ্যন্তরীণভাবে প্রক্রিয়া শুরু করেছি। আশা করছি, আমি এটা করতে পারবো।’ এ ঘটনার জেরে তৎকালীন রাজ্য সরকারের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। বরখাস্ত করা হয় বিধাননগর নগর পুলিশের ডেপুটি কমিশনার অনীশ কুমারকে। সেই সময় অনুষ্ঠানের আয়োজক শতদ্রু দত্তের বিরুদ্ধেও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশ। টানা ৩৮ দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পান তিনি।কারাগার থেকে বেরিয়েই তৎকালীন রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করেন শতদ্রু। তার অভিযোগ, সেদিনের বিশৃঙ্খলার জন্য আয়োজকেরা নন, তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী ও পদস্থ প্রশাসনিক কর্মকর্তারাই সরাসরি দায়ী ছিলেন।

মেসির অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা, টাকা ফেরত পাবেন ৩৩ হাজার দর্শক

মেসির দলে যোগ দিচ্ছেন নেইমার!

একসময় বার্সেলোনার আক্রমণভাগে ফুটবল বিশ্বে ঝড় তুলেছিলেন লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ ও নেইমার। ‘এমএসএন’ নামে পরিচিত এই ত্রয়ী প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের জন্য ছিল বড় আতঙ্ক। তিনজনের অসাধারণ বোঝাপড়ায় বার্সেলোনা জিতেছিল চ্যাম্পিয়নস লিগসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শিরোপা।২০১৭ সালে নেইমার বার্সেলোনা ছেড়ে প্যারিস সেন্ট জার্মেইনে (পিএসজি) যোগ দিলে ভেঙে যায় এই বিখ্যাত আক্রমণভাগ। পরে পিএসজিতে মেসি ও নেইমার আবার একসঙ্গে খেললেও সুয়ারেজ ছিলেন আলাদা ক্লাবে। বর্তমানে মেসি ও সুয়ারেজ খেলছেন ইন্টার মিয়ামিতে। এবার সেই দলে নেইমারও যোগ দিতে পারেন বলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।দ্য সানের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইন্টার মিয়ামির সহ-মালিক ডেভিড বেকহাম নেইমারকে দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করতে পারেন। সেটি হলে প্রায় এক দশক পর আবারও একই ক্লাবের জার্সিতে মাঠে দেখা যেতে পারে মেসি, সুয়ারেজ ও নেইমারকে।সাবেক ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ফেলিপে মেলোর একটি মন্তব্যের পর এই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। তার দাবি, সান্তোসের সঙ্গে নেইমারের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে তিনি ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দিতে পারেন।ইউটিউবে মেলো বলেন, ‘আমার এক বন্ধুর সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি সান্তোস সম্পর্কে কিছু খবর দিয়েছেন। তিনি আমাকে বলেছেন, নেইমার মিয়ামিতে খেলবে। আগামী জানুয়ারি থেকেই নেইমার ইন্টার মিয়ামির হয়ে খেলা শুরু করবে।’তিনি আরও বলেন, ‘এটা যদি সত্যি হয়, তাহলে এই খবর সবার আগে আমিই জানালাম। এখন দেখা যাক কী হয়।’তবে নেইমারের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সম্প্রতি ব্রাজিলিয়ান এই তারকা নিজেই জানিয়েছেন, মৌসুম শেষে কী করবেন, তা নিয়ে এখনো ভাবছেন। আপাতত তার লক্ষ্য সান্তোসের সঙ্গে চুক্তি পূরণ করা।নিজের ইউটিউব চ্যানেলে নেইমার বলেন, ‘আমি জানি না কতদিন খেলব। থামার কথা এখনো ভাবছি না। আবার কতদিন খেলা চালিয়ে যাব, তাও জানি না।’সান্তোসের সঙ্গে চুক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ডিসেম্বর পর্যন্ত সান্তোসের সঙ্গে আমার চুক্তি আছে। আমি এই চুক্তি পূরণ করতে চাই। যতটা সম্ভব সান্তোসের জার্সির প্রতি সম্মান রাখতে চাই। চুক্তি শেষ হলে তখন ভাবব, সান্তোসে থাকব নাকি ছাড়ব, খেলা চালিয়ে যাব নাকি থামব। আমি সত্যিই জানি না কী করব।’নেইমারের সম্ভাব্য ইন্টার মিয়ামি-যাত্রা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে সত্যিই যদি তিনি মেসি ও সুয়ারেজের সঙ্গে আবারও জুটি বাঁধেন, তাহলে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য সেটি হবে এক নস্টালজিক প্রত্যাবর্তন। বার্সেলোনার সেই বিখ্যাত ‘এমএসএন’ ত্রয়ী আবারও একসঙ্গে মাঠে নামার সম্ভাবনাই এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

মেসির দলে যোগ দিচ্ছেন নেইমার!

বিশ্বকাপে মেসিকে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র, বেরিয়ে এল ভয়াবহ সব তথ্য

বিশ্বকাপ চলাকালে আর্জেন্টিনার তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসিকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে একটি নিরাপত্তা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেসিকে লক্ষ্য করে স্টেডিয়ামে বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছিল কয়েকজন।যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে মেসির পাশাপাশি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, কিলিয়ান এমবাপেসহ আরও কয়েকজন তারকা ফুটবলার হুমকি ও নিরাপত্তাঝুঁকির মুখে পড়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।মেসিকে ঘিরে একাধিক হুমকিইন্টারন্যাশনাল পুলিশ কোঅপারেশন সেন্টার (আইপিসিসি) ও এফবিআইয়ের নিরাপত্তা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে স্পেনের সংবাদমাধ্যম ইনফরমাসিওন ডট ইএস এসব তথ্য প্রকাশ করেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা ও মিশরের ম্যাচের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক ব্যক্তি হুমকি দিয়ে লিখেছিলেন, তিনি আটলান্টা স্টেডিয়ামে প্রবেশ করে শরীরে বাঁধা বোমা দিয়ে মেসিকে হত্যার চেষ্টা করবেন।এরপর ডালাস বিমানবন্দর থেকে আরেক ব্যক্তি ফোন করে দাবি করেন, তিনি আরও দুজনের সঙ্গে বাড়িতে তৈরি বোমা ও একটি এআর-১৫ রাইফেল নিয়ে স্টেডিয়ামের দিকে যাচ্ছেন। তাদের লক্ষ্য ছিল পুলিশ ও খেলোয়াড়দের ওপর হামলা চালানো। ওই ব্যক্তি বিশেষভাবে মেসির নামও উল্লেখ করেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।আরেক ঘটনায় ম্যাচ চলাকালে পুলিশকে ফোন করে এক ব্যক্তি স্টেডিয়ামের ময়লার ঝুড়িতে তিনটি বোমা রাখার দাবি করেন। খবর পাওয়ার পর বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল, প্রশিক্ষিত কুকুর ও তাদের হ্যান্ডলাররা স্টেডিয়ামে তল্লাশি চালান।প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পুরো টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা হুমকি পাওয়া খেলোয়াড়দের মধ্যে মেসি অন্যতম ছিলেন।রোনালদোকেও ঘিরে নিরাপত্তাঝুঁকিক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকেও একাধিকবার নিরাপত্তাঝুঁকির মুখে পড়তে হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।১৪ জুন ফিফার এক কর্মী রোনালদোর অবস্থান সম্পর্কে তথ্য জানতে চাওয়া এক সন্দেহভাজন ব্যক্তির বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে জানান। দুই দিন পর হিউস্টন পুলিশ ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে এবং রোনালদোর হোটেল থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করে।টরন্টোতেও রোনালদোর সঙ্গে লিফটে ওঠার চেষ্টা করা এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। ওই ব্যক্তি দাবি করেছিলেন, তিনি শুধু রোনালদোর সঙ্গে সেলফি তুলতে চেয়েছিলেন।এ ছাড়া মিয়ামিতে এক ব্যক্তি রোনালদোর কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচেও রোনালদোর জার্সি পরা এক ব্যক্তি মাঠে ঢুকে পড়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এমবাপেকেও অনলাইনে হুমকিনিরাপত্তাঝুঁকির তালিকায় ছিলেন ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপেও। ফ্রান্স-প্যারাগুয়ে ম্যাচে প্যারাগুয়ের গোলরক্ষকের সঙ্গে তার বাগ্‌বিতণ্ডার পর অনলাইনে তাকে নিয়ে বিভিন্ন আপত্তিকর ও জাতিবিদ্বেষী মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৫ ও ৬ জুলাই প্যারাগুয়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমবাপের ছবি ব্যবহার করে তৈরি একটি পুতুল পোড়ানোর ঘটনাও সামনে আসে।বিশ্বকাপের মতো বড় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরে তারকা খেলোয়াড়দের ঘিরে এমন নিরাপত্তাঝুঁকি আয়োজকদের জন্যও বড় উদ্বেগের বিষয়। নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর এসব তথ্যের পর খেলোয়াড়দের সুরক্ষা ও স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।

বিশ্বকাপে মেসিকে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র, বেরিয়ে এল ভয়াবহ সব তথ্য