রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ

বিশ্ব

কঙ্গোতে দাবানলের মতো ছড়াচ্ছে ইবোলা, মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১,৩০০

কঙ্গোতে দাবানলের মতো ছড়াচ্ছে ইবোলা, মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১,৩০০

আফ্রিকার দেশ গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ। দেশটির সরকারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইবোলায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৫৪ জনে, যা মাত্র পাঁচ দিনের ব্যবধানে প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানে জানানো হয়, বর্তমানে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ৭৫ জনে পৌঁছেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় আক্রান্তের হারও প্রায় ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, কঙ্গোর ইতিহাসে এটি ইবোলার সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া প্রাদুর্ভাবগুলোর একটি। সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে থাকায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতিকে অত্যন্ত সংকটজনক বলে উল্লেখ করছেন। শীর্ষস্থানীয় স্বাস্থ্য পরামর্শক আব্দুলসামি নাসিদি বলেন, কার্যকর ও প্রমাণিত ভ্যাকসিনের অভাবে ইবোলা বর্তমানে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে সংঘাত ও যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলগুলোতে স্বাস্থ্যসেবার অভাব এবং নিরাপত্তা সংকটের কারণে আক্রান্তদের দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধবিগ্রহ চলমান এলাকাগুলোতে হাসপাতাল, চিকিৎসাকেন্দ্র ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য অবকাঠামো না থাকায় ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। এদিকে, ইবোলা নিয়ন্ত্রণে নতুন ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন গ্রুপ জানিয়েছে, তাদের তৈরি একটি পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিন ইতোমধ্যে এক স্বেচ্ছাসেবীর শরীরে প্রয়োগ করা হয়েছে। গবেষণার ফল ইতিবাচক হলে ভবিষ্যতে এটি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বর্তমানে কঙ্গোতে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটি বুন্দিবুগয়ো (Bundibugyo) নামে পরিচিত ইবোলার একটি বিরল ভ্যারিয়েন্ট। এটি ইবোলা ভাইরাসের চারটি বিরল ধরনগুলোর একটি, যার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত কোনো অনুমোদিত কার্যকর ভ্যাকসিন নেই। উল্লেখ্য, ২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে পশ্চিম আফ্রিকার গিনি, লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওনে ইবোলার ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবে ১১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল এবং ২৮ হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পর আবারও কঙ্গোর পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোর উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে।

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আল-আকসা প্রাঙ্গণে শত শত ইহুদির প্রবেশ, প্রকাশ্যে প্রার্থনা

ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল-আকসা মসজিদ চত্বরে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে শত শত ইহুদি প্রবেশ করে প্রকাশ্যে ধর্মীয় প্রার্থনা করেছেন। বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তারা প্রার্থনা করেন এবং পুরো সময়জুড়ে তাদের নিরাপত্তায় মোতায়েন ছিল ইসরায়েলি পুলিশ। সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, কয়েকজন ইহুদি এমন এলাকাতেও প্রার্থনা করেছেন যেখানে তাদের ধর্মীয় আচার পালনের অনুমতি নেই। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার ইহুদিদের ধর্মীয় উপবাস দিবস তিসা বা’ভ (Tisha B'Av) উপলক্ষে তারা আল-আকসা প্রাঙ্গণে জড়ো হন। ইহুদি বিশ্বাস অনুযায়ী, এদিন তাদের প্রথম ও দ্বিতীয় টেম্পল ধ্বংস করা হয়েছিল। তাদের দাবি, বর্তমান আল-আকসা মসজিদের স্থানেই একসময় টেম্পল মাউন্ট ছিল। এই দাবিকে কেন্দ্র করেই দীর্ঘদিন ধরে মুসলিম ও ইহুদিদের মধ্যে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক বিরোধ চলে আসছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, দলে দলে ইহুদি দর্শনার্থীরা আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করছেন। এ সময় তারা ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে পাঠ করছেন এবং কয়েকজনকে ইসরায়েলের জাতীয় পতাকা উড়াতেও দেখা যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ইসরায়েলের উগ্র ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গিভির। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই আল-আকসায় ইহুদিদের প্রার্থনার অধিকারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন। বেন গিভির বলেন, "দেখুন আজ এখানে কী হচ্ছে। ইহুদিরা প্রার্থনা করছেন এবং তারা অনুভব করছেন, এটি তাদের স্থান। এমন দৃশ্য আগে কখনো দেখা যায়নি।" আল-আকসা মসজিদকে ঘিরে এমন কর্মকাণ্ডকে অত্যন্ত স্পর্শকাতর হিসেবে দেখা হয়। অতীতেও এই স্থানকে কেন্দ্র করে বহুবার সহিংসতা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আল-আকসা প্রাঙ্গণে শত শত ইহুদির প্রবেশ, প্রকাশ্যে প্রার্থনা

দিল্লিতে বিক্ষোভ আরও তীব্র, প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বড় ঘোষণা মোদির

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে চলমান বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে কয়েক মাস ধরে চলা আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও সমর্থক রাজপথে অবস্থান নিয়েছেন। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করছেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় সরকার ব্যর্থ হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। তারা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকেও প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠতে থাকায় বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, দেশের তরুণদের ভবিষ্যতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছু হতে পারে না। যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত, তাদের দ্রুত বিচার আদালতের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনা হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এদিকে আন্দোলনের কেন্দ্রস্থল জন্তর মন্তরে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকায় নিরাপত্তার স্বার্থে দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি) আবারও ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে। বন্ধ থাকা স্টেশনগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজীব চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, জনপথ, আইটিও, সুপ্রিম কোর্ট, খান মার্কেটসহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্টেশন। এর ফলে হাজার হাজার অফিসগামী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেককে দীর্ঘ সময় বাসের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে, আবার অনেকে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ট্যাক্সি বা বিকল্প পরিবহন ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অতিরিক্ত মোতায়েন করা হয়েছে। তবে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। ফলে দিল্লির রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

দিল্লিতে বিক্ষোভ আরও তীব্র, প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে বড় ঘোষণা মোদির

আসামে ভয়াবহ বন্যা: ২৪ ঘণ্টায় ২১ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ৫ লাখের বেশি মানুষ

ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকায় ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে গত এক সপ্তাহে বন্যায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ জনে। আসাম স্টেট ডিজাস্টার অথরিটির (এএসডিএমএ) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রাজ্যের ১৬টি জেলার ৮৭২টি গ্রাম বন্যাকবলিত। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৬০০ ছাড়িয়েছে। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ব্রহ্মপুত্রসহ বিভিন্ন নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালাচ্ছে এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, সেনাবাহিনী ও দমকল বাহিনী। এদিকে সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে এবং হাজার হাজার হেক্টর কৃষিজমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

আসামে ভয়াবহ বন্যা: ২৪ ঘণ্টায় ২১ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ৫ লাখের বেশি মানুষ

মোদির বাসভবনের সামনে রাহুল-প্রিয়াঙ্কার বিক্ষোভ, উত্তপ্ত ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গন

ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভ কর্মসূচির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। এর আগে সিজেপির নেতৃত্বে সংসদ অভিমুখে একটি পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়, যার ধারাবাহিকতায় এই নতুন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বিক্ষোভ চলাকালে সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন অংশগ্রহণকারীরা। বিরোধী নেতারা কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নীতি ও কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন এবং চলমান আন্দোলনের প্রতি নিজেদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী বাসভবন ও আশপাশের এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়, যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিক্ষোভ ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে বিরোধী দলগুলোর আন্দোলনকে আরও জোরালো করতে পারে। সংসদ ও রাজপথে সরকারবিরোধী কর্মসূচি আরও বাড়তে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

মোদির বাসভবনের সামনে রাহুল-প্রিয়াঙ্কার বিক্ষোভ, উত্তপ্ত ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গন

জর্ডানে মার্কিন সেনানিবাসে হামলার দাবি আইআরজিসির, নিহতের দাবি কয়েকজন সেনা

জর্ডানের আল-রুকবান এলাকায় অবস্থিত মার্কিন সেনানিবাসে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে কয়েকজন মার্কিন সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ‘অপারেশন নাসর ২’-এর অংশ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে। আইআরজিসির দাবি, হামলায় মার্কিন সেনাদের আবাসিক কমপ্লেক্স লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং এতে বহুসংখ্যক সেনা নিহত হয়েছেন। তবে এ দাবি সম্পর্কে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা জর্ডানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি বা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি এবং পরবর্তী সমঝোতা চুক্তির পরও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে উভয় পক্ষ একে অপরের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়ে আসছে।

জর্ডানে মার্কিন সেনানিবাসে হামলার দাবি আইআরজিসির, নিহতের দাবি কয়েকজন সেনা

যুদ্ধ নাকি যুদ্ধবিরতি— চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি: আরাগচি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে যাবে নাকি আবারও যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটবে— সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির হাতে রয়েছে। এখন পর্যন্ত তিনি এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেননি। রোববার (১৯ জুলাই) ইরানি সংবাদমাধ্যম তেহরান টাইমস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাগচি বলেন, বর্তমানে ইরানের সামরিক বাহিনী যেসব মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে, সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হামলার পাল্টা প্রতিক্রিয়া। ইরান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেনি। তিনি জানান, শনিবার রাতে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের দীর্ঘ বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। বৈঠকে ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক (Islamabad MOU) আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আরাগচির ভাষ্য অনুযায়ী, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে যাওয়া হবে কি না, কিংবা নতুন করে সংলাপের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না— সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির ওপর নির্ভর করছে।” প্রসঙ্গত, পরমাণু ইস্যুকে কেন্দ্র করে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত শুরু হয় এবং প্রায় ৪০ দিন পর ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। পরে ১৭ জুন পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। তবে গত ৫ জুলাই হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার পর উভয় পক্ষের মধ্যে আবারও উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। এর জেরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা শুরু করে এবং পাল্টা জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইরান। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর পুনরায় অবরোধ জারির নির্দেশ দেন। এরপরই ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদ ইসলামাবাদ সমঝোতা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। সাক্ষাৎকারে আরাগচি আরও জানান, সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে তার ব্যক্তিগতভাবে এখনো কোনো সাক্ষাৎ হয়নি। কারণ, খুব সীমিত সংখ্যক কর্মকর্তাই সরাসরি তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান।

যুদ্ধ নাকি যুদ্ধবিরতি— চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি: আরাগচি

পশ্চিম তীরে মসজিদে আগুন দিল ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা

অধিকৃত পশ্চিম তীরের আল-তুওয়ানি গ্রামের একটি মসজিদে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে। একই হামলায় একটি কারখানাতেও আগুন দেওয়া হয়েছে। রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক সাংবাদিক মসজিদের প্রবেশদ্বার পুড়ে যাওয়ার পাশাপাশি দেয়ালে হিব্রু ভাষায় গ্রাফিতি দেখতে পান। গ্রাম কাউন্সিলের প্রধান মোহাম্মদ রাবি জানান, রাতের বেলায় মুখোশধারীসহ দুই ডজনের বেশি বসতি স্থাপনকারী আল-তাকওয়া মসজিদে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। ২০২৩ সালে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি সম্প্রদায়ের ওপর ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

পশ্চিম তীরে মসজিদে আগুন দিল ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা

মার্কিন বাহিনীকে ‘অবিস্মরণীয় শিক্ষার’ হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির

মার্কিন হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অবিস্মরণীয় শিক্ষা’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। শনিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক লিখিত বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক বারবার লঙ্ঘন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তার দাবি, এসব ঘটনার মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষরের কোনো মূল্য নেই। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, আধিপত্যবাদ ও সামরিক আগ্রাসনের জবাব দিতে ইরান এবং তার আঞ্চলিক মিত্ররা প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন বাহিনীকে কঠোর পরিণতিরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন বাহিনীকে ‘অবিস্মরণীয় শিক্ষার’ হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির

ট্রাম্পকে হত্যার আহ্বান জানিয়ে ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণার দাবি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার আহ্বান জানিয়ে ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে বলে দাবি উঠেছে ইরাকভিত্তিক একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গোষ্ঠীটি এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, তাদের সদস্য ও সমর্থকদের অনুদানে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। বিবৃতিতে ট্রাম্পকে হত্যা করলে ওই অর্থ পুরস্কার হিসেবে দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ধরনের ঘোষণা সহিংসতাকে উসকে দেয় এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

ট্রাম্পকে হত্যার আহ্বান জানিয়ে ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণার দাবি

বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি আইআরজিসির

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে মার্কিন বাহিনীর জল-ড্রোন ডিপো এবং প্রধান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ১৬ জুলাই রাতে ইরানের সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিমানবন্দর ও অন্যান্য স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাব হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। আইআরজিসির দাবি, হামলায় একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও বিস্ফোরকবাহী ড্রোন ব্যবহার করা হয়। এতে ডিপোতে থাকা অধিকাংশ জল-ড্রোন ধ্বংস হয়েছে এবং এআই কেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিবৃতিতে আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও ইরানের বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। তবে বাহরাইন সরকার, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর কিংবা সেন্টকম এ হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা আরও বেড়েছে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক সামরিক অভিযান ও পাল্টা হামলার দাবি করছে।  

বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি আইআরজিসির

তাপপ্রবাহে বেলজিয়ামে ১৫ দিনে প্রায় ২ হাজার মানুষের মৃত্যু

চলতি গ্রীষ্মে ইউরোপজুড়ে চলমান তাপপ্রবাহে বেলজিয়ামে মাত্র ১৫ দিনে প্রায় ২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান সিয়েনসানো এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, গত ১৮ জুন থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত সময়ে হিটস্ট্রোক ও তাপজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় এসব মৃত্যু ঘটে। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে দক্ষিণাঞ্চলীয় ওয়ালোনিয়া প্রদেশে। এরপর রয়েছে রাজধানী ব্রাসেলস এবং উত্তরাঞ্চলীয় ফ্ল্যান্ডার্স। সিয়েনসানো জানিয়েছে, ২০০০ সাল থেকে তাপপ্রবাহজনিত মৃত্যুর হিসাব সংরক্ষণ করা হলেও এবারই প্রথম এত কম সময়ে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এর আগে ২০২০ সালে বেলজিয়ামে তাপপ্রবাহে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। চলতি বছরের মৃত্যুর সংখ্যা সেই রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছে।

তাপপ্রবাহে বেলজিয়ামে ১৫ দিনে প্রায় ২ হাজার মানুষের মৃত্যু

জর্ডান ও কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের

ইরান দাবি করেছে, তারা জর্ডান ও কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাগুলো এ তথ্য জানিয়েছে। আজরাক ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের সেনাবাহিনীর দাবি, জর্ডানের আজরাক বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা এবং জ্বালানি সংরক্ষণাগার (ফুয়েল স্টোরেজ ট্যাংক) লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এই ঘাঁটিটি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে এ হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর (পেন্টাগন), যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) কিংবা জর্ডান সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। কুয়েতেও হামলার দাবি ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের একটি সমাবেশ এবং সেখানে থাকা একটি আর্লি ওয়ার্নিং রাডার সিস্টেম লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে এই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। হামলায় কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা কুয়েতের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

জর্ডান ও কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের

লিবিয়ার উপকূলে নৌকাডুবি: ৬০ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মধ্যে ৫০ জন নিখোঁজ

ভূমধ্যসাগরের লিবিয়া উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে গেছে। এ ঘটনায় নৌকাটিতে থাকা ৬০ জনের মধ্যে ৫০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) রাতে পূর্ব লিবিয়ার তোব্রুক উপকূল থেকে ইতালির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকাটি। কিছুদূর যাওয়ার পরই এটি ডুবে যায়। মাত্র ১০ জন সাঁতরে বারদা দ্বীপে পৌঁছাতে সক্ষম হন, পরে তাদের উদ্ধার করে কোস্ট গার্ড। লিবিয়ার উপকূল দীর্ঘদিন ধরেই ইউরোপগামী অনিয়মিত অভিবাসনের অন্যতম প্রধান রুট। মানবপাচারকারীদের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ এই সমুদ্রযাত্রায় প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা (IOM)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১৬ মে পর্যন্ত লিবিয়ার উপকূলে ৮০০-এর বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ হয়েছেন।

লিবিয়ার উপকূলে নৌকাডুবি: ৬০ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মধ্যে ৫০ জন নিখোঁজ

ইরানে নতুন করে মার্কিন বিমান হামলা, জ্বালানি রপ্তানি বন্ধের হুমকি তেহরানের

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বুধবার ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, প্রায় ৯০ মিনিটের অভিযানে বৃহত্তর তুনব দ্বীপের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ও উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোতে সুনির্দিষ্ট হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা কমিয়ে দেওয়া। অন্যদিকে, ইরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে অঞ্চলটির জ্বালানি রপ্তানি আবারও বন্ধ করে দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে পারে।

ইরানে নতুন করে মার্কিন বিমান হামলা, জ্বালানি রপ্তানি বন্ধের হুমকি তেহরানের

ইরানের নতুন হামলায় উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য

ইরান জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাদের অভিযানের অষ্টম ধাপ শুরু করেছে। দেশটির দাবি অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে বিস্ফোরকবাহী ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। ? ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী: জর্ডানের আজরাক বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন F-18 যুদ্ধবিমান রাখা এলাকা ও হ্যাঙ্গার লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটির কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার, নৌ-সহায়তা কেন্দ্র, গুদাম ও জ্বালানি ট্যাঙ্কে হামলার দাবি করেছে আইআরজিসি। ইরানের দাবি, এসব হামলায় বিভিন্ন স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ⚠️ উল্লেখ্য, এসব ক্ষয়ক্ষতির দাবি ইরানের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। স্বাধীনভাবে সব তথ্য এখনো যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ইরানের নতুন হামলায় উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য