রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ

বাণিজ্য

ডিএসই কনভেনশন সেন্টারে এনপলি গ্রুপের বার্ষিক পরিবেশক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ডিএসই কনভেনশন সেন্টারে এনপলি গ্রুপের বার্ষিক পরিবেশক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

দেশের নির্মাণ ও বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান এনপলি গ্রুপ রাজধানীর ডিএসই কনভেনশন সেন্টারে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে 'বার্ষিক পরিবেশক সম্মেলন-২০২৬' অনুষ্ঠিত করেছে। দিনব্যাপী আয়োজিত এই সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চল থেকে ৪৫০-এরও বেশি পরিবেশক অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে কোম্পানির ব্যবসায়িক সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা জাতীয় ও জোনাল পর্যায়ের সেরা পরিবেশকদের বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। সম্মেলনে এনপলি গ্রুপের বিভিন্ন বিভাগের পরিবেশকদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের চলমান ব্যবসায়িক কার্যক্রম, বাজার সম্প্রসারণের কৌশল, নতুন পণ্যের পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক দিকনির্দেশনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় এনপলি পাইপ অ্যান্ড ফিটিংস, ডোর অ্যান্ড শিট, ওয়াটার ট্যাংক, বাথরুম ফিটিংস এবং হাউজহোল্ড বিভাগের পরিবেশকদের জন্য নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ ও বাজার সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হয়। এছাড়া পরিবেশক, রিটেইলার এবং মিস্ত্রিদের দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও পেশাগত সহায়তার লক্ষ্যে কোম্পানির নেওয়া একাধিক নতুন উদ্যোগও সম্মেলনে উপস্থাপন করা হয়। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করে উন্নতমানের পণ্য ও সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের নির্মাণশিল্পে আরও বড় ভূমিকা রাখতে কাজ করবে এনপলি গ্রুপ।

জেনেরিক ওষুধে ২০০% শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের, চাপে পড়তে পারে ভারত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আমদানিকৃত জেনেরিক ওষুধের ওপর ধাপে ধাপে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত শুল্ক শূন্য থাকবে, এরপর এক বছর ১০০ শতাংশ এবং ২০২৮ সালের ১ আগস্ট থেকে স্থায়ীভাবে ২০০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে জেনেরিক ওষুধের উৎপাদন বাড়ানো এবং দেশীয় উৎপাদনকে উৎসাহিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে না তুললে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জেনেরিক ওষুধ রপ্তানিকারক ভারত এই নীতির কারণে ভবিষ্যতে বড় প্রভাবের মুখে পড়তে পারে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের জেনেরিক ওষুধের বড় একটি অংশ ভারত থেকে আমদানি করা হয়।

জেনেরিক ওষুধে ২০০% শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের, চাপে পড়তে পারে ভারত

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) নেতারা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে দেশের বস্ত্রশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, রপ্তানি সম্ভাবনা এবং খাতটির বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তার বিষয় তুলে ধরেন অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। প্রধানমন্ত্রী বস্ত্রশিল্পের অবদানের প্রশংসা করে এ খাতের উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এছাড়া বস্ত্রশিল্পের বিদ্যমান সমস্যাগুলো পর্যালোচনা ও সমাধানের লক্ষ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের যৌথ সামরিক মহড়া শুরু

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক আর্মি কমান্ডের যৌথ অংশগ্রহণে এক্সারসাইজ টাইগার লাইটনিং (টিএল)-২০২৬ এর উদ্বোধন হয়েছে।   রোববার (১৯ জুলাই) সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাসস্থ প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় আইএসপিআর। আইএসপিআর জানায়, অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান। এই যৌথ অনুশীলন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিশেষায়িত ফরমেশন প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড এর তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অনুশীলনটি মোট ১৩ দিনের জন্য পরিচালিত হবে যা আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত চলমান থাকবে। 

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের যৌথ সামরিক মহড়া শুরু

চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তার না করলে ব্যাহত হতে পারে ইন্টারনেট সেবা’

দেশের বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের (ISP) কার্যালয়, নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ও কর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট এবং চাঁদাবাজির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ISPAB)-এর সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন, নিরাপত্তাহীন পরিবেশে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি দাবি করেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলা ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা না হলে স্বাভাবিকভাবে ইন্টারনেট সেবা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে, যার প্রভাব পড়তে পারে লাখো গ্রাহকের ওপর। আইএসপিএবির সেক্রেটারি জেনারেল নাজমুল করিম ভূঁইয়া বলেন, চট্টগ্রামের ঘটনার পরও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় তারা নিরাপত্তার দাবিতে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে আরও কঠোর কর্মসূচিরও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বক্তারা বলেন, আইএসপি প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা ও নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ধ্বংসের ঘটনা শুধু উদ্যোক্তাদের নয়, বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ফ্রিল্যান্সিং, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং এবং সরকারি ডিজিটাল সেবাসহ দেশের সামগ্রিক ডিজিটাল অর্থনীতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তার না করলে ব্যাহত হতে পারে ইন্টারনেট সেবা’

আফ্রিকার বাজার ধরতে উদ্যোক্তাদের মনোযোগ বাড়ানোর আহ্বান

আফ্রিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশের পাট, চামড়া, ঔষধ, ফলমূল, সিরামিকসহ বিভিন্ন পণ্যের বড় সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। ? প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের মূল বিষয়: ? আফ্রিকার সম্ভাবনাময় বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। ? দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরে সরকার কাজ করছে। ? এলডিসি উত্তরণের পর বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও নতুন বাজার সম্প্রসারণ জরুরি। ? সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগ ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে। অন্যদিকে, ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ এলডিসি-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (FTA) এবং অন্যান্য সহযোগিতামূলক উদ্যোগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরও সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান জানান।

আফ্রিকার বাজার ধরতে উদ্যোক্তাদের মনোযোগ বাড়ানোর আহ্বান

বন্ধ কলকারখানা চালু করে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চায় সরকার

বন্ধ হয়ে থাকা রাষ্ট্রীয় কলকারখানাগুলো পুনরায় চালু করে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিল্প খাতকে গতিশীল করতে কাজ করছে সরকার বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বন্ধ পাটকল পুনরায় চালুর লক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অলস পড়ে থাকা রাষ্ট্রীয় সম্পদ এখন সরকারের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই এসব সম্পদকে আবারও উৎপাদনমুখী সম্পদে রূপান্তর করতে সরকার বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকে উৎসাহিত করছে। মন্ত্রী জানান, চলতি বছরের মধ্যেই আরও কয়েকটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যক্তি খাতে হস্তান্তর করা হবে। এতে নতুন বিনিয়োগ বাড়বে, শিল্প উৎপাদন সম্প্রসারিত হবে এবং হাজারো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, বেসরকারি উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার। তৈরি পোশাক শিল্পের রপ্তানি প্রসঙ্গে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, চলমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ট্যারিফের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবসায়িক মন্দা দেখা দিয়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতেও পড়েছে। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে রপ্তানি আবারও বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে টিকে গ্রুপের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, নরসিংদীর বাংলাদেশ জুট মিলসের ১৪ দশমিক ৮০ একর জমি লিজ দেওয়া হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে। সেখানে প্রায় ১ হাজার ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে টিকে গ্রুপ, যার মাধ্যমে প্রায় ৩ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে জানানো হয়েছে। সরকারের মতে, বন্ধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু হলে দেশের শিল্পায়ন, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানে নতুন গতি আসবে।

বন্ধ কলকারখানা চালু করে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চায় সরকার

নেসকোর ৯টি উপকেন্দ্র আধুনিকায়নে বড় সিদ্ধান্ত!

সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ১৪১ কোটি ৩৩ লাখ টাকার একটি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি—নেসকো এলাকায় রংপুর অঞ্চলের ৯টি ৩৩/১১ কেভি এআইএস উপকেন্দ্র আধুনিকায়ন করা হবে। এতে নকশা প্রণয়ন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ, স্থাপন, পরীক্ষণ এবং চালুকরণের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে অ্যাডেক্স করপোরেশন লিমিটেড এবং অ্যাডেক্স ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগ। এছাড়া একই বৈঠকে পঞ্চগড়ে এলজিইডির একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ৬ কোটি ৯ লাখ টাকার ভেরিয়েশন প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে। দেশের উন্নয়ন ও সর্বশেষ খবর জানতে আমাদের সঙ্গেই থাকুন।

নেসকোর ৯টি উপকেন্দ্র আধুনিকায়নে বড় সিদ্ধান্ত!

পিজি হাসপাতাল-সংক্রান্ত নতুন বিল নিয়ে চিকিৎসা ব্যয় বাড়ার শঙ্কা বিরোধীদলীয় নেতার

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (সাবেক পিজি হাসপাতাল) সংক্রান্ত নতুন বিল নিয়ে সংসদে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তার আশঙ্কা, বিলের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক (প্রফিটভিত্তিক) কাঠামোয় পরিচালনার সুযোগ তৈরি হলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে। জাতীয় সংসদে বিলটি উপস্থাপনের পর পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা জনগণের মৌলিক অধিকার। দেশের প্রধান এই টারশিয়ারি চিকিৎসাকেন্দ্রকে যদি প্রফিট ও নন-প্রফিট কাঠামোয় ভাগ করে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে চিকিৎসা ব্যয় বাড়বে এবং সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তিনি আরও বলেন, বেসরকারি বিনিয়োগ ও মুনাফাকেন্দ্রিক ব্যবস্থাপনা চালু হলে ‘অস্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা’ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যেখানে সাধারণ মানুষের চেয়ে নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠী বেশি লাভবান হতে পারে। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বিলটি এখনো শুধু উপস্থাপিত হয়েছে। বিস্তারিত আলোচনার পর্যায়ে এলে বিরোধীদলীয় নেতাকে বিষয়টি নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হবে। অন্যদিকে, একই বিল নিয়ে সংসদের বিশেষ কমিটির বিরুদ্ধে সভার নোটিশ যথাসময়ে না দেওয়ার অভিযোগ তোলেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, সকাল ১০টার বৈঠকের খবর তিনি পান বৈঠক শুরুর পর, ফলে উপস্থিত হওয়া সম্ভব হয়নি। এ অভিযোগের পর স্পিকার বিশেষ কমিটির সভাপতিকে ভবিষ্যতে সদস্যদের যথাসময়ে নোটিশ দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং এ ধরনের অনিয়ম এড়াতে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

পিজি হাসপাতাল-সংক্রান্ত নতুন বিল নিয়ে চিকিৎসা ব্যয় বাড়ার শঙ্কা বিরোধীদলীয় নেতার

দাবি না মানলে ১৮ জুলাই ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের

পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন এবং প্রকৃত মালিকদের কাছে ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক নুরুন্নবী মানিক এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, পূর্বঘোষিত দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে আগামী ১৮ জুলাই ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ফোরামের দাবি, ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন এবং প্রকৃত মালিকদের কাছে মালিকানা ফিরিয়ে দিয়ে ব্যাংকে সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। সংগঠনটি জানায়, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা ধারাবাহিক কর্মসূচি চালিয়ে যাবে।

দাবি না মানলে ১৮ জুলাই ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের

ছয় মাসে দেশে ২০ হাজার শ্রমিক ছাঁটাই, বন্ধ হয়েছে অন্তত ২৭ পোশাক কারখানা

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দেশে অন্তত ২০ হাজার শ্রমিক চাকরিচ্যুত বা ছাঁটাইয়ের শিকার হয়েছেন। অধিকাংশই তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিক। একই সময়ে অন্তত ২৭টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হাজারো শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন। শিল্প পুলিশ, বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ-এর তথ্য অনুযায়ী, গাজীপুর, সাভার-আশুলিয়া, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ক্রমেই বাড়ছে শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘটনা। গাজীপুরের ইউনিক ওয়াশিং অ্যান্ড ডায়িং ও ইউনিক ডিজাইনার্স কারখানা গত ১৬ জুন স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এতে ১ হাজার ৮০০ শ্রমিক কাজ হারান। অভিযোগ রয়েছে, এখনো তারা বকেয়া বেতন-ভাতা ও ক্ষতিপূরণ পাননি। বিজিএমইএর তথ্য বলছে, শুধু তাদের সদস্যভুক্ত ৮০টি কারখানায় ১৯ হাজার ১৮৮ শ্রমিক ছাঁটাই বা চাকরিচ্যুত হয়েছেন। এর মধ্যে ২৭টি কারখানা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। শিল্প পুলিশের হিসাবে, বছরের প্রথম পাঁচ মাসে ৭৯টি কারখানা থেকে ৭ হাজার ৭৮৪ শ্রমিক ছাঁটাই করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ছাঁটাই হয়েছে মার্চ ও মে মাসে। পোশাকশিল্প মালিকদের দাবি, ক্রয়াদেশ কমে যাওয়া, ব্যাংকঋট সংকট, আর্থিক চাপ ও বৈশ্বিক বাজারের প্রতিযোগিতা শ্রমিক ছাঁটাইয়ের প্রধান কারণ। অন্যদিকে শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের উদ্যোগ নেওয়া শ্রমিকদেরও বিভিন্ন অজুহাতে ছাঁটাই করা হচ্ছে। বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ক্রয়াদেশের ঘাটতি, ব্যাংকিং সংকট এবং ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার কারণে কারখানা বন্ধ হচ্ছে। বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, প্রয়োজনীয় ব্যাংক সহায়তা না পাওয়ায় অনেক কারখানা টিকে থাকতে পারছে না। এদিকে শ্রমিক সংগঠনগুলোর দাবি, অনেক ক্ষেত্রে বেআইনিভাবে শ্রমিক ছাঁটাই করা হচ্ছে এবং বকেয়া বেতন-ভাতা ও ক্ষতিপূরণ যথাযথভাবে পরিশোধ করা হচ্ছে না। তারা এসব ঘটনায় সরকারি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

ছয় মাসে দেশে ২০ হাজার শ্রমিক ছাঁটাই, বন্ধ হয়েছে অন্তত ২৭ পোশাক কারখানা

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে এক লাখ কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে সরকার

প্রাথমিক ও প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে সরকার এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শনিবার (৪ জুলাই) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যকর হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ দেশের বড় হাসপাতালগুলোর ওপর রোগীর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। মন্ত্রী বলেন, শুধু বাজেট বৃদ্ধি বা বিনিয়োগ বাড়ালেই স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়। স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আধুনিক ও কার্যকর করতে চিকিৎসক, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি আরও জানান, সরকার প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয়তা, অগ্রাধিকার, কার্যকারিতা ও পরিবেশগত বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে। স্বাস্থ্যখাতেও একই নীতি অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং সেই অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে এক লাখ কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে সরকার

মাছ-মুরগির দাম বেড়েছে, স্বস্তিতে সবজির বাজার

রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে মাছ ও মুরগির দাম বেড়েছে। তবে মৌসুমি সবজির বাজারে রয়েছে স্বস্তি। অধিকাংশ সবজির দাম অপরিবর্তিত থাকলেও গরুর মাংসের দামও স্থিতিশীল রয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, মাসের শুরুতে সরবরাহ কমে যাওয়ায় মাছ ও মুরগির দামে সাময়িক ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর রামপুরা, গুলশান, বাড্ডাসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। বাজারে কাঁকরোল, ধুন্দল, চিচিঙ্গা, পটল, ঝিঙে ও পেঁপেসহ বেশিরভাগ মৌসুমি সবজি প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে লম্বা ও গোল বেগুনের দাম বেড়ে কেজিপ্রতি ১০০ টাকায় উঠেছে, যা গত সপ্তাহের তুলনায় ২০ টাকা বেশি। কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে। মাছের বাজারে ইলিশের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও অন্যান্য মাছের দাম বেড়েছে। এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা কেজিতে। ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা কেজি। মাঝারি আকারের রুই ও কাতলা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা কেজিতে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৪০ থেকে ৫০ টাকা বেশি। তেলাপিয়ার দাম বেড়ে হয়েছে ২৭০ টাকা কেজি। সিলভার কার্পসহ অন্যান্য মাছের দামও কিছুটা বেড়েছে। রামপুরা বাজারের মাছ বিক্রেতা সুপন বর্মণ জানান, ইলিশের দাম বাড়েনি। তবে আড়তে সরবরাহ কম থাকায় রুই, কাতলা ও তেলাপিয়ার দাম কয়েকদিনের ব্যবধানে বেড়েছে। মুরগির বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগি বর্তমানে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা আগের তুলনায় ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজিতে। প্রতি ডজন ডিমের দাম রয়েছে ১২০ টাকা। তবে গরুর মাংসের দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি। জোয়ার সাহারা বাজারের বিক্রেতা সুমন বলেন, মাসের শুরুতে সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি থাকায় মুরগির দাম বেড়েছে। তবে বিক্রিতে এর কোনো প্রভাব পড়েনি। ক্রেতাদের অভিযোগ, সবজির দাম সহনীয় থাকলেও মাছ ও মুরগির দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসারের খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ীদের আশা, আগামী সপ্তাহে সরবরাহ স্বাভাবিক হলে মাছ ও মুরগির বাজারে আবারও কিছুটা স্বস্তি ফিরতে পারে।

মাছ-মুরগির দাম বেড়েছে, স্বস্তিতে সবজির বাজার

এলপি গ্যাসের দাম কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার এখন ১,৫২৮ টাকা

ভোক্তাপর্যায়ে এলপি (এলপিজি) গ্যাসের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন নির্ধারিত দামে ১২ কেজি এলপি গ্যাসের একটি সিলিন্ডার এখন ১ হাজার ৫২৮ টাকায় পাওয়া যাবে, যা আগে ছিল ১ হাজার ৮৮৫ টাকা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিইআরসি নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে। নতুন দাম বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হবে। এছাড়া অটোগ্যাসের দামও কমানো হয়েছে। প্রতি লিটার অটোগ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ টাকা ৪০ পয়সা, যা আগে ছিল ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা। নতুন এ মূল্য নির্ধারণের ফলে ভোক্তাদের এলপি গ্যাস ব্যবহারে খরচ কিছুটা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এলপি গ্যাসের দাম কমলো, ১২ কেজি সিলিন্ডার এখন ১,৫২৮ টাকা

রেমিট্যান্সে নতুন ইতিহাস! এক অর্থবছরে এলো রেকর্ড ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশের জন্য সুখবর! সদ্য সমাপ্ত ২০২৫–২৬ অর্থবছরে প্রবাসীরা বৈধ চ্যানেলে দেশে পাঠিয়েছেন ৩৫.৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। ? আগের অর্থবছরের তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৭.৩%, অর্থাৎ অতিরিক্ত এসেছে ৫.২৩ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, হুন্ডি প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে সরকারি প্রণোদনা, সহজ ব্যাংকিং সেবা এবং ডিজিটাল মানি ট্রান্সফারের সুবিধা—এসব কারণেই বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ? রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক ধারায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭.৫৬ বিলিয়ন ডলারে, যা অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা। ?? দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা বিশ্বের সব প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি রইল আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

রেমিট্যান্সে নতুন ইতিহাস! এক অর্থবছরে এলো রেকর্ড ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার

চাকরির জন্য তরুণদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী

বিগত সময়ে স্বাস্থ্য খাতের বিপর্যয়, ভুল নীতি এবং হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের কারণে দেশের অর্থনৈতিক খাত সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশের উৎপাদন ও বিনিয়োগ প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছিল, পুঁজিবাজারে সর্বস্ব হারিয়ে সাধারণ মানুষ আত্মহত্যা করেছিল এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছেছিল। সেই সঙ্গে বিগত সরকারের নেওয়া বেশ কিছু ‘ভ্যানিটি প্রজেক্ট’ বা অহেতুক প্রকল্পের কারণে যে দেশি-বিদেশি ঋণ নেওয়া হয়েছিল, তা এখন জাতির ওপর বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।   সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ-এর সভাপতিত্বে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তব্যে বিরোধী দলের নেতার বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন, আমরা দেশের এই অর্থনৈতিক সংকটকে অস্বীকার করতে চাই না, তবে সংকটকে কোনো অজুহাত হিসেবেও ব্যবহার করব না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও কার্যকর নীতির মাধ্যমে এই সংকট সফলভাবে মোকাবিলা করা হবে। সরকারের যাত্রালগ্ন থেকেই রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সংকটের কারণে যে বিশাল চাপ তৈরি হয়েছিল, তা দেশের সাধারণ মানুষও বুঝতে পেরেছে। এমন একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি ও বহুমুখী সংকটকে সামনে রেখেই এই বাজেট প্রণয়ন করতে হয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি এক অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ তাদের যে পবিত্র দায়িত্ব দিয়েছে, তা রক্ষা করতে সরকার বদ্ধপরিকর এবং সরকারের মূল দর্শন হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এবং ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’।     গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা শিরোনামে উপস্থাপিত এবারের বাজেটটি শুধু বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং অর্থনীতিকে একটি নতুন ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর রূপকল্প বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নয় লাখ আটত্রিশ হাজার কোটি টাকার এই বাজেটের অন্যতম মূল লক্ষ্য হলো অর্থনীতিকে মুষ্টিমেয় সুবিধাভোগীদের কবল থেকে বের করে এনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। দেশের সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও, বিনিয়োগ ও উৎপাদনের চাকা বেগবান করতে উন্নয়ন ব্যয় পঞ্চাশ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি করে তিন লাখ ষোল হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। সরকারি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রকল্পের পেছনে কত টাকা ব্যয় হলো তা বড় বিষয় নয়, বরং সেই প্রকল্প মানুষের জীবনে কী ভূমিকা রাখবে এবং কতটা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, সেটিই সরকারের মূল বিবেচনা। অর্থনৈতিক কৌশল বাস্তবায়নে সরকারের তিনটি ধাপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রথম ধাপে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে রাজস্ব সংস্কার, ব্যাংকিং খাতের পুনর্গঠন এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণ করা হবে। আর চূড়ান্ত ধাপে উৎপাদনশীল ও উদ্ভাবননির্ভর প্রতিযোগিতাপূর্ণ অর্থনীতির ভিত সুদৃঢ় করা হবে। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, শুধু জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়লেই প্রকৃত উন্নয়ন হয় না, প্রকৃত উন্নয়ন তখনই হয় যখন সাধারণ মানুষের ঘরে স্বস্তি আসে এবং তরুণরা যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পায়। ঋণনির্ভর নয়, বরং উৎপাদন ও বিনিয়োগনির্ভর এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে যেখানে তরুণদের চাকরির জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না, বরং তারা নিজেরাই নিজেদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। দেশীয় শিল্পের বিকাশ, রুগ্ন শিল্প কারখানা পুনরুজ্জীবিত করা এবং নতুন শিল্পাঞ্চল ভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে একটি রপ্তানিমুখী ও উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

চাকরির জন্য তরুণদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী