বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ

অর্থনীতি

‘আমরা খুবই দুঃখিত, তবে সে যেন ভালো থাকে’

লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের সিদ্ধান্তে গভীরভাবে আঘাত পেয়েছে তাঁর পরিবার। দীর্ঘ ও গৌরবময় এক অধ্যায়ের সমাপ্তির বেদনার মধ্যেও অবশ্য ছেলের সুখকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন মেসির মা সেলিয়া। মেসির অবসরের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর টিভি অনুষ্ঠান ইনত্রুসোস-এর সঙ্গে বার্তা বিনিময়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন সেলিয়া। তিনি জানান, মেসির অবসের বিষয়টি পরিবার আগে থেকেই জানত। তবু আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্তটি সামনে আসার পর কষ্টটা কমেনি। সেলিয়া লিখেছেন, ‘আগে থেকেই জানতাম, তবু পরিবারের সবাই খুবই দুঃখিত।’ আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির দীর্ঘ পথচলার সমাপ্তি শুধু সমর্থকদের জন্য নয়, তাঁর পরিবারের কাছেও ভীষণ আবেগের। ১০ নম্বর জার্সিতে বছরের পর বছর দেশের হয়ে খেলে যাওয়া ছেলেকে আর জাতীয় দলের হয়ে মাঠে দেখতে না পাওয়ার কষ্ট থাকলেও, মায়ের কাছে সবার আগে মেসির ভালো থাকা। সেলিয়ার বলেন, “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সে যেন ভালো থাকে।’ জাতীয় দল থেকে মেসির অবসরের বিষয়টি অবশ্য পরিবারে নতুন কোনো আলোচনা ছিল না। সেলিয়ার ইঙ্গিত, দীর্ঘদিন ধরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ভাবছিলেন আর্জেন্টাইন তারকা। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত থাকতেন তাঁর বাবা জর্জেও। গত ৮ আগস্ট রোজারিওতে মারা যান জর্জে। বাবাকে হারানোর শোকের মধ্যেই মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল ছাড়ার সিদ্ধান্ত পরিবারকে আরও বেশি আবেগাপ্লুত করে তুলেছে। বাবার সঙ্গে এ প্রসঙ্গে হওয়া কথোপকথনের স্মৃতি তুলে ধরে সেলিয়া লিখেছেন, ‘বাবা সব সময় বলতেন, ‘আমি আর খেলব না, তখন কী করব?’ আর সবকিছু একসঙ্গেই ঘটে গেল, অবিশ্বাস্য।’ নিজের বিদায়ী বার্তাতেও বাবার মৃত্যুর পর সিদ্ধান্তটি আরও দৃঢ় হওয়ার কথা জানিয়েছেন মেসি। হাতে লেখা এক চিঠিতে তিনি জানান, জাতীয় দলকে বিদায় বলার এটাই তাঁর জন্য উপযুক্ত সময়। মেসি লিখেছেন, ‘আমি শূন্য হয়ে গেছি, দেওয়ার মতো আমার আর কিছু নেই।’ চিঠির শেষ দিকে নিজের সিদ্ধান্তের পেছনের সময়টিও তুলে ধরেছেন মেসি, ‘আমি এই কথাগুলো লিখেছিলাম ২১ জুলাই, ফাইনালের দুই দিন পর। আজ, আমার বাবার সঙ্গে যা ঘটেছে, তার পর আমি আগের চেয়েও বেশি নিশ্চিত।’

‘আমরা খুবই দুঃখিত, তবে সে যেন ভালো থাকে’

সাঁকো ভেঙে নদীতে জামায়াত নেতা, রক্ষা পেলেন এমপি

নীলফামারীর ডিমলায় জরাজীর্ণ কাঠের সাঁকো পরিদর্শনে গিয়ে সেটি ভেঙে নদীর পাড়ে পড়ে যান জামায়াতের কয়েকজন নেতা-কর্মী। এ সময় অল্পের জন্য দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার। ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন। বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নটাবাড়ী গ্রামের নাউতারা ইউনিয়ন সংযোগকারী কাঠের সাঁকো পরিদর্শনের সময় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের দুর্ভোগ সরেজমিনে দেখতে এবং সেখানে নতুন সাঁকো নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনে যান এমপি আব্দুস সাত্তার। এ সময় স্থানীয় নেতা-কর্মী ও গ্রামবাসীদের সঙ্গে নিয়ে জরাজীর্ণ কাঠের সাঁকোটিতে ওঠেন তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাঁকোটির ওপর একসঙ্গে অনেক মানুষ ওঠার কারণে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে কাঠের একটি অংশ ভেঙে পড়লে কয়েকজন নেতা-কর্মী ভারসাম্য হারিয়ে নদীর পাড়ে পড়ে যান। স্থানীয় লোকজন ও এমপির সফরসঙ্গীরা দ্রুত এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করেন। তবে সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার অক্ষত অবস্থায় নিরাপদে সরে আসেন। ডিমলা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মজিবুর রহমান বলেন, সাঁকোটি দীর্ঘদিনের পুরোনো ও জরাজীর্ণ। অতিরিক্ত মানুষের চাপের কারণে এর একটি অংশ ভেঙে পড়েছে। তবে এমপি সম্পূর্ণ সুস্থ ও নিরাপদে রয়েছেন। পরে স্থানীয়ভাবে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার বলেন, সাঁকো ভেঙে পড়ার ঘটনাটি এখানকার মানুষের ঝুঁকিপূর্ণ চলাচলের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে। নটাবাড়ী-নাউতারা নদীর ওপর দ্রুত একটি পাকা সেতু নির্মাণ এবং সংযোগ সড়ক পাকাকরণের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সাঁকো ভেঙে নদীতে জামায়াত নেতা, রক্ষা পেলেন এমপি

তিন সন্তান রেখে প্রবাসীর টাকা-স্বর্ণালংকার নিয়ে কথিত প্রেমিকসহ লাপাত্তা স্ত্রী

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে মালয়েশিয়াপ্রবাসী এক ব্যক্তির স্ত্রীকে প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্কের জেরে গোপনে তালাক দেওয়ার পর কথিত প্রেমিকের সঙ্গে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় প্রবাসী স্বামীর পাঠানো প্রায় ২০ লাখ টাকা ও ১১ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ওই নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বুধবার (১২ আগস্ট) আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—আড়াইহাজার পৌরসভার নোয়াপাড়া এলাকার রুমা আক্তার (৩২) ও একই এলাকার কবির হোসেন (৪০)।এ ঘটনায় রুমা আক্তারের স্বামী মনির হোসেনের ভাগনে মো. রিফাত মিয়া (২৪) বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় মামলা করেছেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২৫ বছর আগে রুমা আক্তারের সঙ্গে মালয়েশিয়াপ্রবাসী মনির হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। প্রায় চার বছর আগে মনির হোসেন আবার মালয়েশিয়ায় চলে যান। এরপর থেকে তিনি নিয়মিত উপার্জনের টাকা স্ত্রী রুমা আক্তারের কাছে পাঠাতেন।এজাহারে অভিযোগ করা হয়, স্বামী বিদেশে থাকার সুযোগে রুমা আক্তার প্রতিবেশী কবির হোসেনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে গত ২ জানুয়ারি গোপনে মনির হোসেনকে তালাক দেন তিনি। তবে বিষয়টি স্বামীকে না জানিয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন এবং জমি কেনার কথা বলে টাকা ও স্বর্ণালংকার নেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।মামলার নথি অনুযায়ী, প্রায় চার বছরে মনির হোসেন স্ত্রীকে প্রায় ২০ লাখ টাকা এবং প্রায় পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার পাঠান। এসব স্বর্ণালংকারের আনুমানিক মূল্য ১১ লাখ টাকা।বাদীর অভিযোগ, গত ৭ আগস্ট রুমা আক্তার ও কবির হোসেন ওই টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বাড়ি থেকে চলে যান। চার দিন পর ১১ আগস্ট সকালে তারা কবির হোসেনের বাড়িতে ফিরে এলে বিষয়টি জানাজানি হয়।স্থানীয়রা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা বিয়ে করেছেন বলে জানান। একই সময় রুমা আক্তার তার প্রবাসী স্বামীকে তালাক দেওয়ার বিষয়টিও প্রকাশ করেন।পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তারা এতে রাজি হননি বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় মামলা বা মীমাংসার চেষ্টা করা হলে বাদী ও রুমা আক্তারের সন্তানদের হত্যার পর লাশ গুম করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।পরে স্থানীয়রা দুজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে আসে। এরপর রিফাত মিয়া বাদী হয়ে মামলা করেন। আড়াইহাজার থানার ওসি মো. সবজেল হোসেন বলেন, মামলার পর রুমা আক্তার ও কবির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিন সন্তান রেখে  প্রবাসীর টাকা-স্বর্ণালংকার নিয়ে কথিত প্রেমিকসহ লাপাত্তা স্ত্রী

১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছেন ৫৫ লাখ পরিবার

নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ শুরু হয়েছে। গত ১ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের ৪৯৫টি উপজেলার ৫৫ লাখ কার্ডধারী পরিবার প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাচ্ছেন।সোমবার (৩ আগস্ট) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপকারভোগীরা বছরে মোট ছয় মাস—আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর এবং পরবর্তী বছরের মার্চ ও এপ্রিল মাসে এ সুবিধা পাবেন। প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল সংগ্রহ করতে পারবে।এতে আরও বলা হয়, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অপুষ্টি দূর করা এবং বিশেষ করে নারী ও শিশুদের পুষ্টির মান উন্নয়নের লক্ষ্যে কর্মসূচির আওতায় ২৪৮টি উপজেলায় প্রায় ২৫ লাখ ২৯ হাজার উপকারভোগীর মধ্যে পুষ্টিচাল (ফর্টিফায়েড রাইস) বিতরণ করা হচ্ছে।অন্যদিকে, দেশের আরও ২৪৭টি উপজেলায় ২৯ লাখ ৭১ হাজার উপকারভোগীর মধ্যে সাধারণ চাল বিতরণ করা হচ্ছে।

১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছেন ৫৫ লাখ পরিবার

আগস্টে এলপিজির দাম আবারও বাড়ল

আগস্ট মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৭০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৫৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে এ সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫২৮ টাকা।রোববার (২ আগস্ট) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন মূল্য রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ দাম বহাল থাকবে।নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভোক্তাদের ১২ কেজির প্রতিটি এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে এখন থেকে মূসকসহ ১ হাজার ৫৯৮ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

আগস্টে এলপিজির দাম আবারও বাড়ল