নরসিংদীর রায়পুরায় ওয়ালিদ হাসান (১৮) নামে এক শিক্ষার্থীকে হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার প্রেমিকা ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রেমিকা প্রাণা আক্তার, তার মা এবং দুই বোনসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে উপজেলার বাহেরচর এলাকায় প্রেমিকার বাড়ির পেছন থেকে কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় ওয়ালিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত ওয়ালিদ চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন এবং নানাবাড়িতে বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওয়ালিদের সঙ্গে প্রাণা আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ সম্পর্ক নিয়ে প্রেমিকার পরিবারের আপত্তি ছিল। পরে প্রাণার বিয়ে অন্যত্র হলেও দুজনের যোগাযোগ অব্যাহত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
গত ১৮ জুন থেকে নিখোঁজ ছিলেন ওয়ালিদ। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে প্রেমিকার পরিবারের ওপর সন্দেহ করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় প্রেমিকার বাড়ির পেছন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, হত্যার পর মরদেহ কাপড়ে মুড়িয়ে গোপনে সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছিল। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং ক্ষুব্ধ লোকজন অভিযুক্তদের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়।
রায়পুরা থানার পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।