মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ

রাঙামাটিতে ৬০টি পাহাড়ধস, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪,১৬৬ মানুষ



রাঙামাটিতে ৬০টি পাহাড়ধস, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪,১৬৬ মানুষ

টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণে রাঙামাটিতে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন পর্যন্ত ৬০টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে বেড়েছে জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের ঝুঁকি। সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ৪ হাজার ১৬৬ জন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেলের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসের পাশাপাশি রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কয়েকটি বসতবাড়িও ধসে পড়েছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

এদিকে বাঘাইছড়ি উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কাচালং কলেজ, উপজেলা পরিষদসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় পানি ঢুকে পড়েছে। এতে হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন।
বিজ্ঞাপন

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও অনেক বাসিন্দা এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন। কাপ্তাই উপজেলার ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র ৩টিতে ১০৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন। একই চিত্র দেখা গেছে জেলা শহরের বেশ কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রেও, যেখানে অধিকাংশ কেন্দ্রই প্রায় ফাঁকা রয়েছে।

তবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমতে শুরু করেছে। প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আবহাওয়ার উন্নতি অব্যাহত থাকলে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার জন্য আবারও আহ্বান জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬


রাঙামাটিতে ৬০টি পাহাড়ধস, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪,১৬৬ মানুষ

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণে রাঙামাটিতে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন পর্যন্ত ৬০টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। একই সঙ্গে বেড়েছে জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের ঝুঁকি। সম্ভাব্য প্রাণহানি এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ৪ হাজার ১৬৬ জন।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেলের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ধসের পাশাপাশি রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কয়েকটি বসতবাড়িও ধসে পড়েছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

এদিকে বাঘাইছড়ি উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কাচালং কলেজ, উপজেলা পরিষদসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় পানি ঢুকে পড়েছে। এতে হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন।
বিজ্ঞাপন

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও অনেক বাসিন্দা এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন। কাপ্তাই উপজেলার ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র ৩টিতে ১০৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন। একই চিত্র দেখা গেছে জেলা শহরের বেশ কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রেও, যেখানে অধিকাংশ কেন্দ্রই প্রায় ফাঁকা রয়েছে।

তবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমতে শুরু করেছে। প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আবহাওয়ার উন্নতি অব্যাহত থাকলে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার জন্য আবারও আহ্বান জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।


বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ



কপিরাইট © ২০২৬ বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
রাঙামাটিতে ৬০টি পাহাড়ধস, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪,১৬৬ মানুষ
0:00 0:00
1.0x