সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ

রাতে আত্মহত্যায় বাধা দেওয়ায় সকালে উঠে মা-ভাতিজিকে হত্যা


ডেক্স রিপোর্ট
ডেক্স রিপোর্ট

রাতে আত্মহত্যায় বাধা দেওয়ায় সকালে উঠে মা-ভাতিজিকে হত্যা

কুমিল্লার দেবীদ্বারে মা ও ভাতিজিকে হত্যার পর ভাবিকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগে ইমন (২৫) নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে দিয়েছে স্থানীয়রা।

আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দেবিদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ঘাতক ইমন ওই বাড়ির মৃত ফরিদ মিয়ার ছোট ছেলে।

নিহতরা হলেন, বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের মৃত ফরিদ মিয়ার স্ত্রী পেয়ারা বেগম (৬৫) এবং ইমনের ৮ মাস বয়সী ভাতিজি ইশরাত জাহান।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বড়শালঘরের মৃত ফরিদ মিয়ার তিন ছেলে। সবার ছোট ইমন। তিনি ফুটবল খেলতে গিয়ে পা ভেঙে দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিল। ইমনের পায়ের লিগামেন্টে সমস্যা থাকায় পরবর্তীতে তার অপারেশন করা হয়। অপারেশনের পর থেকেই তার মধ্যে বিভিন্ন ডিসঅর্ডার দেখা দেয়।

রাবেয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দেবিদ্বার থানা পুলিশের উপপরিদর্শক বাঁধন বলেন, ঘটনার পর স্থানীয়রা ইমনকে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ইমনকে আটক করে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছি। ঘাতক ইমন ডিসঅর্ডারে ভুগছিল। ঘটনার কথা সে স্বীকার করেছে। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আটক ইমনের সম্পৃক্ততা ও ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। মামলা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।

বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


রাতে আত্মহত্যায় বাধা দেওয়ায় সকালে উঠে মা-ভাতিজিকে হত্যা

প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কুমিল্লার দেবীদ্বারে মা ও ভাতিজিকে হত্যার পর ভাবিকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগে ইমন (২৫) নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে দিয়েছে স্থানীয়রা।

আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দেবিদ্বার উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ঘাতক ইমন ওই বাড়ির মৃত ফরিদ মিয়ার ছোট ছেলে।

নিহতরা হলেন, বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের মৃত ফরিদ মিয়ার স্ত্রী পেয়ারা বেগম (৬৫) এবং ইমনের ৮ মাস বয়সী ভাতিজি ইশরাত জাহান।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বড়শালঘরের মৃত ফরিদ মিয়ার তিন ছেলে। সবার ছোট ইমন। তিনি ফুটবল খেলতে গিয়ে পা ভেঙে দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিল। ইমনের পায়ের লিগামেন্টে সমস্যা থাকায় পরবর্তীতে তার অপারেশন করা হয়। অপারেশনের পর থেকেই তার মধ্যে বিভিন্ন ডিসঅর্ডার দেখা দেয়।

রাবেয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দেবিদ্বার থানা পুলিশের উপপরিদর্শক বাঁধন বলেন, ঘটনার পর স্থানীয়রা ইমনকে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ইমনকে আটক করে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছি। ঘাতক ইমন ডিসঅর্ডারে ভুগছিল। ঘটনার কথা সে স্বীকার করেছে। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

দেবিদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আটক ইমনের সম্পৃক্ততা ও ঘটনার বিস্তারিত তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। মামলা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।


বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ



কপিরাইট © ২০২৬ বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
রাতে আত্মহত্যায় বাধা দেওয়ায় সকালে উঠে মা-ভাতিজিকে হত্যা
0:00 0:00
1.0x