রাজধানীর মহাখালীতে একটি চারতলা ভবনের ছাদে পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের মালামালে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ১১ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়। ১১টা ১২ মিনিটে খবর পেয়ে ১১টা ২৮ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স (এফএসসিডি)। তেজগাঁও ফায়ার স্টেশনের তিনটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
রাজধানীর মহাখালী ব্রিটিশ টোবাকো এসকে শপিং মলের পেছনে পুরাতন বিল্ডিংয়ে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা ১২ মিনিটে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাজধানীর মহাখালীর রেল গেট এলাকায় ব্রিটিশ টোবাকো এসকে শপিং মলের পেছনে পুরাতন বিল্ডিংয়ে আগুনের ঘটনা ঘটে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে তেজগাঁও ফায়ার স্টেশনের ৩টি ইউনিট রওনা করেছে। এখন পর্যন্ত আগুনের ঘটনায় কোনো ব্যক্তি আহত বা আটকে পড়ার সংবাদ পাওয়া যায়নি।
কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী আইকন পরিবহনের একটি এসি বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে রামুর কলঘর বাজারের পশ্চিমপাশে এন আলম ফিলিং স্টেশনের সামনের সড়কের ওপর এ ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার সময় বাসটিতে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় জানালার কাচ ভেঙে তাদের দ্রুত বের করে আনা হয়। এতে কেউ হতাহত হননি। রামু হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট পারভেজ জানান, খবর পাওয়ার প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছান তারা। কাছাকাছি অবস্থানে থাকায় দ্রুত সেখানে গিয়ে যাত্রীদের বাস থেকে উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে যাত্রীদের মালামালও বাসের ভেতর থেকে খুঁজে বের করে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। বাসটিতে থাকা একজন যাত্রী বলেন, ‘আমরা কক্সবাজারে ঘুরতে এসেছিলাম। আমার সিট নম্বর ছিল এইচ-১। ঢাকা যাচ্ছিলাম। গাড়িতে আগুন লাগার বিষয়টি চালক বা হেল্পার আমাদের জানায়নি। প্রথমে পোড়া গন্ধ পাই, পরে আগুন দেখতে পাই। স্থানীয়রা বাসের জানালার গ্লাস ভেঙে আমাদের উদ্ধার করেন।’ আরেক যাত্রী বলেন, ‘আমরা পরিবারের ৭ জন কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলাম। গাড়ির ভেতরে আগুন লাগার পর ধোঁয়া ও গন্ধে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। স্থানীয়রা জানালার গ্লাস ভেঙে আমাদের বের করে না আনলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।’ তিনি আরও বলেন, আগুন লাগার পর চালক ও হেল্পারকে তিনি বাসের ভেতরে দেখেননি। রামু ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. আবদুল কাদের চৌধুরী বলেন, ‘যান্ত্রিক ত্রুটি ও ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার কারণে বাসটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার পর বাসের যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে বাসের জানালার কাচ ভেঙে যাত্রীদের বের করে আনেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় বাসটির চালক ও হেল্পার আগুন লাগার পর পালিয়ে গেছেন বলে যাত্রীদের অভিযোগ। তবে তাদের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি। ঘটনার পর সড়কে কিছুসময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।