শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
‘এটা আমাদের ঘরের সমস্যা, দুঃখ প্রকাশ করে ওস্তাদদের দোয়া নিয়েছি, সমাধান হয়েছে’

‘এটা আমাদের ঘরের সমস্যা, দুঃখ প্রকাশ করে ওস্তাদদের দোয়া নিয়েছি, সমাধান হয়েছে’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের সঙ্গে ও কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় জামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসায় গিয়ে কওমি ছাত্র ও শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক করে হাসনাত আব্দুল্লাহর পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এরপর গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠক শেষে তিনি আরও বলেন, মাদরাসার ছাত্র ও শিক্ষকদের সঙ্গে আমাদের গভীর সম্পর্ক ও শ্রদ্ধা রয়েছে। আমরা এক সঙ্গে জুলাই আন্দোলন করেছি। ওস্তাদরা আমাদের তালেব মনে করেন। অনেক আলেম আমাদের দুঃখ প্রকাশ করতে বলেছেন। দুঃখ প্রকাশ করলে কেউ ছোট হয় না। তাই আমরা এখানে এসেছি, দুঃখ প্রকাশ করেছি এবং ওস্তাদদের দোয়া নিয়েছি। আমাদের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। তিনি বলেন, ছাত্র ভাইয়েরা দাবি জানিয়েছেন, হাসনাত আবদুল্লাহ জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সে বিষয়ে যেন সঠিক তথ্য আবার সংসদে উপস্থাপন করেন। তিনি আরও বলেন, আলেম ওলামাদের সঙ্গে আমরা রাজপথে ছিলাম, যেহেতু আমরা সবাই এক ঘরের, ফলে আমাদের কাছে আলেমরা বলেছে, এটা দ্রুত সমাধান করে দিতে। পরে হাসনাত তার বক্তব্যের জন্য ফেসবুকে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, অনেকে বাইরে থেকে উল্লাস করছেন। তাদের বলব, এটা আমাদের ঘরের সমস্যা। এর সমাধান হয়েছে। ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সবসময় শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেছেন। তিনি মাদরাসা ছাত্রদের পাশে দাঁড়াননি। তাদের পক্ষে সুষ্ঠু বিচার করেনি।  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সম্প্রতি পুলিশ ও মাদরাসাছাত্রদের সংঘর্ষের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মূল বিষয় ছিল, মাদরাসাছাত্ররা পুলিশ লাইন্সে গানের অনুষ্ঠান বন্ধ করেনি। বরং পুলিশ ৩০ জন মাদরাসাছাত্রকে আহত করেছে। বৈঠকে মাদরাসার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মুহতামিম মুফতি মোবারক উল্লাহ, সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা আলী আকবর এবং কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতা খালেদ সাইফুল্লাহসহ নেতারা।

চট্টগ্রাম ডুবলে হাঁটু পানিতে শুটিংয়ের নাটক আর দেখতে চাই না: সারজিস

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা ও নগর অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আগামী বর্ষার আগেই এই সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। একইসঙ্গে তিনি জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের লোক দেখানো কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘বর্ষা এলেই হাঁটু বা কোমর পানিতে নেমে শুটিং করার যে নাটক দেখা যায়, ২০২৭ সালে তা আর দেখতে চাই না।’ সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের স্টেশন রোড এলাকার একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সারজিস আলম। এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক বলেন, ‘বর্ষা শেষ হয়ে শরৎ, হেমন্ত ও শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, এমপি, ক্ষমতাসীন দল ও মেয়ররা চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার কথা ভুলে যাবেন। পরবর্তী বর্ষায় আবার চট্টগ্রাম ডুবে গেলে তারা জামাকাপড় পরে হাঁটু বা কোমর পানিতে নামবেন, কেউ নৌকা বা মাচা নিয়ে আসবেন- এমন লোক দেখানো কর্মকাণ্ড আর দেখতে চাই না।’ তিনি বলেন, ‘এই নাটক ২০২৭ সালে আমরা আর ক্ষমতাসীন দল বিএনপির পক্ষ থেকে দেখতে চাই না। এই নাটক আমরা এই চট্টগ্রামের মেয়র, প্রশাসক কিংবা এমপিদের থেকে আর দেখতে চাই না।’ সারজিস আলম বলেন, ‘সরকারের হাতে প্রায় এক বছর সময় রয়েছে। বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী, লাইফলাইন ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নগরী হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামকে শুধু লোক দেখানোর স্বার্থে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করলে চট্টগ্রামবাসীর এমন ‘সেবক’-এর প্রয়োজন নেই।’ নগরবাসীর জন্য কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের স্টেশন রোড এলাকার একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে সারজিস আলম। চট্টগ্রামের রাস্তাঘাটের দুরবস্থার কথা তুলে ধরে সারজিস আলম বলেন, ‘পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা থেকে শুরু করে নগরের বিভিন্ন সড়ক ও আবাসিক এলাকার অবস্থা তিনি ঘুরে দেখেছেন। এসব সড়কের অবস্থা এমন যে, অসুস্থ মানুষের হাসপাতালে যাওয়ার চেয়ে ঘরে বসে থাকাই ভালো বলে তাদের মনে হয়েছে।’ চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যসেবা নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘বাণিজ্যিক রাজধানীর একজন মানুষকে চিকিৎসার জন্য কেন ঢাকায় যেতে হবে? চট্টগ্রামকে যদি বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক নগরী বলা হয়, তাহলে এখানকার মানুষের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা জরুরি।’ তিনি বলেন, ‘শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাট, পয়ঃনিষ্কাশন ও পানি ব্যবস্থাপনাসহ নগরবাসীর মৌলিক প্রয়োজনগুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে।’ আগামী বর্ষার আগেই এসব সমস্যা সমাধানে আগামী এক বছরের মধ্যে চট্টগ্রামকেন্দ্রিক আলাদা একটি মেগা পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সারজিস আলম বলেন, ‘চট্টগ্রামকে শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে হলে লোক দেখানো কর্মকাণ্ড বাদ দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।’  নগরের পানি নিষ্কাশন, রাস্তাঘাট, পয়ঃনিষ্কাশন, পানি ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবাকে সমন্বিতভাবে উন্নয়নের আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। এ সময় চট্টগ্রামের জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আগামী বর্ষার আগেই দৃশ্যমান ও টেকসই পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান সারজিস আলম। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি জাতীয় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি তুলে ধরার কথা জানান।

চট্টগ্রাম ডুবলে হাঁটু পানিতে শুটিংয়ের নাটক আর দেখতে চাই না: সারজিস

আসিফ মাহমুদের সঙ্গে ওমরাহ পালনে আরও আছেন যারা

পবিত্র ওমরাহ পালন করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং ডায়াস্পোরা বিষয়ক উপকমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে পবিত্র নগরী মক্কায় পৌঁছে তিনি ওমরাহ পালন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং ডায়াস্পোরা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য আয়মান রাহাড, কেন্দ্রীয় সদস্য ও মিডিয়া উপকমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত, ন্যাশনাল ওলামা এলায়েন্সের সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক এ আদেলসহ আরও কয়েকজন ছিলেন। শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে দলের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। ওমরাহ পালনের সময় দেশবাসীর কল্যাণ কামনা করে দোয়া করেন এনসিপির নেতারা। ওমরাহ শেষে তাঁরা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আসিফ মাহমুদ। বর্তমানে তিনি মক্কায় অবস্থান করছেন। এরপর তাঁর মদিনা মুনাওয়ারায় যাওয়ার কথা রয়েছে। আগামী ৩০ আগস্ট তাঁর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরের একটি ফ্লাইটে স্ত্রী ও সফরসঙ্গীদের নিয়ে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়েন আসিফ মাহমুদ।

আসিফ মাহমুদের সঙ্গে ওমরাহ পালনে আরও আছেন যারা

শেখ হাসিনাকে আর রাখতে চাইছে না ভারত: আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে রাখার মধ্যে ভারতের আর কোনো কূটনৈতিক লাভ নেই। তার দাবি, ভারত সম্ভবত আর শেখ হাসিনাকে রাখতে চাচ্ছে না।বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেটে ১১-দলীয় ঐক্যের আয়োজিত সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।আসিফ মাহমুদ বলেন, “আমরা শুনলাম, ডিসেম্বরে তিনি (শেখ হাসিনা) বাংলাদেশে আসতে চান। আমার মনে হয়, এটি নির্ভরযোগ্য কোনো ঘোষণা নয়। আমাদের কাছে মনে হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরকে কেন্দ্র করে সরকারকে একটি বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এটি ভারত সরকারের যোগসাজশে হয়েছে এবং সম্ভবত ভারতও আর শেখ হাসিনাকে রাখতে আগ্রহী নয়।”তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই বাংলাদেশ সরকার ভারতকে বারবার জানিয়েছে, শেখ হাসিনাকে যেন কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ দেওয়া না হয়। বর্তমান সরকারও একই অবস্থান বজায় রেখেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।এনসিপির এই নেতা বলেন, ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকেও এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। তার ভাষ্য, শেখ হাসিনা যদি ভারত থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন, তাহলে বাংলাদেশে সেটিকে ভারতের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সমর্থন হিসেবে দেখা হবে। এতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার সুযোগ তৈরি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেখ হাসিনাকে আর রাখতে চাইছে না ভারত: আসিফ মাহমুদ

ক্ষমতার পালাবদলে বিএনপিও একই চরিত্র দেখাচ্ছে: সারজিস

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘ ১৬ বছর নিপীড়নের শিকার হওয়ার পরও ক্ষমতার পালাবদলের পর বিএনপি আগের সরকারের মতো একই ধরনের আচরণ শুরু করেছে।বুধবার (৫ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে সাবেক এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ তুলে তিনি এ মন্তব্য করেন।সারজিস আলম জানান, হবিগঞ্জ ও সিলেটে হামলার ঘটনা এবং আলিফ নামে এক ব্যক্তির চোখ নষ্ট হওয়ার ঘটনার পর গাজী সালাউদ্দিন তানভীর ফেসবুকে তারেক রহমানকে নিয়ে একটি পোস্ট করেছিলেন। বিষয়টি জানার পর এনসিপির পক্ষ থেকে তাকে জানানো হয়, এ ধরনের মন্তব্য দল সমর্থন করে না। পরে তিনি পোস্টটি মুছে ফেলেন এবং আরেকটি পোস্টে দুঃখ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলে আশ্বাস দেন।তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার জেরে দলীয়ভাবে তানভীরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয় এবং সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপরও বগুড়া জেলা বিএনপির এক নেতার করা মামলায় বুধবার ভোর ৪টার দিকে ঢাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করেন সারজিস।ফেসবুক পোস্টে সারজিস আলম লেখেন, ‘একজন মানুষ একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পোস্ট করেছিল। পরে সেটি মুছে ফেলে প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করেছে, ভবিষ্যতে এমন কিছু না করার অঙ্গীকার করেছে। দলীয়ভাবেও তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এরপরও তাকে গ্রেপ্তার করা হলো। এটি ক্ষমতার প্রদর্শন ছাড়া আর কিছু নয়।’তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত দুই বছরে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের অনেক নেতাকর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এনসিপিকে নিয়ে নানা ধরনের আপত্তিকর মন্তব্য করলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।সবশেষে সারজিস আলম দাবি করেন, ‘যে জুলুমের শিকার হয়ে বিএনপি ১৬ বছর কাটিয়েছে, এখন ক্ষমতার পালাবদলের পর তারাও একই চরিত্রের পরিচয় দিচ্ছে। অথচ রড দিয়ে আঘাত করে ছাত্রদলের যে সন্ত্রাসীরা আলিফের চোখ নষ্ট করেছে, তাদের একজনকেও এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়নি।’

ক্ষমতার পালাবদলে বিএনপিও একই চরিত্র দেখাচ্ছে: সারজিস