শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
দেবিদ্বারে বেসরকারি হাসপাতাল নিয়ে এমপির অভিযোগ, ১৫ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা চেয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি

দেবিদ্বারে বেসরকারি হাসপাতাল নিয়ে এমপির অভিযোগ, ১৫ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা চেয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে সরকারি নীতিমালা না মানার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ১৫ দিনের মধ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের কাছে দেওয়া এক চিঠিতে তিনি এ দাবি জানান। পরে চিঠিটি ‘জবাবদিহিতা’ পেজে পোস্ট করা হয় এবং এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার করলে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। চিঠিতে এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ উল্লেখ করেন, সম্প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দেবিদ্বারের বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। ওই প্রতিবেদন পর্যালোচনায় তিনি দাবি করেন, উপজেলার কোনো বেসরকারি হাসপাতালই সরকার নির্ধারিত বাধ্যতামূলক নীতিমালা ও ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করছে না। চিঠিতে তদন্ত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (DGHS) হালনাগাদ লাইসেন্স, ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, অনুমোদিত বেডের দ্বিগুণের বেশি বেড স্থাপন, প্রয়োজনীয় ডিগ্রি ও অ্যানেসথেসিওলজিস্ট ছাড়াই সার্জারি ও সিজার পরিচালনা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ BMDC রেজিস্ট্রেশনধারী চিকিৎসক ও মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট (SACMO) দিয়ে রোগী দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া চিঠিতে চিহ্নিত দালালের মাধ্যমে রোগী সংগ্রহ, সি-ক্যাটাগরির ল্যাবে অনুমোদন ছাড়া হরমোন ও ইলেকট্রোলাইট পরীক্ষা, TLD ব্যাচ ছাড়া রেডিয়েশন ঝুঁকিতে এক্স-রে করা এবং এক্স-রে কক্ষ বসবাসের জন্য ব্যবহারের মতো অভিযোগও করা হয়েছে। অন্যদিকে, অপারেশন থিয়েটারের ভেতরে ভাঙা বাথরুম থাকায় সংক্রামক পরিবেশ তৈরি হওয়া, প্রসূতিদের লেবার রুম স্টোররুম হিসেবে ব্যবহার, আলট্রাসনোগ্রাফি ও CBC পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি আদায় এবং ক্যাশ মেমোতে টাকার অঙ্ক উল্লেখ না করার অভিযোগও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ চিঠিতে বলেন, সরকারি প্রামাণ্য তথ্য থাকা সত্ত্বেও এসব নিয়মবহির্ভূত ও মানহীন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া উদ্বেগজনক। তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে শর্তভঙ্গকারী ও অবৈধ বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে সিলগালাসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। চিঠিতে আরও বলা হয়, ১৫ দিনের মধ্যে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এবং এর মধ্যে চিকিৎসাসেবা গ্রহণকালে কোনো রোগীর স্বাস্থ্যহানি বা জীবনহানির ঘটনা ঘটলে এর দায় সিভিল সার্জন ও সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। এ বিষয়ে এমপি হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, স্থানীয় সূত্রের দাবি অনুযায়ী, দেবিদ্বার উপজেলায় দেড় শতাধিক বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে শুধু দেবিদ্বার সদরে রয়েছে অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠান।

দাওয়াত দিতে এসে কিলঘুষিতে মধ্যবয়সীর মৃত্যু, মেয়ের শ্বশুর-শাশুড়িসহ আটক ৩

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ছেলের শ্বশুরবাড়িতে দাওয়াত দিতে এসে দাওয়াতে যাওয়া-না যাওয়া নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা মেয়ের বাবা মো. আবুল বাশার (৫০) নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।নিহতের পরিবারের দাবি, মেয়ের শ্বশুর, শাশুড়ি ও ননদের জামাই মারধর করলে গুরুতর আহত হন আবুল বাশার। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের নাল্লা গ্রামের উত্তরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহত আবুল বাশার ওই গ্রামের মৃত চেরাগ আলীর ছেলে। তিনি পেশায় দিনমজুর ছিলেন।স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনরা জানান, ঘটনার আগে আবুল বাশার স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে ছিলেন। পরে জানতে পারেন, মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাদের বাড়িতে এসেছেন। এরপর তিনি কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে যান।স্বজনদের ভাষ্য, অন্তঃসত্ত্বা মেয়ে ময়না আক্তারের গর্ভধারণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে আগামী শুক্রবার আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিতে মেয়ের শ্বশুর আব্দুল মতিন, শাশুড়ি রোজিনা বেগম এবং ননদের জামাই মো. হৃদয় তাদের বাড়িতে আসেন। তবে একই দিনে ভাতিজার বিয়ে থাকায় আবুল বাশার ওই অনুষ্ঠানে যেতে অপারগতার কথা জানান। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।পরিবারের অভিযোগ, একপর্যায়ে অতিথিরা চলে যেতে চাইলে আবুল বাশার তাদের খেয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন। তখন আব্দুল মতিন তার গলা চেপে ধরে বুকে ঘুষি মারেন। এ সময় রোজিনা বেগম ও হৃদয়ও তাকে মারধর করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করে গণপিটুনি দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং তাদের হেফাজতে নেয়।আটক ব্যক্তিরা হলেন—দেবিদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের রঘুরামপুর গ্রামের আব্দুল মতিন, তার স্ত্রী রোজিনা বেগম এবং তাদের মেয়ের জামাই মো. হৃদয়।নিহতের স্ত্রী ঝর্না বেগম অভিযোগ করেন, প্রায় এক বছর আগে তাদের মেয়ে ময়না আক্তারের সঙ্গে আব্দুল মতিনের ছেলে মহিউদ্দিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে মেয়েকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।তিনি আরও বলেন, অনুষ্ঠানে দাওয়াতের পাশাপাশি খাসির মাংস ও বিভিন্ন ধরনের নাশতা নিয়ে যেতে বলা হয়েছিল। কিন্তু অন্য পারিবারিক অনুষ্ঠানে যাওয়ার কারণে তার স্বামী রাজি না হওয়ায় অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর করেন।ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মেয়ের শ্বশুর, শাশুড়ি ও ননদের জামাইকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

দাওয়াত দিতে এসে কিলঘুষিতে মধ্যবয়সীর মৃত্যু, মেয়ের শ্বশুর-শাশুড়িসহ আটক ৩

গ্যাস বিস্ফোরণে নবদম্পতি ও ছোট্ট হাফসার মর্মান্তিক বিদায়

মাত্র দেড় মাস আগের কথা। নতুন সংসার ঘিরে বুকভরা হাজারও স্বপ্ন আর একরাশ আশা নিয়ে স্বামী ও আট বছরের ছোট্ট ভাগনিকে সঙ্গে করে রাজধানীতে পাড়ি জমিয়েছিলেন ফাহিমা আক্তার। ভেবেছিলেন ইট-পাথরের শহরে নিজেদের মেধা ও পরিশ্রমে গড়ে তুলবেন ভালোবাসার সুন্দর একটি নীড়। কিন্তু বিধাতা হয়তো লিখেছিলেন অন্য এক করুণ ইতিহাস! একটি অবহেলা আর গ্যাস লাইনের লিকেজ মুহূর্তের মধ্যেই তাদের সব স্বপ্ন পুড়িয়ে ছাই করে দিল। কয়েক দিন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে জীবনের সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় না-ফেরার দেশে চলে গেলেন কুমিল্লার দেবিদ্বারের মেয়ে ফাহিমা। একই দুর্ঘটনায় দগ্ধ হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তার স্বামী আনোয়ার হোসেন শাহিন এবং শুক্রবারে মারা যান প্রিয় ভাগনি হাফসা। একই পরিবারের তিনজনের এমন মর্মান্তিক বিদায়ে দেবিদ্বারে এখন বইছে শোকের মাতম, স্বজনদের কান্নায় বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে। মৃত ফাহিমা আক্তার দেবিদ্বার উপজেলার গোমতী আবাসিক এলাকার গোলাম হোসেনের ছোট মেয়ে। তিনি জাফরগঞ্জ মীর আব্দুল গফুর ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করে অনার্সে ভর্তি হয়েছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি কেক তৈরি ও পোশাক বিক্রিসহ নানা পণ্যের অনলাইন উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের একটা শক্ত অবস্থান তৈরি করতে চেয়েছিলেন। স্বপ্ন ছিল নিজের ব্যবসাকে অনেক দূর এগিয়ে নেওয়ার। সেই লক্ষ্যেই স্বামী শাহিনের হাত ধরে উঠে এসেছিলেন রাজধানীর বাড্ডায় ভাড়া বাসায়। পরম মমতা আর মায়ের স্নেহে বড় করে তুলবেন—এই আশায় সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন বড় বোনের আট বছরের শিশুকন্যা হাফসাকে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর দেবিদ্বারের ৯নং গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়নের বাঙ্গুরী গ্রামের মীর্জা আলী ব্যাপারী বাড়ির শাহিনের সঙ্গে বিয়ে হয় ফাহিমার। দেড় মাস আগে তারা রাজধানীর উত্তর বাড্ডার ভাটারা এলাকার একটি ভবনের নিচতলায় বাসা ভাড়া নেন। তাদের সঙ্গে ঢাকায় পড়তে এসেছিল ফাহিমার ভাগনি হাফসা। গত ২১ জুলাই রাত ৩টার দিকে হঠাৎ বাসাটায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিকট শব্দে ঘটে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে দুটি কক্ষে। আগুনের জ্বলন্ত দাহে আশঙ্কাজনকভাবে দগ্ধ হন ফাহিমা, তার স্বামী শাহিন ও শিশু হাফসা। উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে শরীরের ৭০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে ফাহিমা কয়েক দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে শনিবার সন্ধ্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার আগেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে যান তার স্বামী ও সঙ্গে থাকা ভাগনি হাফসা। দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর শুক্রবার বাদ মাগরিব শিশু হাফসাকে দাফন করা হয় তার বাবার বাড়ি দেবিদ্বারের সুলতানপুর গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে। আর শাহিনকে দাফন করা হয় বাঙ্গুরী গ্রামে তার পারিবারিক কবরস্থানে। রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় দেবিদ্বার পৌর সদরের গোমতী আবাসিক এলাকার চানমিয়া মার্কেট মাঠে ফাহিমার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় বাঙ্গুরী গ্রামে শাহিনের পারিবারিক কবরস্থানে স্বামীর পাশেই দাফন হয় ফাহিমার। মেয়েকে হারিয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে পিতা গোলাম হোসেন আক্ষেপ করে বলেন, বাসায় ওঠার পরপরই আমরা বাড়ির মালিককে গ্যাস লিকেজের বিষয়টি জানিয়েছিলাম; কিন্তু তারা আমাদের এই কথাকে কোনো গুরুত্বই দেয়নি! সময়মতো একটু ব্যবস্থা নিলে আজ আমার মা বেঁচে থাকত। অবহেলার কারণে আজ আমার মেয়েকে হারালাম, আমি এই অবহেলার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। তিনি আরও বলেন, মেয়ের সঙ্গে আমার বড় মেয়ের ঘরের নাতনি হাফসাও ঢাকায় গিয়েছিল। ওদের একটি সুন্দর ভবিষ্যতের আশা ছিল আমাদের; কিন্তু সামান্য একটা অবহেলা আর অসাবধানতায় এক নিমেষেই সব শেষ হয়ে গেল। ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে ৯নং গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য আবু হানিফ বলেন, শাহিন ও ফাহিমা দম্পতির মৃত্যুতে আমরা এলাকাবাসী শোকাহত। নিজেদের কর্ম দিয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার এক বুক আশা নিয়ে তারা ঢাকায় সংসার পেতেছিলেন। এভাবে একটি নবদম্পতি ও নিষ্পাপ শিশুর করুণ পরিণতি কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। এই ক্ষতি পূরণ হওয়ার নয়।

গ্যাস বিস্ফোরণে নবদম্পতি ও ছোট্ট হাফসার মর্মান্তিক বিদায়