বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে লুট শতাধিক বস্তা

সার দিতে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে লুট শতাধিক বস্তা

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে সার বিতরণে দেরি হওয়ায় ডিলারের গুদামে হামলা চালিয়ে শতাধিক বস্তা সার লুটের ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার সকালে উপজেলার মহিলা কলেজপাড়া এলাকায় মেসার্স মিতা হাসান এন্টারপ্রাইজের ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, সার সংগ্রহের জন্য রোববার দিবাগত মধ্যরাত থেকে বন্দবেড় ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডসহ আশপাশের এলাকার কৃষকেরা ডিলার পয়েন্টে জড়ো হতে থাকেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও ডিলারের দেখা না পাওয়ায় তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হয়। সোমবার সকাল পর্যন্ত সার বিতরণ শুরু না হওয়ায় অপেক্ষমাণ কৃষকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উত্তেজিত লোকজন ডিলারের গুদামের টিনের বেড়া ভেঙে ভেতরে ঢুকে সারের বস্তা নিয়ে যান। মেসার্স মিতা হাসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মতিয়ার রহমান বলেন, সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সার বিতরণ শুরু করার কথা ছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রশাসনের সহযোগিতা নিতে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে যান। এর মধ্যে ধৈর্যহারা কৃষকেরা গুদাম থেকে আনুমানিক শতাধিক বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যান। তবে ঠিক কত বস্তা সার লুট হয়েছে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম বসুনিয়া বলেন, উপজেলায় সারের কোনো সংকট নেই। কৃষকেরা ধৈর্য ধরে সার উত্তোলন করলে কোনো সমস্যা হবে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মঙ্গলবার থেকে খোলাবাজারে সার বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে। এতে সার নিয়ে ছড়ানো গুজবও দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুল হাসান বলেন, তিনি বিভিন্ন ডিলার পয়েন্টে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মাঠে কাজ করছেন। একটি সার বিক্রয়কেন্দ্রে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। পরে প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

যমজ দুই ভাই পেল জিপিএ-৫, প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন

বিদেশ ভ্রমণের প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ট্যুর অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) নিবন্ধিত সদস্য ট্যুর অপারেটরদের কাছ থেকে বাংলাদেশি টাকায় বিদেশ ভ্রমণের প্যাকেজ কেনা যাবে।রোববার (৯ আগস্ট) এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদেশি ট্যুর অপারেটর, হোটেল বা ডেস্টিনেশন ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির সঙ্গে বৈধ চুক্তি থাকা টোয়াব সদস্যরা গ্রাহকের কাছ থেকে টাকায় অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন। পরে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের মাধ্যমে ওই অর্থের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানকারীদের কাছে পাঠানো যাবে।নিয়মিত বার্ষিক ভ্রমণ কোটার বাইরে একজন ভ্রমণকারীর জন্য প্রতি ক্যালেন্ডার বছরে সর্বোচ্চ ৩ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রা পাঠানো যাবে। এ ক্ষেত্রে ট্যুর অপারেটরকে ভ্রমণকারীর পাসপোর্ট নম্বরের বিপরীতে লেনদেনের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে।এ ছাড়া ভ্রমণকারীর কাছ থেকে লিখিত ঘোষণা নিতে হবে যে, অন্য কোনো ট্যুর অপারেটরের মাধ্যমে তিনি নির্ধারিত বার্ষিক সীমা অতিক্রম করেননি।তবে ৩ হাজার ডলারের বেশি মূল্যের প্যাকেজ কেনার সুযোগও রাখা হয়েছে। সেক্ষেত্রে প্যাকেজের মূল্য আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধ করতে হবে।বিদেশে অর্থ পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট ইনভয়েস, চুক্তি, ভ্রমণসূচি, ভ্রমণকারীদের তালিকা এবং টাকায় অর্থ গ্রহণের প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করবে এডি ব্যাংক। অর্থ পাঠানোর সাত দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে এ সংক্রান্ত তথ্য জমা দিতে হবে।বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পর্যটন খাতের উদ্যোক্তারা। তাদের মতে, টাকায় বিদেশ ভ্রমণের প্যাকেজ কেনার সুযোগ চালু হওয়ায় গ্রাহকদের জন্য লেনদেন সহজ হবে এবং দেশের আউটবাউন্ড ট্যুরিজম খাত আরও গতিশীল হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

যমজ দুই ভাই পেল জিপিএ-৫, প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন