শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
মেঘনায় জেলের জালে ১৬ কেজির কোরাল, ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি

মেঘনায় জেলের জালে ১৬ কেজির কোরাল, ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি

ভোলার মনপুরায় মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে ১৬ কেজি ওজনের একটি কোরাল মাছ। মাছটি প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ টাকা দরে মোট ২৪ হাজার টাকায় নিলামে বিক্রি হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ৫ নম্বর কলাতলী ইউনিয়নের ডালচর মৎস্যঘাটে জোবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরীর মৎস্য আড়তে মাছটি বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন জেলে কামাল মাঝি। পরে নিলামে ২৪ হাজার টাকায় কোরাল মাছটি কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী জুবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী। জেলে কামাল মাঝি জানান, মঙ্গলবার মেঘনায় জাল ফেলে মাছ শিকারের সময় অন্যান্য ছোট আকারের ইলিশের সঙ্গে বিশাল আকৃতির কোরাল মাছটি ধরা পড়ে। পরে অন্যান্য মাছের সঙ্গে কোরাল মাছটিও মৎস্য আড়তে নিয়ে নিলামে বিক্রি করা হয়। মৎস্য ব্যবসায়ী শামীম তালুকদার জানান, তিনি ছাড়াও কয়েকজন ব্যবসায়ী নিলামে অংশ নেন। পরে রাজিব চৌধুরীর মৎস্য আড়তের কর্মচারী মাছটি কিনে নেন। মাছটি লঞ্চযোগে ঢাকার কারওয়ান বাজারে পাঠানো হবে। সেখানে আরও বেশি দামে মাছটি বিক্রি করা যাবে বলে আশা করছেন তিনি। এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু বলেন, বর্তমানে মেঘনায় ইলিশের সংকট চলছে। এর মধ্যে বড় আকৃতির কোরাল বা পাঙ্গাশ মাছ জেলের জালে ধরা পড়লে তা জেলেদের জন্য কিছুটা স্বস্তির। সামনে ইলিশের পাশাপাশি আরও বড় আকৃতির অন্যান্য মাছ ধরা পড়বে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবিতে পাঁচজন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন

বরগুনার পাথরঘাটা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় ১৩ জেলেসহ এফবি বরকত নামের একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আট জেলে উদ্ধার হলেও পাঁচ জেলে এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবীর ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে গভীর বঙ্গোপসাগরে এ ঘটনা ঘটে। ট্রালারে থাকা নিখোঁজ ওই পাঁচ জেলে বেঁচে নেই বলেও জানান ফিরে আসা জেলে মনমথ। নিখোঁজ জেলেরা হলেন পাথরঘাটা উপজেলা সদর ইউনিয়নের মোস্তফার ছেলে কাওছার, ইদ্রিসের ছেলে বেল্লাল, চুন্নু মাঝির ছেলে ইব্রাহিম, জাহাঙ্গীর মোল্লার ছেলে নুর আলম, শাহাদাত মাঝির ছেলে সাইকুল ইসলাম। উদ্ধার হওয়া জেলে ও ট্রলারের বাবুর্চি ইউনুস মোল্লা জানান, সাগরে তখন প্রচণ্ড পরিমাণে নিম্ন চাপ চলছিল। এর মধ্যেই জাল ফেলার প্রস্তুতির মধ্যে ক্লান্ত হয়ে কয়েকজন জেলে ট্রলারের ব্রিজের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ প্রচণ্ড তুফান ও ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উল্টে যায়। এ সময় ব্রিজের ভেতরে থাকা জেলেদের মধ্যে একজন প্রায় ২০ মিনিট পর বের হতে সক্ষম হলেও অপর পাঁচ জেলে বের হতে পারেনি। ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার পর আটজন জেলে প্রায় দুই ঘণ্টা সাগরে ভেসে থাকার পর অন্য একটি ট্রলারে উঠে প্রাণে বাঁচেন। বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, দুই দিন আগে পাথরঘাটা থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যায় বাদল মোল্লার মালিকানাধীন এফবি বরকত। সোমবার বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। পরে অন্য একটি ট্রলার আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে। তিনি বলেন, ‘নিখোঁজ পাঁচ জেলেকে উদ্ধারে জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে দু’টি ট্রলার সমুদ্রে পাঠানো হয়েছে। ডুবে যাওয়া ট্রলারে থাকা ১৩ জেলের বাড়িই পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়। তবে লোকমুখে শুনছি ওই ট্রলারে থাকা পাঁচ জেলে বেঁচে নেই।’

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবিতে পাঁচজন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন