সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় কটূক্তির অভিযোগে সঞ্জয় কুমার দাস (২৫) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাতে মেহেরপুর শহরের গড়পুকুর এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। সঞ্জয় মেহেরপুর সদর উপজেলার গোভিপুর গ্রামের হিরণ কুমার দাসের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে সঞ্জয় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করা হয় বলে অভিযোগ পুলিশের। ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। পরে অভিযান চালিয়ে গড়পুকুর এলাকা থেকে সঞ্জয়কে আটক করা হয়। মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তির অভিযোগে সঞ্জয় কুমার দাসকে আটক করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মিয়ানমারে ন্যাশনাল রিকন্সিলিয়েশন বিষয়ক জাপান সরকারের বিশেষ দূত ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়া। আজ সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিশেষ দূত বলেন, প্রায় ৫০ বছর ধরে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্য নিরসনে কাজ করছেন। মিয়ানমারে ন্যাশনাল রিকন্সিলিয়েশন বিষয়ে জাপান সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে তার ভূমিকার কথাও তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানান। রোহিঙ্গা সঙ্কট বাংলাদেশের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে উল্লেখ করে জাপানের বিশেষ দূত বলেন, এ পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি অবগত। রোহিঙ্গাদের সহায়তায় জাপান সরকারের বিভিন্ন অনুদান ও মানবিক সহযোগিতার কথাও তুলে ধরেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাসাকাওয়াকে বাংলাদেশ সফরের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং তার দীর্ঘদিনের মানবিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সঙ্কট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সঙ্কট। এ সঙ্কট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ এমনিতেই একটি জনবহুল দেশ। দীর্ঘ সময় ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার কারণে দেশের অর্থনীতি, অবকাঠামো ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে নিজের অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার জন্য জাপানের বিশেষ দূতের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রত্যাবাসনের পর মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত। বিশেষ দূত বলেন, রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে তার সাথে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের আলোচনা হয়েছে। মিয়ানমার সরকার এই সঙ্কটের সমাধানে আন্তরিক বলে তিনি মনে করেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন, রাখাইন প্রদেশের বর্তমান জটিল পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন অগ্রগতিতে সময় লাগছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সব ধরনের সহযোগিতা করতে আগ্রহী। কারণ নিজ দেশে ফিরে গেলে রোহিঙ্গাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ দূত প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করে বলেন, তার অবস্থান থেকে রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে তিনি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন। এসময় রোহিঙ্গা সঙ্কটের টেকসই সমাধানে শুধু দ্বিপক্ষীয় প্রচেষ্টার ওপর নির্ভর না করে বহুপক্ষীয় উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দূতকে বাংলাদেশে একটি ভ্যাকসিন উৎপাদনকেন্দ্র তৈরিতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। বিশেষ দূত বিষয়টি নিয়ে আন্তরিকতার সাথে কাজ করবেন বলে জানান। এছাড়া বাংলাদেশ জাপানের বিনিয়োগ পেতে আগ্রহী এবং দেশে একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দূতকে জানান। একইসাথে মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো উন্নত করার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের আগ্রহের কথা তিনি তুলে ধরেন। এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (২১ আগস্ট) জুমার নামাজের পর তিনি শ্রদ্ধা জানান বলে জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। আরও পড়ুনআরও পড়ুনসন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শপথ নেবেন মির্জা ফখরুল তিনি বলেন, নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে শপথ নেওয়ার আগেই জুমার নামাজের পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, সুরা ফতেহা পাঠ ও মোনাজাত করেছেন।
রাজধানীর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক নিদর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়তে নাগরিকদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ঢাকা হেরিটেজ রান’। শনিবার (১৫ আগস্ট) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আয়োজনে রাজধানীর ৪১৬ বছর পূর্তি ও ‘ঢাকা দিবস’ উপলক্ষে মাসব্যাপী ‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’ উৎসবের অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়। এতে এক হাজারের বেশি নাগরিক অংশ নেন। মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে হেরিটেজ রানের যাত্রা শুরু হয়। উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম। রানটি শাপলা চত্বর থেকে কাকরাইল মোড়, রমনা, শাহবাগ মোড়, কাটাবন মোড়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পলাশী মোড়, লালবাগ কেল্লা ও শহিদনগর মোড় হয়ে সোয়ারিঘাট লঞ্চঘাটে গিয়ে শেষ হয়। অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক রানারকে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে পদক ও সনদ দেওয়া হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে খেলাধুলার পাশাপাশি দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ঢাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, ঢাকাকে নিয়ে নাগরিকদের গর্ববোধ তৈরি করাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। হেরিটেজ রানে অংশ নিয়ে নগরবাসী ঢাকার বিভিন্ন এলাকার বাস্তব চিত্র দেখেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, কোথাও ভালো রাস্তা, কোথাও ভাঙাচোরা রাস্তা, আবার কোথাও বৃষ্টিতে কর্দমাক্ত পথ—এটাই ঢাকার বাস্তবতা। এই বাস্তবতার মধ্যেই নগরবাসীর জীবনযাত্রা আরও সুন্দর করতে হবে। পরিচ্ছন্নতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, নগরবাসী যত্রতত্র ময়লা না ফেললে এবং ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা সহযোগিতা করলে ঢাকাকে আরও সুন্দর রাখা সম্ভব। একই সঙ্গে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও নিজ নিজ দায়িত্ব অনুযায়ী সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে হবে। প্রথমবারের মতো হেরিটেজ রান আয়োজন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু ভুলত্রুটি থাকতে পারে। ভবিষ্যতে সেগুলো সংশোধন করে প্রতি বছর এ ধরনের আয়োজন করা হবে। পুরান ঢাকাকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি সাইকেল চালানোর জন্য পৃথক লেন এবং হাঁটা ও দৌড়ের উপযোগী পথ তৈরির পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। ‘আমার দায়িত্ব আমি পালন করব, আপনার দায়িত্ব আপনি পালন করবেন’—এমন আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে ঢাকা শহর আরও সুন্দর হয়ে উঠবে। থাকছে আরও নানা আয়োজন ‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’ উৎসবের অংশ হিসেবে আগামী ১৬ থেকে ২২ আগস্ট সূত্রাপুরের জহির রায়হান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র মিলনায়তনে ঢাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ওপর নির্মিত মঞ্চনাটক নিয়ে নাট্যোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। ২১ আগস্ট খোলামোড়া ঘাট থেকে ওয়াইজ ঘাট পর্যন্ত ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ এবং সদরঘাটে শত বছরের পুরোনো বিশেষ হেরিটেজ ক্রুজে পর্যটকদের ভ্রমণের আয়োজন রয়েছে। ২২ আগস্ট মধুমিতা সিনেমা হলে ঢাকাকে নিয়ে নির্মিত পুরোনো চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হবে। ২১ থেকে ৩০ আগস্ট ঢাকার বিভিন্ন বিপণিবিতানে ‘দ্য গ্রেট ঢাকা সেল’ এবং একই সময়ে ‘লাভ লেটার টু ঢাকা’ কর্মসূচির মাধ্যমে নাগরিকদের কাছে ঢাকাকে নিয়ে আবেগ ও ভালোবাসার চিঠি আহ্বান করা হবে। এ ছাড়া ২১ থেকে ২৮ আগস্ট শিল্পকলা একাডেমিতে ঢাকাকে নিয়ে নির্মিত মঞ্চনাটক এবং ২৩ থেকে ২৯ আগস্ট বাংলাদেশ টেলিভিশনে ঢাকাকে নিয়ে নির্মিত পুরোনো নাটক ও অন্যান্য অনুষ্ঠান সম্প্রচারের আয়োজন রয়েছে। ২৪ আগস্ট উত্তর ধানমণ্ডির জয়নুল হক শিকদার মহিলা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের হেলিপ্যাডে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ‘পাখির চোখে হৃদয়ে ঢাকা’ উৎসব প্রদর্শনের আয়োজন করা হবে। ২৮ আগস্ট লক্ষ্মীবাজার থেকে নগরভবন পর্যন্ত ঘোড়ার গাড়ি, রিকশা, ভিনটেজ গাড়ি ও পালকিসহ বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। ২৯ আগস্ট বিকেল ৪টায় লালবাগ কেল্লায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। একই সঙ্গে ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ বাস্তবায়নে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা, মশক নিধন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা করা হবে। ৩০ আগস্ট লালবাগ কেল্লায় ঘুড়ি উৎসব, বিশেষ ‘ঢাকা আড্ডা’ এবং সন্ধ্যায় ঐতিহ্যবাহী কাওয়ালিসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে। ১ সেপ্টেম্বর শিল্পকলা একাডেমিতে শিশু ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি দেশের খ্যাতিমান চিত্রশিল্পীদের অংশগ্রহণে উন্মুক্ত আর্ট ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। ৫ সেপ্টেম্বর আলমগঞ্জ জেটিতে পুরান ঢাকার পঞ্চায়েতি আড্ডার মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী ‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’ উৎসবের সমাপ্তি হবে। উৎসবকে ঘিরে নাগরিক জীবনের ব্যস্ততার মধ্যেও নগরবাসীকে গর্ব, উৎসাহ ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে ‘হৃদয়ে ঢাকা ৪১৬’ আয়োজনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ডিএসসিসি।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।