শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
নড়াইলে শিক্ষার্থীদের ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

নড়াইলে শিক্ষার্থীদের ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

নড়াইলে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ধর্ষণের অভিযোগে মাহবুবুর রহমান (২৫) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার মাহবুবুর রহমান নড়াইল সদর উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের আলমগীর সরদারের ছেলে ও নড়াইল পৌরসভার ডুমুরতলা তাফসির উদ্দিন হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক। পুলিশ জানায়, গত ২৭ আগস্ট রাত দেড়টার দিকে ডুমুরতলা তাফসির উদ্দিন হাফেজিয়া মাদ্রাসার এক শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরদিন ২৮ আগস্ট ওই ঘটনাটি জানাজানি হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্ত শিক্ষক মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে গতকাল (৫ সেপ্টেম্বর) সদর থানার মামলা করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে গিয়ে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসার আরও পাঁচ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ পায় পুলিশ। পুলিশ জানায়, মামলা রজুর ১০ ঘণ্টার মধ্যে নড়াইল সদর থানার ওসি (তদন্ত) অজয় কুমার কুন্ডুর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকার গাছা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি মাহবুবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। নড়াইল সদর থানার ওসি (তদন্ত) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ৩

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় এক পঞ্চম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার (৫ আগস্ট) তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ জুলাই দুপুরে স্কুল থেকে ফেরার পথে স্থানীয় একটি নির্জন বাগানে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলার কথা বলে ওই ছাত্রীকে নিয়ে যায় কয়েকজন। সেখানে তাকে জোরপূর্বক যৌন নির্যাতনের শিকার করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ভুক্তভোগীকে বিষয়টি কাউকে না জানাতে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।গ্রেফতাররা হলেন উপজেলার রাহাত (১৭), সিয়াম (১৭) এবং ইমন। এ ঘটনায় আরও দুজনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।ভুক্তভোগীর ভাই জানান, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে তার বোনকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উত্যক্ত করত। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে এই ঘটনা ঘটানো হয়।স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি পরিবারের নজরে আসে। এরপর থানায় মামলা করা হয়। বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন কুমার সাহা বলেন, ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে এবং ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ৩

অবশেষে ধর্ষণ মামলা, কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে খুঁজছে পুলিশ

নেত্রকোনায় ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর আগে স্থানীয়ভাবে অনুষ্ঠিত একটি সালিশে তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হলেও শেষ পর্যন্ত আইনের আশ্রয় নিয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবার।মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে নেত্রকোনা মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত রিপন মিয়া পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।মামলার এজাহার অনুযায়ী, ভুক্তভোগী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত রিপন মিয়া নেত্রকোনা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া গ্রামের মঞ্জিল মিয়ার ছেলে। তবে কয়েক বছর ধরে তিনি পার্শ্ববর্তী নন্দুরা গ্রামে বসবাস করছিলেন।পেশায় কাঠমিস্ত্রি হলেও ২০১৬ সাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও নির্মাণের মাধ্যমে পরিচিতি পান রিপন মিয়া। ‘হাই আই এম রিপন ভিডিও’ এবং ‘আই লাভ ইউ, এটাই বাস্তব’ সংলাপভিত্তিক ভিডিওর মাধ্যমে তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ২০১৯ সালে খোলা তার ‘রিপন মিয়া’ নামের ফেসবুক পেজে বর্তমানে প্রায় ১৯ লাখ অনুসারী রয়েছে।ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, গত শনিবার রাত ৮টার দিকে রিপন মিয়া তাদের বাড়িতে যান। সে সময় স্কুলছাত্রীটি বাড়ির উঠানে রান্নার কাজ করছিল এবং তার বাবা স্থানীয় বাজারে ও মা বাইরে ছিলেন। এ সুযোগে তাকে জোর করে বাড়ির পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে মেয়েটির চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যান।পরিবারের দাবি, ভিডিওতে অভিনয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রিপন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ওই কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করতেন। লোকলজ্জার কারণে প্রথমে বিষয়টি গোপন রাখা হলেও পরে ঘটনা জানাজানি হলে সোমবার রাতে স্থানীয় একটি বাজারে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।সালিশে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তির দাবি, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে স্থানীয় বিএনপি, জামায়াত ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেখানে রিপন মিয়া অভিযোগ স্বীকার করে ক্ষমা চান বলে দাবি করা হয়। পরে তাকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং এলাকা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সালিশের কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই ধর্ষণের মতো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের বিচার গ্রাম্য সালিশে করার উদ্যোগকে আইনবহির্ভূত বলে মন্তব্য করেন।এদিকে ঘটনার পর থেকেই রিপন মিয়ার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তিনি বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন।রিপনের স্ত্রী চম্পা আক্তার বলেন, ঘটনার বিস্তারিত তিনি জানেন না। তার স্বামী নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন এবং অভিযোগটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছেন।ভুক্তভোগীর মা জানান, ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পারেন এবং মেয়ের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত শোনেন।নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অবশেষে ধর্ষণ মামলা, কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে খুঁজছে পুলিশ