বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
নেপালে এখনো নিখোঁজ শত শত বিদেশি নাগরিক

নেপালে এখনো নিখোঁজ শত শত বিদেশি নাগরিক

নেপালে আকস্মিক বন্যার পর এখনো শত শত বিদেশি পর্যটকের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নেপাল পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একাধিক দেশের নাগরিক এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। বিভিন্ন দেশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নিখোঁজের তালিকা: ভারত: দিল্লির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ২৭৫ জন ভারতীয় নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন। চীন: চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১০০ জন চীনা নাগরিকের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৯০ জন মার্কিন নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন। ইউক্রেন: নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বন্যার পর থেকে ৬২ জন ইউক্রেনীয় নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন। মালয়েশিয়া: ফিশটেইল ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের সঙ্গে ভ্রমণরত ৫১ জন মালয়েশীয় নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া: অস্ট্রেলিয়ার সহকারী অভিবাসনমন্ত্রী জানিয়েছেন, ৪৩ জন অস্ট্রেলীয় নাগরিকের এখনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। যুক্তরাজ্য: নেপাল পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ৩৩ জন ব্রিটিশ নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন। এ ছাড়া চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভির প্রতিবেদনে তিব্বতে ১৫ জন ব্রিটিশ নাগরিক নিখোঁজ থাকার কথা বলা হয়েছে। তবে তাদের মধ্যে কতজন নেপালের নিখোঁজের তালিকায় রয়েছেন, তা স্পষ্ট নয়। কানাডা: কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৩০ জন কানাডীয় নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন। এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ডস ও নিউজিল্যান্ডের কয়েকজন পর্যটকও নিখোঁজদের তালিকায় রয়েছেন বলে জানা গেছে। নিখোঁজ বিদেশি নাগরিকদের উদ্ধারে নেপালে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সপরিবারে ‘নিখোঁজ’ ব্যবসায়ী, বন্ধকী স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগ

চাঁদপুরে গ্রাহকদের বন্ধক রাখা স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ করে পিন্টু দাস নামে এক ব্যবসায়ী সপরিবারে পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। তবে পিন্টু দাস নিখোঁজ না কি আত্মগোপনে রয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি পুলিশ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পিন্টু দাসের বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায়। ৫-৬ মাস আগে তিনি চাঁদপুর শহরের আখন্দ মার্কেটে দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। মার্কেটের নিচতলায় ‘এসকে শিল্পালয়’ নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ছিল তাঁর। সেখানে বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম টাকায় স্বর্ণ বন্ধক রেখে টাকা দিতেন তিনি। আজ বুধবার পিন্টু দাসের স্বজন ও চাঁদপুর শহরের গুয়াখোলা রোডের বাসিন্দা উপমা দে জানান, স্ত্রী রিমি, ছেলে প্রিয়ম ও রুপম দাসকে নিয়ে শহরে ভাড়া বাসায় থাকতেন পিন্টু দাস। বিভিন্ন কারণে তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। আজ বাসায় গিয়ে তাঁদের পাওয়া যায়নি। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, পিন্টু দাস স্বর্ণ বন্ধক রেখে টাকা দেওয়ার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে স্বর্ণ বন্ধক নিয়ে টাকা দেওয়ার পর নির্ধারিত সময়ে স্বর্ণ ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন সমিতি থেকেও ব্যবসার জন্য ঋণ নেওয়ায় তিনি আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন। শহরের রঘুনাথপুরের বাসিন্দা রাসেল খান বলেন, পিন্টু দাসের কাছে আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার ৫০ হাজার টাকায় বন্ধক রেখেছিলাম। পরে টাকা ফেরত দিয়ে স্বর্ণালংকার নিতে গেলে পিন্টু দাস আমাকে একদিন পর যেতে বলেন। এরপর জানতে পারি, সপরিবারে তিনি বাসা ছেড়ে চলে গেছেন। এ ঘটনায় সদর থানায় অভিযোগ দিয়েছি। শহরের দক্ষিণ গুণরাজদীর বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম ১২ আনা এবং শুভঙ্কর মজুমদার ১০ আনা স্বর্ণ পিন্টু দাসের কাছে বন্ধক রাখার দাবি করেছেন। বন্ধকী স্বর্ণ ফেরত পাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন তারাও। বিষয়টি নিয়ে সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফেরদৌস বলেন, পিন্টু দাস সপরিবারে আত্মগোপনে থাকলে খুঁজে পাওয়া কঠিন। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকেও কোনো নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়নি। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ বলেন, পিন্টু দাসসহ তাঁর পরিবারের ৪ সদস্যকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানতে পেরেছি। তাঁর কাছে বন্ধক রাখা স্বর্ণ অনেকে তা ফেরত পাচ্ছেন না। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

সপরিবারে ‘নিখোঁজ’ ব্যবসায়ী, বন্ধকী স্বর্ণ আত্মসাতের অভিযোগ

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবিতে পাঁচজন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন

বরগুনার পাথরঘাটা থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় ১৩ জেলেসহ এফবি বরকত নামের একটি ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আট জেলে উদ্ধার হলেও পাঁচ জেলে এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবীর ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে গভীর বঙ্গোপসাগরে এ ঘটনা ঘটে। ট্রালারে থাকা নিখোঁজ ওই পাঁচ জেলে বেঁচে নেই বলেও জানান ফিরে আসা জেলে মনমথ। নিখোঁজ জেলেরা হলেন পাথরঘাটা উপজেলা সদর ইউনিয়নের মোস্তফার ছেলে কাওছার, ইদ্রিসের ছেলে বেল্লাল, চুন্নু মাঝির ছেলে ইব্রাহিম, জাহাঙ্গীর মোল্লার ছেলে নুর আলম, শাহাদাত মাঝির ছেলে সাইকুল ইসলাম। উদ্ধার হওয়া জেলে ও ট্রলারের বাবুর্চি ইউনুস মোল্লা জানান, সাগরে তখন প্রচণ্ড পরিমাণে নিম্ন চাপ চলছিল। এর মধ্যেই জাল ফেলার প্রস্তুতির মধ্যে ক্লান্ত হয়ে কয়েকজন জেলে ট্রলারের ব্রিজের ভেতরে ঘুমিয়ে ছিলেন। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ প্রচণ্ড তুফান ও ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটি উল্টে যায়। এ সময় ব্রিজের ভেতরে থাকা জেলেদের মধ্যে একজন প্রায় ২০ মিনিট পর বের হতে সক্ষম হলেও অপর পাঁচ জেলে বের হতে পারেনি। ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার পর আটজন জেলে প্রায় দুই ঘণ্টা সাগরে ভেসে থাকার পর অন্য একটি ট্রলারে উঠে প্রাণে বাঁচেন। বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, দুই দিন আগে পাথরঘাটা থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যায় বাদল মোল্লার মালিকানাধীন এফবি বরকত। সোমবার বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। পরে অন্য একটি ট্রলার আট জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে। তিনি বলেন, ‘নিখোঁজ পাঁচ জেলেকে উদ্ধারে জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে দু’টি ট্রলার সমুদ্রে পাঠানো হয়েছে। ডুবে যাওয়া ট্রলারে থাকা ১৩ জেলের বাড়িই পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়। তবে লোকমুখে শুনছি ওই ট্রলারে থাকা পাঁচ জেলে বেঁচে নেই।’

বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবিতে পাঁচজন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন

নিখোঁজের দুই দিন পর নদীর তীরে মিলল ৮ বছরের শিশুর মরদেহ

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার তেঁতুলতলা এলাকায় কাজীবাছা নদীর তীর থেকে ইয়াতুল ইসলাম (৮) নামে এক শিশুর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শিশুটি গত দুই দিন ধরে নিখোঁজ ছিল। নিহত ইয়াতুল ইসলামের বাড়ি নড়াইলের কালিয়া উপজেলার বিষ্টুপুর গ্রামে। আজ শনিবার সকালে স্থানীয়রা নদীর তীরে শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে বটিয়াঘাটা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সকাল ১০টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার স্কুলে যাওয়ার পর বন্ধুদের সঙ্গে কালিয়া নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয় ইয়াতুল। ধারণা করা হচ্ছে, নদীর তীব্র স্রোতে ভেসে তার মরদেহ কাজীবাছা নদী হয়ে বটিয়াঘাটার তেঁতুলতলা এলাকায় চলে আসে। বটিয়াঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মারুফ হোসেন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এদিকে কাজীবাছা নদী ও তেঁতুলতলা এলাকায় এর আগেও একাধিক অজ্ঞাতনামা ও ভাসমান মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

নিখোঁজের দুই দিন পর নদীর তীরে মিলল ৮ বছরের শিশুর মরদেহ