মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে যুবক আটক

ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে যুবক আটক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় কটূক্তির অভিযোগে সঞ্জয় কুমার দাস (২৫) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাতে মেহেরপুর শহরের গড়পুকুর এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। সঞ্জয় মেহেরপুর সদর উপজেলার গোভিপুর গ্রামের হিরণ কুমার দাসের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে সঞ্জয় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করা হয় বলে অভিযোগ পুলিশের। ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। পরে অভিযান চালিয়ে গড়পুকুর এলাকা থেকে সঞ্জয়কে আটক করা হয়। মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তির অভিযোগে সঞ্জয় কুমার দাসকে আটক করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

রাজধানীর আড়াই শ চেকপোস্টে নিরাপত্তা জোরদার

রাজধানীর আটটি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগের পর ঢাকা মহানগরীজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ ও স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন।  শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর পুলিশ জানায়, বিগত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে ৪৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে ডিএমপি ঢাকার প্রবেশ মুখগুলোসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ আড়াই শ পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ কার্যক্রম চালাচ্ছে। পুলিশ ককটেল বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে। অভিযানের স্থানগুলোর মধ্যে ডিএমপির রমনা বিভাগ ৩০ জন, লালবাগ বিভাগ ৩৪ জন, ওয়ারী বিভাগ ৬৪ জন, মতিঝিল বিভাগ ৭৬ জন, তেজগাঁও বিভাগ ৯২ জন, মিরপুর বিভাগ ১২০ জন, গুলশান বিভাগ ৩৭ জন, উত্তরা বিভাগ ৪৬ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে দুটি প্রিসিশন পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ১০টি গুলি, ৩টি চাপাতি, ৫টি চাকু, বিস্ফোরিত ককটেলের অবশিষ্টাংশ, ৫৩টি পেরেক, ৯৪ কেজি ৩৫০ গ্রাম গাঁজা, ১১ হাজার ১৬৭টি ইয়াবা, ১২১ দশমিক ৩ গ্রাম হেরোইন, মাদকদ্রব্য, একটি গাড়ি, ৫টি মোবাইল ও ৭ হাজার ২০০ টাকা জব্দ করেছে। ডিএমপির জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপকমিশনার নিয়াজ মেহেদী গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রাজধানীর আড়াই শ চেকপোস্টে নিরাপত্তা জোরদার

মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপিকে ধরে দিল ছাত্রদল নেতা কর্মীরা

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার মো. আজিজুল হক আরজুকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে লালমাটিয়ার মিনা বাজারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার খন্দকার মো. আজিজুল হক আরজু (৬৯) পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ওই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তাঁর বাড়ি পাবনার আমিনপুরের নাটিয়াবাড়ী এলাকায়। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোহাম্মদপুরের লালমাটিয়ায় মিনা বাজারের সামনে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা আরজুকে আটক করেন। পরে তাঁকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আটকের সময় ধস্তাধস্তিতে তিনি সামান্য আঘাত পান। মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ জানিয়েছে, আরজু হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত। আটকের পর তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে পুলিশি প্রহরায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে পাঠানো হয়। ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, স্থানীয় ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের সহযোগিতায় আওয়ামী লীগের সাবেক এই সংসদ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলার বিষয়ে যাচাই-বাছাই ও তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপিকে ধরে দিল ছাত্রদল নেতা কর্মীরা

সড়ক দুর্ঘটনায় জরুরি সেবা দেবে অ্যাম্বুলেন্সসহ ১৮০ যান, উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী

সড়ক দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে দেশের মহাসড়কে ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স, ঢাকায় ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স এবং হাইওয়ে পুলিশের জন্য ৮০টি টহল মোটরসাইকেল চালু করা হয়েছে।বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পের (বিআরএসপি) আওতায় এসব যানবাহন যুক্ত করা হয়েছে।সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব সেবার উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমানোর পাশাপাশি দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধার ও জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। দেশের প্রথম বহুখাতভিত্তিক ও ‘সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ভিত্তিক এ প্রকল্প যৌথভাবে বাস্তবায়ন করছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।মহাসড়কে ৬০ বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্সপ্রকল্পের আওতায় ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স জয়দেবপুর-হাটিকুমরুল-বগুড়া-রংপুর, হাটিকুমরুল-নাটোর-রাজশাহী এবং জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ জাতীয় মহাসড়কের মোট ৫০০ কিলোমিটার অংশে মোতায়েন করা হবে।পরিকল্পনা অনুযায়ী, মহাসড়কের প্রতি ১০ কিলোমিটার পরপর একটি করে অ্যাম্বুলেন্স রাখা হবে। এর ফলে দুর্ঘটনার পর আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।ঢাকায় ৪০ মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্সরাজধানীতে দুর্ঘটনার পর দ্রুত রোগী হাসপাতালে পৌঁছে দিতে চালু করা হয়েছে ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকার যানজটের কারণে অনেক সময় সাধারণ অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারে না। এ ক্ষেত্রে মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে জরুরি সেবা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।হাইওয়ে পুলিশের জন্য ৮০ টহল মোটরসাইকেলমহাসড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশকে দেওয়া হয়েছে ৮০টি টহল মোটরসাইকেল। এগুলোর মাধ্যমে মহাসড়কে পুলিশের টহল কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান ডিভিশনের পরিচালক এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সড়ক দুর্ঘটনায় জরুরি সেবা দেবে অ্যাম্বুলেন্সসহ ১৮০ যান, উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী

ঢামেকে ফেলে যাওয়া কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত, গ্রেফতার ৩

রাজধানীর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। নিহত কিশোরীর নাম মিম আক্তার (১৫)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান। গ্রেফতাররা হলেন এ বি এম আব্দুর রাজ্জাক (৪৭), মো: ফয়সল আহমেদ (৩৫) ও রাহেমা খাতুন রেশমা (২৯)। নিয়াজ মেহেদী জানান, গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ১০ মিনিটে রাজধানীর ডেমরা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বুধবার ১২ আগস্ট ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এক কিশোরীর লাশ ফেলে চলে যায় অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। পরে শাহবাগ থানায় খবর দেয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহত কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত করা হয়। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে শাহবাগ থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) শাহবাগ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অপরাধ আড়াল করার উদ্দেশ্যে আসামিরা মিম আক্তারের লাশ হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। গ্রেফতার এড়াতে তারা নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকার বাসা ছেড়ে রাতারাতি সপরিবারে অন্যত্র আত্মগোপন করে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ঢামেকে ফেলে যাওয়া কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত, গ্রেফতার ৩

বগুড়ায় বস্তাবন্দী অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

বগুড়ায় পুকুরের কচুরিপানার নিচ থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহটি এতটাই পচে গেছে যে, মুখমণ্ডল প্রায় কঙ্কালসার হয়ে গেছে। তবে নিহতের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে বগুড়া শহরের মালগ্রাম দীঘিরপাড় এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুপুর ২টার দিকে এক ব্যক্তি মালগ্রাম দীঘিরপাড় এলাকায় ঘাস কাটতে যান। সেখানে দুটি কুকুরের মারামারি দেখে তিনি এগিয়ে গেলে কচুরিপানার নিচে একটি বস্তা দেখতে পান। বস্তা থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হওয়ায় সন্দেহ হয়। পরে আশপাশের লোকজনকে খবর দিলে বস্তার ভেতরে মানুষের মরদেহ দেখতে পান তারা। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে বগুড়া সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে।স্থানীয় বাসিন্দা রিফাত হাসান বলেন, মরদেহটি পুরোপুরি পচে গেছে। মুখমণ্ডল প্রায় কঙ্কাল হয়ে গেছে। ঘটনাটি এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করেছে। দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি জানান তিনি।বগুড়া সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহেদুল ইসলাম বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে মালগ্রাম পুকুরপাড় থেকে বস্তাবন্দী মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি অন্তত এক সপ্তাহ আগের। তিনি আরও বলেন, নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। মরদেহ শনাক্তের জন্য পিবিআই ও সিআইডিকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে এসে আঙুলের ছাপসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিগত পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করবে।

বগুড়ায় বস্তাবন্দী অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

প্রসূতি সেজে নবজাতক চুরির চেষ্টা, স্বামী-স্ত্রী আটক

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসূতি সেজে নবজাতক চুরির চেষ্টার অভিযোগে এক দম্পতিকে আটক করেছেন হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা। এ সময় তাদের কাছ থেকে নবজাতকটিকে উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন পালিয়ে গেছে।সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রসূতি বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। আটকরা হলেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফাঁসিতলা গ্রামের মৃত ভোলা মিয়ার ছেলে সিরাজুল ইসলাম ও তার স্ত্রী শেফালী বেগম।হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে তালুককানুপুর ইউনিয়নের সমসপাড়া গ্রামের জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী রুপালী বেগম সন্তান প্রসবের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তিনি একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দেন। প্রসবের পর নবজাতককে কোলে নিয়ে প্রসূতি বিভাগের ভেতরে অবস্থান করছিলেন শিশুটির দাদি জয়গুন বেওয়া।এ সময় পাশের একটি বেডে থাকা শেফালী বেগম শিশুটিকে কোলে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সরল বিশ্বাসে জয়গুন বেওয়া শিশুটিকে তার কোলে তুলে দেন। কিছুক্ষণ শিশুটিকে আদর করার পর দাদি চিকিৎসকের কাছে যান। এই সুযোগে শেফালী শিশুটিকে কোলে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। তার সঙ্গে ছিলেন স্বামী সিরাজুল ইসলাম।বিষয়টি বুঝতে পেরে জয়গুন বেওয়া চিৎকার শুরু করেন। পরে হাসপাতালের নিচে গিয়ে দেখতে পান, শেফালীসহ কয়েকজন শিশুটিকে নিয়ে দ্রুত বের হওয়ার চেষ্টা করছেন। তার চিৎকার শুনে হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা এগিয়ে গিয়ে নবজাতকসহ শেফালী ও সিরাজুলকে আটক করেন। তবে তাদের সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন পালিয়ে যায়।হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী লাল মিয়া বলেন, চিৎকার শুনে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নবজাতকসহ ওই নারী ও তার স্বামীকে আটক করেন। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দম্পতির সঙ্গে শিশু চুরির একটি চক্রের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। শেফালী বেগম প্রসূতি সেজে হাসপাতালে প্রবেশ করেছিলেন বলেও প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। তার শরীরে বাঁধা অবস্থায় অতিরিক্ত কাপড় পাওয়া গেছে। ওই কাপড় ব্যবহার করে পেট উঁচু করে তাকে প্রসূতি সাজানো হয়েছিল বলে জানা গেছে।ঘটনার পর হাসপাতালের রোগী ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।গোবিন্দগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার বলেন, ‘নবজাতকসহ আটক দুজনকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

প্রসূতি সেজে নবজাতক চুরির চেষ্টা, স্বামী-স্ত্রী আটক

চট্টগ্রামে চোরাই স্বর্ণ বিক্রির ১৫ লাখ টাকাসহ তিনজন গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের আকবরশাহ থানার একটি চুরির মামলায় অভিযান চালিয়ে চোরাই স্বর্ণ বিক্রির নগদ ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৮০০ টাকা ও স্বর্ণের ওজন মাপার একটি ডিজিটাল নিক্তিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শনিবার (৮ আগস্ট) নগরের কোতোয়ালি থানাধীন হাজারী গলিসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সেতু দাস প্রকাশ সালাউদ্দিন (৪৩), মোহাম্মদ আলী (৪৩) ও দেবব্রত বণিক প্রকাশ বলাই বণিক (৩৭)।সেতু দাসের বাড়ি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার বড় উঠান এলাকায়। মোহাম্মদ আলীর বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় এবং দেবব্রত বণিক প্রকাশ বলাই বণিকের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায়।চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী কমিশনার আমিনুর রশিদ জানান, আকবরশাহ থানার একটি চুরির মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে চোরাই স্বর্ণ বিক্রির নগদ টাকা ও স্বর্ণের ওজন মাপার ডিজিটাল নিক্তি উদ্ধার করা হয়।তিনি বলেন, গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে চোরাই স্বর্ণ বিক্রির ১৫ লাখ টাকাসহ তিনজন গ্রেপ্তার

উখিয়ায় পুলিশ ক্যাম্পের ওয়াশরুম থেকে এএসআইয়ের মরদেহ উদ্ধার

কক্সবাজারের উখিয়ায় একটি পুলিশ ক্যাম্পের ওয়াশরুমের ভেতর থেকে রুবেল হোসেন নামে এক সহকারী উপ-পরিদর্শকের (এএসআই) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।শনিবার (৮ আগস্ট) ভোর ৫টার দিকে উখিয়ার ইরানি পাহাড় পুলিশ ক্যাম্পের ওয়াশরুমের স্টিলের দরজা কেটে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, শুক্রবার বিকেলে নিয়মিত রোলকলে এএসআই রুবেল অনুপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘ সময় তাকে না পাওয়ায় ক্যাম্পের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।শনিবার ভোরে ক্যাম্পের বাবুর্চি শরীফ রান্নার কাজে ওয়াশরুমে যাওয়ার সময় দেখেন, দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে তিনি রুবেল হোসেনকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন।পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও চিকিৎসক ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ওয়াশরুমের স্টিলের দরজা কেটে রুবেলকে বের করে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।পুলিশ জানায়, মরদেহের কাছ থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, গোসলের তোয়ালে, টর্চ লাইট ও সিগারেট উদ্ধার করা হয়েছে।পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ওয়াশরুম ব্যবহারের সময় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে আইনগত তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

উখিয়ায় পুলিশ ক্যাম্পের ওয়াশরুম থেকে এএসআইয়ের মরদেহ উদ্ধার