মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
সালিশে দেড় লাখ টাকায় সম্পর্ক ছিন্নের সিদ্ধান্ত, দুই দিন পর তরুণীর মৃত্যু

সালিশে দেড় লাখ টাকায় সম্পর্ক ছিন্নের সিদ্ধান্ত, দুই দিন পর তরুণীর মৃত্যু

বরিশালের গৌরনদীতে গ্রাম্য সালিশের দুই দিন পর গীতা রানী দাস (৩০) নামে এক তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সালিশের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নেওয়ার পর রোববার বিকেল ৫টার দিকে বাবার বাড়িতে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে গ্রামবাসী মৃত্যুর ঘটনাকে রহস্যজনক দাবি করলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের ঘেয়াঘাট গ্রামে। গীতা ওই গ্রামের দিনমজুর গোপাল চন্দ্র দাসের মেয়ে। স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর ধরে একই এলাকার লক্ষণ শীলের ছেলে সঞ্জয় শীলের সঙ্গে গীতার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে তাঁরা শাখা-সিঁদুর ও মালা বদল করে কথিত বিয়ে করেন। প্রায় দেড় মাস আগে গীতা একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। এরপর সঞ্জয় ও তাঁর পরিবার গীতা ও নবজাতককে মেনে নিতে অনীহা প্রকাশ করেন। এ নিয়ে স্থানীয় কয়েকজন মাতব্বর ও হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকজন ব্যক্তির উদ্যোগে প্রথম দফায় সালিশ বসে। স্বজনদের দাবি, সেখানে গীতাকে স্ত্রী এবং তাঁর নবজাতক কন্যাসন্তানকে মেনে নিয়ে বাড়িতে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। পরে সঞ্জয় ও তাঁর পরিবার ১৫ দিনের মধ্যে গীতা ও তাঁর সন্তানকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দিয়ে সালিশস্থল ত্যাগ করেন। তবে পরে সঞ্জয় ওই সিদ্ধান্ত না মেনে আত্মগোপনে চলে যান বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এরপর গত ১১ সেপ্টেম্বর বাটাজোর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আজাদ প্যাদার নেতৃত্বে দ্বিতীয় দফায় সালিশ বসে বলে স্থানীয়দের দাবি। ওই বৈঠকে সঞ্জয় ও গীতার সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত হয় এবং গীতাকে দেড় লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তাঁর স্বজনেরা। তাঁদের অভিযোগ, দ্বিতীয় দফার সালিশের সিদ্ধান্তের পর গীতা মানসিকভাবে আরও ভেঙে পড়েন। অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে বাটাজোরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও রোববার বিকেলে বাবার বাড়িতেই তাঁর মৃত্যু হয়। তবে গীতার বাবা গোপাল চন্দ্র দাস বলেন, তাঁর মেয়ে দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। গীতার একমাত্র ভাই শিবাস চন্দ্র দাস বলেন, তাঁর বোনের আগে আরেকটি বিয়ে হয়েছিল। ওই সংসারে অনু দাস নামে ১০ বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বিবাহবিচ্ছেদের পর গীতা ও তাঁর মেয়েকে নিয়ে তাঁরা একসঙ্গে বসবাস করতেন। পরে সঞ্জয় শীলের সঙ্গে গীতার সম্পর্ক হয় এবং তাঁদের একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। সঞ্জয় ও তাঁর পরিবার গীতা ও সন্তানকে মেনে না নেওয়ায় সালিশ বসে। সেখানে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করে সম্পর্কের ইতি টানা হয় বলে দাবি করেন তিনি। এরপর থেকেই তাঁর বোন মানসিকভাবে আরও ভেঙে পড়েছিলেন। তবে সালিশে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাটাজোর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আজাদ প্যাদা। তিনি বলেন, ‘এ ঘটনার কোনো সালিশ আমি করিনি। এমনকি এ বিষয়ে কোনো রায়ও দিইনি।’ গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, ‘গ্রামবাসী গীতা রানীর মৃত্যুর বিষয়টি রহস্যজনক দাবি করায় মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় আনা হয়েছে।’ তিনি জানান, সোমবার সকালে মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।

পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিলেন বিএনপি নেতা

সৌদি আরবে পবিত্র কাবা শরীফের সামনে দাঁড়িয়ে কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মো. সাদ্দাম হাওলাদার নামে এক বিএনপি নেতা। সাদ্দাম হাওলাদার বর্তমানে জিয়া সাইবার ফোর্সের বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি। একইসঙ্গে বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকেও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক আইডি থেকে পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। একইসঙ্গে ওই ভিডিও'র কমেন্টে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস লিখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেন তিনি।যেটি মুহুর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে। তবে হঠাৎ করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার এমন সিদ্ধান্তের পিছনে কোন রহস্য রয়েছে কিনা, সেই ব্যাপারে সাদ্দাম হোসেনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করায় কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ফেসবুক পোস্টে মো. সাদ্দাম লিখেন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় বাংলাদেশ, প্রিয় মাতৃভূমি, প্রিয় জন্মভূমি বরিশালের গৌরনদী-আগৈলঝাড়াবাসী আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি সকলে ভালো আছেন, আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ও আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসায় অনেক ভালো আছি। শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ্।  আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে, বাংলাদেশের বৃহত্তম দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত আমি, আমার পরিবার বাবা ও চাচাসহ বংশের ৯০% সকলেই এই দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। আমি, মো. সাদ্দাম হাওলাদার, জাতীয় উপ-নির্বাচন কমিটির (সাবেক) সদস্য ও ৪নং মডেল গৈলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক প্রার্থী ও একজন একটিভ সদস্য এবং বর্তমানে আগৈলঝাড়া উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সহ-সভাপতি দায়িত্বরত অবস্থায় আছি।  বিএনপির এই নেতা বলেন, আপনারা সকলেই জানেন, বর্তমানে আমি একজন সৌদি প্রবাসী ও রেমিটেন্সযোদ্ধা, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতি প্রেক্ষাপটে আমার দ্বারা রাজনীতি করা সম্ভব নয়। আমরা বই পুস্তকে পড়েছিলাম রাজনীতি হল জনগণের সেবা করা, এখন দেখছি ভিন্ন হাজারও কথা/অভিযোগ থাকলেও দলের প্রতি আমার বিন্দু পরিমাণ কোন অভিযোগ নেই। আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবাসি, ভালোবাসি দেশ নায়ক তারেক রহমানের সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে, ভালোবাসি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে।  আমি কোন বড় রাজনীতিবিদ না বা ত্যাগী নেতাকর্মী নয় ,আমার চাইতে হাজারও লক্ষ কোটি নেতাকর্মী এখন দলের কাছে বোঝা ও অবহেলিত। তাই আমি স্ব-সম্মানে সজ্ঞানে বাংলাদেশ নামক সকল রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি এবং পদত্যাগ করলাম। আজকের পর থেকে আমি কোন দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় জানিয়ে সাদ্দাম বলেন, আল্লাহতায়ালার ঘর পবিত্র কাবা শরীফকে সামনে রেখে তওবা করলাম, সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন এবং আমার রাজনৈতিক জীবনে যদি জানা/অজানা কাউকে বিন্দু পরিমাণ কষ্ট দিয়ে থাকি তাহলে আমাকে আপনাদের কারও ছেলে, ভাই, বন্ধু বা সন্তান হিসেবে ক্ষমা করে দিবেন। আমি সকলের কাছে বিনয়ের সঙ্গে মাফ চাই। সবশেষে বিশেষ দ্রষ্টব্য দিয়ে তিনি লিখেন, রাজনীতি ছিল আমার আবেগ ও মনের খোড়াক, ভেবে ছিলাম জনগণের সেবা করবো। তবে সেটা রাজনীতি দিয়ে হইলো না, তবে রাজনীতির বাইরে ওযে মানব সেবা করা যায়, সেটা আমি সাদ্দাম প্রমাণ করে দিবে আল্লাহভরসা। বিগতদিনে যেমন অসহায় হতদরিদ্র মানুষের পাশে সর্বদা ছিলাম, ভবিষ্যতে আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোল্লা বশির আহমেদ পান্না বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তাছাড়া সাদ্দাম হাওলাদার কর্মের সুবাধে দীর্ঘদিন থেকে সৌদি আরবে রয়েছেন। কারও সাথে কোন ধরনের বিরোধ থেকে সাদ্দাম হাওলাদার ক্ষোভের কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কিনা সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তিনি আরও বলেন, পাশাপাশি সাদ্দাম হাওলাদার লিখিতভাবে কোন পদত্যাগপত্র না পাঠিয়ে কি কারণে ফেসবুকে ভিডিও ছেড়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছেন, সে ব্যাপারেও খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।        

পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিলেন বিএনপি নেতা

মাদকাসক্ত ছেলের বিরুদ্ধে মায়ের মামলা

বরিশালের বাবুগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন মা। নেশার টাকা না পেয়ে মাকে ও স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগে মাইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়। ঘটনাটি উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের ব্রাহ্মন্দিয়া গ্রামের। স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল খালেক মাস্টারের ছেলে মাইনুল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। নেশার টাকা না পেয়ে তিনি তার মা জাহানারা বেগম এবং স্ত্রী মিম আক্তারকে মারধর করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মিম আক্তার তিন সন্তানের মা। ছেলের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে জাহানারা বেগম বরিশালের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলার পর আদালত মাইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর গত ৫ আগস্ট বাবুগঞ্জ থানা পুলিশ মাইনুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। তার গ্রেপ্তারের পর এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। মাইনুলের মা জাহানারা বেগম অভিযোগ করে বলেন, তার সৎছেলে মৃত জাহাঙ্গীর হোসেনের স্ত্রী রাশিদা বেগম মাদক কেনাবেচা করেন। তার কাছ থেকেই মাইনুল মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। তবে রাশিদা বেগমের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। বাবুগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, রাশিদা বেগমের বিষয়ে পুলিশ নজরদারি করছে। মাদকসংক্রান্ত অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মাদকাসক্ত ছেলের বিরুদ্ধে মায়ের মামলা

লাল ফিতা কেটে বাঁশের সাঁকো উদ্বোধন করলেন বিএনপি নেতা

বরিশালের উজিরপুর পৌরসভায় স্থানীয়দের উদ্যোগে নির্মিত একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম খান। লাল ফিতা কাটা, ঢোল-বাদ্য এবং মিষ্টি বিতরণের মধ্য দিয়ে সাঁকো উদ্বোধনের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উজিরপুর পৌরসভার ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের চলাচলের সুবিধার্থে নিজেদের অর্থায়নে প্রায় ২০০ ফুট দীর্ঘ সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়েছে। সাঁকো তৈরিতে বাঁশের পাশাপাশি সুপারিগাছও ব্যবহার করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার বিকেলে সাঁকো উদ্বোধনের সময় স্থানীয়রা ফুল ও বেলুন দিয়ে আশপাশের এলাকা সাজান। আয়োজন করা হয় ঢোল-বাদ্যের। পাশাপাশি বয়াতিদের গান পরিবেশনের ব্যবস্থাও ছিল। পরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত নারী-পুরুষদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।সাঁকো উদ্বোধনের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এ নিয়ে ভিন্নমত দেখা দিয়েছে। অনেকে ঘটনাটিকে ‘উন্নয়নের নামে লোকদেখানো প্রদর্শনী’ হিসেবে মন্তব্য করে প্রশ্ন তুলেছেন—যোগাযোগের মতো মৌলিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান না করে একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি ভোগান্তি কতটা কমবে।অন্যদিকে, স্থানীয় বাসিন্দাদের নিজেদের অর্থায়নে অর্থ সংগ্রহ করে সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগকে প্রশংসা করেছেন অনেকে। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের চলাচলের সমস্যা সাময়িকভাবে হলেও কমাতে এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগটি ইতিবাচক।বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে উজিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম খান বলেন, ‘সাঁকোটি উদ্বোধনের জন্য আগাম কোনো প্রস্তুতি আমার জানা ছিল না। এলাকার নারী-পুরুষ ও শিক্ষার্থীরা চলাচলে চরম ভোগান্তিতে পড়ছিলেন। এ কারণে স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে সুপারিগাছ ও বাঁশ দিয়ে সাঁকোটি তৈরি করেন।’তিনি আরও বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে আমাকে সেখানে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে উপস্থিত দেড় থেকে দুই শত মানুষ লাল ফিতা ধরে আমাকে কাটার অনুরোধ করলে আমি তা করি। এর মধ্যেই গান-বাজনা ও মিষ্টি বিতরণের আয়োজন করা হয়। পুরো বিষয়টিই এলাকাবাসীর উৎসাহে হয়েছে।’তবে স্থানীয়দের দীর্ঘমেয়াদি চলাচলের সমস্যা সমাধানে একটি স্থায়ী সেতু বা উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

লাল ফিতা কেটে বাঁশের সাঁকো উদ্বোধন করলেন বিএনপি নেতা