বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
মতিঝিলে ৬ শতাধিক অস্বাস্থ্যকর পানির জার ধ্বংস

মতিঝিলে ৬ শতাধিক অস্বাস্থ্যকর পানির জার ধ্বংস

অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা জারে পানি সরবরাহ এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) মান সনদ ছাড়া পানি বাজারজাতের অভিযোগে রাজধানীর আরামবাগে দুটি প্রতিষ্ঠানের ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করেছে বিএসটিআই। সোমবার বিএসটিআই পরিচালিত বিশেষ সার্ভিল্যান্স অভিযানে এসব জার ধ্বংস করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়া অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়। বিএসটিআই জানায়, নিরাপদ ও মানসম্মত পানি ভোক্তার অন্যতম মৌলিক প্রত্যাশা। পানির মতো সরাসরি ভোগ্যপণ্যের ক্ষেত্রে উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে স্বাস্থ্যবিধি ও নির্ধারিত মান অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পানি সরবরাহ এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও মান নিয়ন্ত্রণ সনদ ছাড়া পানি বাজারজাত ভোক্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এ বিষয়ে বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, বিএসটিআই দেশের বাজারে মানসম্মত পণ্য নিশ্চিতকরণ এবং ভোক্তা স্বার্থ সুরক্ষায় নিয়মিত বাজার তদারকি ও সার্ভিল্যান্স কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ভেজাল ও নিম্নমানের পণ্যের বিরুদ্ধে বিএসটিআই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন, বিএসটিআই পণ্যের মান সনদ প্রদানের পাশাপাশি নকল ও ভেজাল রুখতে সার্ভিল্যান্সের মাধ্যমে কঠোর নজরদারি চলমান রেখেছে। যেখানে মানহীন ও ভেজাল পণ্যের সন্ধান পাওয়া যাবে, সেখানেই অভিযান চলবে। পণ্য কেনার আগে ক্রেতাসাধারণকে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, পণ্যের উপাদান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করার পরামর্শ দেন বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক। একই সঙ্গে কোনো পণ্যের মান, ভেজাল, প্রতারণা অথবা বিএসটিআইয়ের মানচিহ্নের অপব্যবহার সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে তা দ্রুত বিএসটিআইকে হটলাইন ১৬১১৯-এ কল করে অথবা dg@bsti.gov.bd-তে ই-মেইলের মাধ্যমে জানানোর জন্য অনুরোধ করেন তিনি।

রাজধানীতে কালো ধোঁয়া নির্গমনে ৯১৫ মামলা, সবচেয়ে বেশি মতিঝিলে

রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে গত জুলাই মাসে ৯১৫টি মামলা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মুখপাত্র অতিরিক্ত উপকমিশনার নিয়াজ মেহেদী।ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ জানায়, পরিবেশ দূষণ রোধ ও যানবাহন থেকে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমন বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় জুলাই মাসে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কালো ধোঁয়া নির্গমনের দায়ে এসব মামলা করা হয়।ডিএমপির আটটি ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে মতিঝিল বিভাগে। সেখানে ৩৫৪টি মামলা করা হয়েছে।এ ছাড়া রমনা বিভাগে ৩৪টি, লালবাগে ৪টি, ওয়ারীতে ১৭২টি, তেজগাঁওয়ে ১৩১টি, মিরপুরে ৩৬টি, উত্তরা বিভাগে ১২৮টি এবং গুলশান বিভাগে ৫৬টি মামলা করা হয়েছে।ডিএমপি জানিয়েছে, পরিবেশ দূষণ রোধে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

রাজধানীতে কালো ধোঁয়া নির্গমনে ৯১৫ মামলা, সবচেয়ে বেশি মতিঝিলে