বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
রাজধানীর শাহবাগ এলাকা থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর শাহবাগ এলাকা থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানী শাহবাগ এলাকার পৃথক স্থান থেকে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাদের বয়স হবে আনুমানিক ৬৫ ও ৪৫ বছর। তবে তাদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী দুজনই ভবঘুরে প্রকৃতির ছিলেন। আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় ঈদগাহর প্রধান ফটকের সামনের ফুটপাত এবং কদম ফোয়ারা মোড় থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে শাহবাগ থানা-পুলিশ। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য দুটি মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তৌফিক হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, লোক মারফত খবর পেয়ে সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন ফুটপাত ও জাতীয় ঈদগাহের পাশ থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এসআই তৌফিক হাসান আরও জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা গেছে যে, ওই দুই ব্যক্তি ভবঘুরে প্রকৃতির ছিল। অসুস্থতার কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিচয় শনাক্তে সিআইডি ফরেনসিক টিমকে খবর দেওয়া হয়েছে।

নেপালিরা এখন বন্যায় বিধ্বস্ত, মরদেহে বিপর্যস্ত

নদী দিয়ে এখনো মরদেহ ভেসে আসছে। আশপাশে জমে থাকা কাদার স্তূপ আলকাতরার মতো ঘন আকার ধারণ করেছে। সেখানেও লাশ পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু হাসপাতালের মর্গগুলোতে আর জায়গা খালি নেই। যেসব দেহ উদ্ধার হয়েছে, সেগুলোর পরিচয় দ্রুত শনাক্তের জন্য স্বজনদেরকে পাওয়ারপয়েন্ট স্লাইডশোর মাধ্যমে ছবি দেখানো হচ্ছে। বন্যায় বিধ্বস্ত হওয়ার পর নেপালিরা এখন মরদেহ নিয়ে এক বিপর্যস্ত অবস্থার মধ্যে পড়েছে। অনেক মরদেহ এমনভাবে বিকৃত হয়ে গেছে যে চেনার উপায় নেই। সেগুলো পাওয়া যাচ্ছে বসতবাড়ি থেকে বহু দূরের এলাকাতে। নিরাপদে সংরক্ষণের জায়গা ফুরিয়ে আসায় ভারতপুর জেলায় ইতোমধ্যে গণকবর দেওয়া শুরু হয়েছে। প্রতিটি মরদেহে ট্যাগ ও একটি অবস্থান নম্বর লাগানোর আগে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এরপর মরদেহগুলো প্লাস্টিকের ব্যাগে মুড়িয়ে গণকবরে রাখা হচ্ছে। পুলিশের ভাষ্য, পরবর্তীতে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে স্বজনরা এসব দেহ শনাক্ত করতে পারবেন।  দেশটিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মরদেহ উদ্ধার হয়েছে চিতওয়ান জেলায়। সেখানে নদীর তীরজুড়ে ২৫০টির বেশি দেহ পাওয়া গেছে। বিকৃত হওয়ার কারণে মাত্র নয়টির পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। এই জেলার জঙ্গলেও গণকবর তৈরি করা হয়েছে।  মরদেহ শনাক্তকরণের প্রক্রিয়া দ্রুত করতে স্থানীয় কর্মকর্তারা এক ‘মর্মান্তিক’ পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন। তারা স্বজনদেরকে মরদেহগুলোর ছবি দেখতে বলছেন। শনাক্ত করার মতো বৈশিষ্ট্য খুঁজে দেখতে বলা হচ্ছে। যেমন- গলার হার, বিয়ের আংটি, উল্কি বা শরীরের কোনো ক্ষতচিহ্ন।  উদ্ধার করা মরদেহগুলোর ছবি পাওয়ারপয়েন্ট স্লাইডশোতে সাজানো হয়েছে। স্বজনদেরকে ধৈর্য নিয়ে একটির পর আরেকটি ছবি দেখতে হচ্ছে। ছবিগুলো নেপাল পুলিশের ওয়েবসাইটেও আপলোড করা হয়েছে। রাজধানী কাঠমান্ডুর একটি মর্গের বাইরের দেয়ালেও ভেতরে থাকা মরদেহগুলোর ছবি টানানো হয়েছে। নেপাল ও তিব্বতে এখনো ৩ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ আছেন বলে জানা যাচ্ছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অনেক এলাকায় এখনো পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। কাদা, পানি ও ধ্বংসাবশেষের স্রোতে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া গ্রামগুলোতে কেবল সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার পৌঁছাতে পারছে। রোববার নেপালের পররাষ্ট্রসচিব অমৃত বাহাদুর রাই বলেন, নিহতদের মরদেহ নিরাপদে সংরক্ষণের জন্য সরকার ১ হাজারের বেশি ফ্রিজার ইউনিট চেয়েছে। নদী উপত্যকার কিছু নিচু এলাকায় এখনো সড়কপথে যাওয়া যাচ্ছে। সেখানে কাদার নিচে চাপা পড়ে থাকা মরদেহ উদ্ধারে হিমশিম খাচ্ছেন অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারীরা।  ত্রিশূলী নদীর তীরের শহর দেবীঘাটে পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট আমাবাদুত্ত ভট্ট বলেন, ‘এটি অত্যন্ত কঠিন কাজ। এখান থেকে আমরা ১০টি মরদেহ উদ্ধার করেছি। বেশিরভাগ বাড়ির প্রথম ও দ্বিতীয় তলা ধ্বংস হয়ে গেছে। সব কাদা সরাতে অনেকদিন লাগবে। তখন মরদেহের আর কী অবশিষ্ট থাকবে, কে জানে।’ দেবীঘাটে বন্যা থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষগুলো ধীরে ধীরে নিজেদের ঘরবাড়ির জায়গায় ফিরছেন। সেখানে অনেক বাড়িই নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। ৪৯ বছর বয়সী উষা নেপালির বাড়িতে অবশিষ্ট বলতে আছে শুধু কয়েকটি কংক্রিটের ব্লক ও বেঁকে যাওয়া ধাতব কাঠামো। এই বাড়িতেই তিনি চার সন্তান ও তিন নাতি-নাতনিকে বড় করেছেন। কাঁদতে কাঁদতে উষা নেপালি বলেন, ‘এখানেই আমার জীবনের সবকিছু দিয়েছি। এখন জানি না কোথায় যাব, কী করব। গায়ের কাপড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। এই জমি এখন আর নিরাপদ নয়, কিন্তু এটাই আমাদের শেষ সম্বল।’ ত্রিশূলী নদীর পাশে বসবাস যে কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে তা রোববার আরেকবার দেখা যায়। নদীর পানি হঠাৎ বিপজ্জনকভাবে বেড়ে গেলে উদ্ধারকারীরা দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যান। এরপর দেবীঘাটের অনেক বাসিন্দা ঘরে অবশিষ্ট থাকা কিছু জিনিসপত্র গুছিয়ে নিতে শুরু করেন। তাদের অনেকে স্থায়ীভাবে অন্য এলাকায় পাড়ি জমাবেন। বন্যার সতর্কবার্তা পাওয়ার পরের কয়েক মিনিটে শুধু নিজের স্বর্ণের গয়না নেওয়ার সময় পেয়েছিলেন ৩৬ বছর বয়সী যমুনা মাগার। বাড়ির ধ্বংসাবশেষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, দেবীঘাটে এরপর কীভাবে বসবাস করবেন তা বুঝতে পারছেন না। যমুনা বলেন, ‘আমরা এর আগেও বন্যার মুখোমুখি হয়েছি। কিন্তু কখনো এমন বন্যার কথা ভাবিনি। আমাদের যা কিছু ছিল, সবই হারিয়ে গেছে। নিজের জীবন, সন্তানদের নিয়ে আমি এতটাই চিন্তিত যে এখানে আর থাকতে চাই না।’

নেপালিরা এখন বন্যায় বিধ্বস্ত, মরদেহে বিপর্যস্ত

গৃহবধূর মরদেহের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা, অ্যাম্বুলেন্স চালক আটক 

নড়াইলের লোহাগড়ায় এক গৃহবধূর মরদেহের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক অ্যাম্বুলেন্সচালকের বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ, গভীর রাতে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে মরদেহের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা করার সময় ওই চালককে হাতেনাতে ধরে ফেলেন মৃত গৃহবধূর মা। পরে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। সাগর শেখ উপজেলার লক্ষ্মীপাশা তেলপাম্প এলাকার মৃত কামরুল শেখের ছেলে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সকালে লোহাগড়া ইউনিয়নের ছাগলছিড়া গ্রামে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন সাদিয়া আক্তার লামিয়া (২২) নামের এক গৃহবধূ। পরে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়ার জন্য রাতে মরদেহটি থানায় নেওয়ার উদ্দেশ্যে একটি অ্যাম্বুলেন্সে রাখা হয়। পরিবারের অভিযোগ, ওই দিন গভীর রাতে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে একা ছিলেন চালক সাগর শেখ। এ সময় তিনি সাদিয়ার মরদেহের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা করেন। বিষয়টি টের পেয়ে সাদিয়ার মা সেখানে গিয়ে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন বলে দাবি পরিবারের। সাদিয়ার মা অভিযোগ করে বলেন, অ্যাম্বুলেন্সচালক সাগর শেখ তার মেয়ের শরীরের কাপড় সরিয়ে অনৈতিক কাজের চেষ্টা করছিলেন। বাইরে থেকে যাতে অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরের ঘটনা দেখা না যায়, সে জন্য জানালাগুলো গামছা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন সাগর শেখকে আটক করে গণধোলাই দেওয়ার পর পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় সোমবার (৩১ আগস্ট) বলেন, ‘অভিযুক্ত সাগর শেখকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গৃহবধূর মরদেহের সঙ্গে অনৈতিক কাজের চেষ্টা, অ্যাম্বুলেন্স চালক আটক 

নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর পুকুরে মিলল দুই শিশুর মরদেহ

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে নিখোঁজের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর রোহান ও ইসমাইল নামে দুই শিশুর মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।সোমবার (২৪ আগস্ট) ভোরে উপজেলার কলসপাড় ইউনিয়নের মধ্যনাকশী গ্রামের একটি পুকুরে তাদের মরদেহ ভেসে ওঠে।নিহত রোহান মধ্যনাকশী গ্রামের হযরত আলীর ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। একই গ্রামের ওবায়দুল আসলামের ছেলে ইসমাইল স্থানীয় বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত।পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে দুই শিশু বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর তারা আর বাড়িতে ফেরেনি। দীর্ঘ সময় পার হলেও ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।সোমবার ভোরে গ্রামের একটি বড় পুকুরে দুই শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করেন।এলাকাবাসী জানান, রোহান ও ইসমাইল মাঝেমধ্যে স্থানীয় জলাশয়ে মাছ ধরতে নামত। তবে তারা ভালোভাবে সাঁতার জানত না। নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান বলেন, পুকুর থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধারের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা করা হয়েছে।

নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর পুকুরে মিলল দুই শিশুর মরদেহ

নিখোঁজের দুই দিন পর নদীর তীরে মিলল ৮ বছরের শিশুর মরদেহ

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার তেঁতুলতলা এলাকায় কাজীবাছা নদীর তীর থেকে ইয়াতুল ইসলাম (৮) নামে এক শিশুর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শিশুটি গত দুই দিন ধরে নিখোঁজ ছিল। নিহত ইয়াতুল ইসলামের বাড়ি নড়াইলের কালিয়া উপজেলার বিষ্টুপুর গ্রামে। আজ শনিবার সকালে স্থানীয়রা নদীর তীরে শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে বটিয়াঘাটা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সকাল ১০টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার স্কুলে যাওয়ার পর বন্ধুদের সঙ্গে কালিয়া নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয় ইয়াতুল। ধারণা করা হচ্ছে, নদীর তীব্র স্রোতে ভেসে তার মরদেহ কাজীবাছা নদী হয়ে বটিয়াঘাটার তেঁতুলতলা এলাকায় চলে আসে। বটিয়াঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মারুফ হোসেন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এদিকে কাজীবাছা নদী ও তেঁতুলতলা এলাকায় এর আগেও একাধিক অজ্ঞাতনামা ও ভাসমান মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

নিখোঁজের দুই দিন পর নদীর তীরে মিলল ৮ বছরের শিশুর মরদেহ

বগুড়ায় বস্তাবন্দী অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

বগুড়ায় পুকুরের কচুরিপানার নিচ থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহটি এতটাই পচে গেছে যে, মুখমণ্ডল প্রায় কঙ্কালসার হয়ে গেছে। তবে নিহতের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে বগুড়া শহরের মালগ্রাম দীঘিরপাড় এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুপুর ২টার দিকে এক ব্যক্তি মালগ্রাম দীঘিরপাড় এলাকায় ঘাস কাটতে যান। সেখানে দুটি কুকুরের মারামারি দেখে তিনি এগিয়ে গেলে কচুরিপানার নিচে একটি বস্তা দেখতে পান। বস্তা থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হওয়ায় সন্দেহ হয়। পরে আশপাশের লোকজনকে খবর দিলে বস্তার ভেতরে মানুষের মরদেহ দেখতে পান তারা। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে বগুড়া সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে।স্থানীয় বাসিন্দা রিফাত হাসান বলেন, মরদেহটি পুরোপুরি পচে গেছে। মুখমণ্ডল প্রায় কঙ্কাল হয়ে গেছে। ঘটনাটি এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করেছে। দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি জানান তিনি।বগুড়া সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহেদুল ইসলাম বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে মালগ্রাম পুকুরপাড় থেকে বস্তাবন্দী মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি অন্তত এক সপ্তাহ আগের। তিনি আরও বলেন, নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। মরদেহ শনাক্তের জন্য পিবিআই ও সিআইডিকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে এসে আঙুলের ছাপসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিগত পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করবে।

বগুড়ায় বস্তাবন্দী অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার