বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
সালিশে দেড় লাখ টাকায় সম্পর্ক ছিন্নের সিদ্ধান্ত, দুই দিন পর তরুণীর মৃত্যু

সালিশে দেড় লাখ টাকায় সম্পর্ক ছিন্নের সিদ্ধান্ত, দুই দিন পর তরুণীর মৃত্যু

বরিশালের গৌরনদীতে গ্রাম্য সালিশের দুই দিন পর গীতা রানী দাস (৩০) নামে এক তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সালিশের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নেওয়ার পর রোববার বিকেল ৫টার দিকে বাবার বাড়িতে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে গ্রামবাসী মৃত্যুর ঘটনাকে রহস্যজনক দাবি করলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের ঘেয়াঘাট গ্রামে। গীতা ওই গ্রামের দিনমজুর গোপাল চন্দ্র দাসের মেয়ে। স্বজন, স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর ধরে একই এলাকার লক্ষণ শীলের ছেলে সঞ্জয় শীলের সঙ্গে গীতার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একপর্যায়ে তাঁরা শাখা-সিঁদুর ও মালা বদল করে কথিত বিয়ে করেন। প্রায় দেড় মাস আগে গীতা একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। এরপর সঞ্জয় ও তাঁর পরিবার গীতা ও নবজাতককে মেনে নিতে অনীহা প্রকাশ করেন। এ নিয়ে স্থানীয় কয়েকজন মাতব্বর ও হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকজন ব্যক্তির উদ্যোগে প্রথম দফায় সালিশ বসে। স্বজনদের দাবি, সেখানে গীতাকে স্ত্রী এবং তাঁর নবজাতক কন্যাসন্তানকে মেনে নিয়ে বাড়িতে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। পরে সঞ্জয় ও তাঁর পরিবার ১৫ দিনের মধ্যে গীতা ও তাঁর সন্তানকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দিয়ে সালিশস্থল ত্যাগ করেন। তবে পরে সঞ্জয় ওই সিদ্ধান্ত না মেনে আত্মগোপনে চলে যান বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এরপর গত ১১ সেপ্টেম্বর বাটাজোর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আজাদ প্যাদার নেতৃত্বে দ্বিতীয় দফায় সালিশ বসে বলে স্থানীয়দের দাবি। ওই বৈঠকে সঞ্জয় ও গীতার সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত হয় এবং গীতাকে দেড় লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তাঁর স্বজনেরা। তাঁদের অভিযোগ, দ্বিতীয় দফার সালিশের সিদ্ধান্তের পর গীতা মানসিকভাবে আরও ভেঙে পড়েন। অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে বাটাজোরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও রোববার বিকেলে বাবার বাড়িতেই তাঁর মৃত্যু হয়। তবে গীতার বাবা গোপাল চন্দ্র দাস বলেন, তাঁর মেয়ে দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। গীতার একমাত্র ভাই শিবাস চন্দ্র দাস বলেন, তাঁর বোনের আগে আরেকটি বিয়ে হয়েছিল। ওই সংসারে অনু দাস নামে ১০ বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বিবাহবিচ্ছেদের পর গীতা ও তাঁর মেয়েকে নিয়ে তাঁরা একসঙ্গে বসবাস করতেন। পরে সঞ্জয় শীলের সঙ্গে গীতার সম্পর্ক হয় এবং তাঁদের একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। সঞ্জয় ও তাঁর পরিবার গীতা ও সন্তানকে মেনে না নেওয়ায় সালিশ বসে। সেখানে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করে সম্পর্কের ইতি টানা হয় বলে দাবি করেন তিনি। এরপর থেকেই তাঁর বোন মানসিকভাবে আরও ভেঙে পড়েছিলেন। তবে সালিশে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাটাজোর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আজাদ প্যাদা। তিনি বলেন, ‘এ ঘটনার কোনো সালিশ আমি করিনি। এমনকি এ বিষয়ে কোনো রায়ও দিইনি।’ গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, ‘গ্রামবাসী গীতা রানীর মৃত্যুর বিষয়টি রহস্যজনক দাবি করায় মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় আনা হয়েছে।’ তিনি জানান, সোমবার সকালে মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।

বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফিরছিলেন, কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষে মাইক্রোবাসের ৪ যাত্রী নিহত

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষে মাইক্রোবাসের চার যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আটজন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। গতকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কর্ণফুলীর শিকলবাহা চৌমুহনী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে—মো. ফেরদৌস আলম (৫), মিফতাহ (১৭) ও মাইক্রোবাসের চালক মুন্না (৪০)। অন্যজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস কক্সবাজারের ঈদগাহের উদ্দেশে রওনা হয়। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে মাইক্রোবাসটি শিকলবাহা চৌমুহনী এলাকায় পৌঁছালে ইউটার্ন নেওয়া একটি কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে সেটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ফেরদৌস আলম ও মিফতাহ মারা যায়। আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাইক্রোবাসের চালক মুন্নাসহ আরও দুজনের মৃত্যু হয়। তাঁদের মধ্যে একজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। কর্ণফুলী থানার পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনায় অন্তত ১১ জন আহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে দুজনের মৃত্যু হয়। আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। তবে এর চালক ও তাঁর সহকারী পালিয়ে গেছেন।

বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফিরছিলেন, কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষে মাইক্রোবাসের ৪ যাত্রী নিহত

ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মৃত্যু, পরিচয় মেলেনি

মাগুরার মহম্মদপুরে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার বড়রিয়া গ্রামের কানাবিল মাঠে তার মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কানাবিল মাঠের একটি সেচ পাম্পের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরির উদ্দেশ্যে ওই ব্যক্তি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ওঠেন। একপর্যায়ে তিনি ট্রান্সফরমারটি খুলে ফেলেন। এ সময় বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। সকালে স্থানীয় কৃষকেরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে ধানখেতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে মহম্মদপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিহত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি। মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, তা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মৃত্যু, পরিচয় মেলেনি

চোর সন্দেহে যুবককে নির্যাতন, পায়ের রগ কাটার পর হাসপাতালে মৃত্যু

বগুড়ায় চোর সন্দেহে শামিম হোসেন (৩৫) নামে এক যুবককে নির্যাতনের পর পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন নিহতের স্বজনেরা। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ভোরে বগুড়া সদর উপজেলার নিশিন্দারা ইউনিয়নের বারপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শামিম হোসেন সদর উপজেলার নামুজা ইউনিয়নের চৌমুহনী এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। নিহতের স্বজনেরা জানান, শামিমের ভায়রার জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে সোমবার বিকেলে বারপুর গ্রামে যান তিনি। রাতে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করেন। ভোররাত ৩টার দিকে গ্রামের সড়কে হাঁটাহাঁটি করার সময় তাঁকে চোর সন্দেহে নিশিন্দারা ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এ বি এম শাফিসহ কয়েকজন আটক করেন। স্বজনদের ভাষ্য, আটকের পর শামিমকে মারধর ও নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তাঁর পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে একটি পরিত্যক্ত স্থানে ফেলে রাখা হয়। খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। নিহতের স্বজনেরা অভিযোগ করেন, ইউপি সদস্য এ বি এম শাফিসহ কয়েকজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তবে ইউপি সদস্য শফি বলেন, তিনি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়ে বাড়িতে অবস্থান করছেন। ভোররাতে এলাকার এক যুবক ফোন করে চোর সন্দেহে একজনকে আটকের বিষয়টি জানান। তখন তিনি ওই যুবককে ইউনিয়ন পরিষদে আটকে রাখার পরামর্শ দেন। বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী বলেন, চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে নিহতের স্বজনেরা নিশিন্দারা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বগুড়া-নামুজা সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করেন। পুলিশ জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে প্রায় এক ঘণ্টা পর তাঁরা অবরোধ তুলে নেন।

চোর সন্দেহে যুবককে নির্যাতন, পায়ের রগ কাটার পর হাসপাতালে মৃত্যু

হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৮৮০

দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৮৮০টি শিশু। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৩১টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরো ৯৯টি শিশুর। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ সময়ে মোট ৯৩০টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৬৫টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮১৫। এই সময়ে ৭৫৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৯৩টি শিশু। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪০৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ২৭৩। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৮৩ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার ১৫১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে। সূত্র : ইউএনবি

হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৮৮০