মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে কথিত দালালদের হামলায় রোগী ও স্বজন আহত

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে কথিত দালালদের হামলায় রোগী ও স্বজন আহত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে কথিত দালাল চক্রের সদস্যদের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে কানিজা আফরোজ (৪০) ও তাঁর ছেলে মো. তাজ (২৩) আহত হয়েছেন। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালের ক্যাশ কাউন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত কানিজা আফরোজ চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বালুবাগান এলাকার বাসিন্দা ফজলুর রহমান বিপ্লবের স্ত্রী। ঘটনার পর তাঁকে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাঁর মাথায় দুটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। কানিজা আফরোজের অভিযোগ, তাঁর ছেলে তাজ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। গতকাল মঙ্গলবার চিকিৎসক তাঁকে সিবিসি (কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট) পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। সরকারি হাসপাতালে ওই পরীক্ষা করা হয় কি না, তা জানতে ছেলেকে নিয়ে আজ সকালে হাসপাতালের ক্যাশ কাউন্টারে যান তিনি। কানিজা আফরোজ বলেন, এ সময় লিটন নামে এক ব্যক্তি তাঁদের কাছে এসে সরকারি হাসপাতালে সিবিসি পরীক্ষা করা হয় না বলে বাইরে থেকে পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন। এ নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কয়েকজন মিলে তাঁকে ও তাঁর ছেলেকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। কানিজা আফরোজ আরও বলেন, মারধরের সময় তাঁর মাথায় আঘাত লাগে এবং মাথা ফেটে যায়। পরে হাসপাতালেই তাঁর মাথায় দুটি সেলাই দেওয়া হয়। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত লিটনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ঘটনার পর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে সরিয়ে দেন। পরে কানিজা আফরোজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) মাহবুব রহমান বলেন, ‘রোগী ও হাসপাতাল এলাকায় সক্রিয় বলে অভিযোগ থাকা একটি চক্রের সদস্যদের মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আহত ব্যক্তি আইনি সহায়তা চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।’ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, ‘হাসপাতালে মারামারির ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য আমরা রাজপথে নেমেছি: ডা. শফিকুর রহমান

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘দেশের মানুষ ভালো নেই, দেশও ভালো নেই। বিদ্যুৎ ও সারের সংকট চরমে। মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। আমরা জনগণের কষ্টের কথা জাতীয় সংসদে বলার চেষ্টা করছি। কিন্তু সরকার আমাদের কথা বলতে দিচ্ছে না। বাধ্য হয়ে জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য আমরা রাজপথে নেমেছি।’ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে বগুড়ার ধুনট উপজেলার মানিকপোটল (মরিচতলা) গ্রামের একটি স্থানীয় মাদ্রাসা মাঠে উপস্থিত মানুষের উদ্দেশে দেওয়া সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে ডা. শফিকুর রহমান একই গ্রামের ইসলামি শিক্ষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ হিসেবে পরিচিত আব্দুল মালেকের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তিনি কবরের পাশে দাঁড়িয়ে ফাতিহা পাঠ করেন এবং শহীদ আব্দুল মালেকের শাহাদাত কবুলের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। উল্লেখ্য, ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত সহিংসতায় আব্দুল মালেক গুরুতর আহত হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ আগস্ট তিনি মারা যান। কবর জিয়ারত শেষে ডা. শফিকুর রহমান স্থানীয় মাদ্রাসায় শহীদ আব্দুল মালেকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। জামায়াতের আমিরের আগমন উপলক্ষে সকাল থেকেই মাদ্রাসা মাঠে বিপুলসংখ্যক মানুষ জড়ো হন। মানিকপোটল (মরিচতলা) গ্রামে পৌঁছালে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এ সময় ডা. শফিকুর রহমান হাত নেড়ে উপস্থিত মানুষের অভিবাদনের জবাব দেন। এ সময় জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ধুনট উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আমিনুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে শুক্রবার রাতে বগুড়ায় এসে সার্কিট হাউসে রাত যাপন করেন ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার সকাল সোয়া ৫টার দিকে তিনি সার্কিট হাউস থেকে ধুনটের উদ্দেশে রওনা হন।

জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য আমরা রাজপথে নেমেছি: ডা. শফিকুর রহমান

চোর সন্দেহে যুবককে নির্যাতন, পায়ের রগ কাটার পর হাসপাতালে মৃত্যু

বগুড়ায় চোর সন্দেহে শামিম হোসেন (৩৫) নামে এক যুবককে নির্যাতনের পর পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন নিহতের স্বজনেরা। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ভোরে বগুড়া সদর উপজেলার নিশিন্দারা ইউনিয়নের বারপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শামিম হোসেন সদর উপজেলার নামুজা ইউনিয়নের চৌমুহনী এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। নিহতের স্বজনেরা জানান, শামিমের ভায়রার জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে সোমবার বিকেলে বারপুর গ্রামে যান তিনি। রাতে শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করেন। ভোররাত ৩টার দিকে গ্রামের সড়কে হাঁটাহাঁটি করার সময় তাঁকে চোর সন্দেহে নিশিন্দারা ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এ বি এম শাফিসহ কয়েকজন আটক করেন। স্বজনদের ভাষ্য, আটকের পর শামিমকে মারধর ও নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তাঁর পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে একটি পরিত্যক্ত স্থানে ফেলে রাখা হয়। খবর পেয়ে গ্রাম পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। নিহতের স্বজনেরা অভিযোগ করেন, ইউপি সদস্য এ বি এম শাফিসহ কয়েকজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তবে ইউপি সদস্য শফি বলেন, তিনি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়ে বাড়িতে অবস্থান করছেন। ভোররাতে এলাকার এক যুবক ফোন করে চোর সন্দেহে একজনকে আটকের বিষয়টি জানান। তখন তিনি ওই যুবককে ইউনিয়ন পরিষদে আটকে রাখার পরামর্শ দেন। বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী বলেন, চোর সন্দেহে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে নিহতের স্বজনেরা নিশিন্দারা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বগুড়া-নামুজা সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করেন। পুলিশ জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিলে প্রায় এক ঘণ্টা পর তাঁরা অবরোধ তুলে নেন।

চোর সন্দেহে যুবককে নির্যাতন, পায়ের রগ কাটার পর হাসপাতালে মৃত্যু

বগুড়ায় বস্তাবন্দী অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

বগুড়ায় পুকুরের কচুরিপানার নিচ থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় এক ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহটি এতটাই পচে গেছে যে, মুখমণ্ডল প্রায় কঙ্কালসার হয়ে গেছে। তবে নিহতের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে বগুড়া শহরের মালগ্রাম দীঘিরপাড় এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুপুর ২টার দিকে এক ব্যক্তি মালগ্রাম দীঘিরপাড় এলাকায় ঘাস কাটতে যান। সেখানে দুটি কুকুরের মারামারি দেখে তিনি এগিয়ে গেলে কচুরিপানার নিচে একটি বস্তা দেখতে পান। বস্তা থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হওয়ায় সন্দেহ হয়। পরে আশপাশের লোকজনকে খবর দিলে বস্তার ভেতরে মানুষের মরদেহ দেখতে পান তারা। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে বগুড়া সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে।স্থানীয় বাসিন্দা রিফাত হাসান বলেন, মরদেহটি পুরোপুরি পচে গেছে। মুখমণ্ডল প্রায় কঙ্কাল হয়ে গেছে। ঘটনাটি এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করেছে। দ্রুত ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি জানান তিনি।বগুড়া সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহেদুল ইসলাম বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে মালগ্রাম পুকুরপাড় থেকে বস্তাবন্দী মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি অন্তত এক সপ্তাহ আগের। তিনি আরও বলেন, নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। মরদেহ শনাক্তের জন্য পিবিআই ও সিআইডিকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে এসে আঙুলের ছাপসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিগত পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করবে।

বগুড়ায় বস্তাবন্দী অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

জলাবদ্ধতা-আবর্জনায় ভাগাড় স্কুলের মাঠ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ২৩৮ শিশু

খেলার মাঠ আছে, কিন্তু খেলতে পারে না ২৩৮ শিশু। বছরের প্রায় ছয় মাস পানিতে ডুবে থাকা সেই মাঠ এখন পরিণত হয়েছে মশার প্রজননক্ষেত্র ও আবর্জনার ভাগাড়ে। ছড়াচ্ছে উৎকট দুর্গন্ধ, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। এমন পরিবেশেই পাঠদান চলছে নাটোরের গুরুদাসপুরের রানীগ্রাম-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।দীর্ঘদিনের এ সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।উপজেলার মশিন্দা ইউনিয়নের কাছিকাটা বাজারসংলগ্ন বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫২ সালে। বিদ্যালয়ের মাঠটি অপেক্ষাকৃত নিচু হওয়ায় চারপাশের পানি এসে সেখানে জমে থাকে। পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় বছরের প্রায় ছয় মাস মাঠটি জলাবদ্ধ থাকে।দীর্ঘদিন পানি জমে থাকায় মাঠজুড়ে জন্মেছে আগাছা ও শ্যাওলা। এর সঙ্গে বাজারের বিভিন্ন বর্জ্যও ফেলা হচ্ছে সেখানে। ফলে শিশুদের খেলাধুলার জায়গাটি এখন অনেকটাই ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।সম্প্রতি বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, মাঠের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে আছে। কোথাও শ্যাওলা, কোথাও ঘাস। পড়ে আছে প্লাস্টিকের বোতলসহ নানা ধরনের আবর্জনা। পচা পানির দুর্গন্ধে আশপাশের পরিবেশও অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে।মাঠ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় বন্ধ রয়েছে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও নিয়মিত সমাবেশ (অ্যাসেম্বলি)। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বৃষ্টি বাড়লে মাঠের পানি বিদ্যালয়ের বারান্দা পর্যন্ত উঠে আসে। পচা পানির দুর্গন্ধে শ্রেণিকক্ষেও অবস্থান করা কঠিন হয়ে পড়ে।দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল লতিফ বলেন, ‘মাঠটি কাদা ও পানিতে ডুবে থাকায় শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে সব সময় ভয় ও শঙ্কায় থাকতে হয়। অনেক সময় তারা পড়ে গিয়ে পোশাক ও বই-খাতা নষ্ট করে ফেলে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে অনেক শিক্ষার্থী চর্মরোগে আক্রান্ত হয়েছে।’তিনি আরও বলেন, বিদ্যালয়ের এমন দুরবস্থার কারণে অনেক অভিভাবক সন্তানদের এখানে পাঠাতে আগ্রহী নন। খুবই বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পাঠদান চালিয়ে যেতে হচ্ছে।শুধু মাঠ নয়, বিদ্যালয়ের পুরোনো আধা পাকা টিনশেড ভবনের অবস্থাও নাজুক। চালার বিভিন্ন অংশ ফুটো হয়ে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই শ্রেণিকক্ষের ভেতরে পানি পড়ে। এতে শিক্ষার্থীদের বই-খাতা ও পোশাক ভিজে যায়।গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এ এস এম আলমাস বলেন, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে শিশুদের কৃমিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এ ছাড়া ঠান্ডাজনিত অ্যালার্জি, চর্মরোগ ও খোস-পাঁচড়ার মতো রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে।বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজকে বিষয়টি জানানো হলে তিনি বালি ভরাটের মাধ্যমে মাঠ সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন।উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আওলাদ হোসেন বলেন, তিনি নতুন যোগদান করেছেন এবং বিদ্যালয়টির সমস্যার বিষয়ে অবগত নন। দ্রুত বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন করে শিশু শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করা হবে।

জলাবদ্ধতা-আবর্জনায় ভাগাড় স্কুলের মাঠ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ২৩৮ শিশু