বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
লংমার্চের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির, নজরও রাখছে

লংমার্চের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির, নজরও রাখছে

জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১–দলীয় ঐক্যের লংমার্চসহ ধারাবাহিক কর্মসূচির ওপর বিএনপি নজর রাখছে। একইসঙ্গে বিরোধী দলের এমন কর্মসূচির রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে ক্ষমতাসীন দলটির নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা জানান, সংসদে ও রাজনৈতিক বক্তব্যে জবাব দিলেও তারা বিরোধী দলের এসব কর্মসূচিকে এখনই বড় কোনো রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করছেন না।  এমনকি পাল্টা কোনো কর্মসূচির কথাও ভাবছেন না বলেও উল্লেখ করেন তারা। সরকারে থেকে বিরোধীদের কর্মসূচির পাল্টা কর্মসূচি দেওয়ার চেয়ে সংশ্লিষ্ট সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বিএনপির নেতারা জানান, সরকার সেদিকেই মনোযোগ দিচ্ছে। তবে দলের নেতাদের একটি অংশ মনে করেন, জনসম্পৃক্ত ইস্যুতে বিরোধীরা ধারাবাহিকভাবে মাঠে থাকলে তা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। জ্বালানি, বিদ্যুৎ–সংকটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে মাঠের কর্মসূচি পালন করছে জামায়াতের নেতৃত্বে বিরোধী দলগুলো। লংমার্চসহ এসব কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারকে চাপে রাখার চেষ্টা করছে তারা।  অপরদিকে বিএনপির কোনো পাল্টা কর্মসূচি নেই। এমতাবস্থায় বিরোধীদের তৎপরতাকে ক্ষমতাসীন দল কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে, সেই প্রশ্নও রাজনৈতিক মহলে উঠেছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমরা বিরোধী দলের লংমার্চ কর্মসূচিকে গণতান্ত্রিক চর্চার একটা অংশ হিসেবে দেখছি। রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করার অধিকার সবার আছে। আমরা এটাকে সেভাবেই দেখছি, এর বেশি কিছু না।’ তবে বিএনপির এই অবস্থানকে জামায়াতে ইসলামী ভিন্নভাবে দেখছে।  দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘বিরোধী দলের কর্মসূচিকে গুরুত্ব না দিলে কি সংসদে প্রতিক্রিয়া দেয়? আমরা মনে করি, সরকারি দলের পাল্টা কর্মসূচি দেওয়ার ক্যাপাসিটি নেই, বিএনপির আগের সেই নৈতিক অবস্থানও নেই।’ জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ–সংকটের সমাধান, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের চেতনা ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে জামায়াতের নেতৃত্বে ১১–দলীয় জোট ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চ করে। আজ জোটের রংপুর অভিমুখে লংমার্চ। পর্যায়ক্রমে খুলনা ও সিলেটসহ অন্যান্য বিভাগীয় শহর অভিমুখেও একই কর্মসূচি করার ঘোষণা রয়েছে জোটের। এর আগে, প্রথম দফা লংমার্চের বিভিন্ন পথসভা থেকে সরকারকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধী দলের নেতারা। একাধিক পথসভায় জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, দেশে বিদ্যুৎ নেই, গ্যাস নেই, জ্বালানি তেল নেই। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। চারদিকে নাই আর নাই শব্দ। ফেনীর মহিপালের পথসভায় সরকারকে আরও সরাসরি আক্রমণ করে তিনি বলেন, এ সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করেছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কারও চোখ রাঙানি সহ্য করব না। আমরা যেখানে বাধা পাব, সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।’ বিরোধীদের এসব বক্তব্য ও কর্মসূচির প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি এখন পর্যন্ত সংসদ ও রাজনৈতিক বক্তব্যের মধ্যেই সীমিত থাকছে। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানও লংমার্চের উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এদিকে জ্বালানিসংকটের সমাধানে লংমার্চ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে বলেন, ‘আমরা দেখলাম, একটি বিশাল গাড়ির লংমার্চ আয়োজন করা হয়েছিল। বাইরে বিভিন্ন মানুষ একটি কথা বলে যে জনগণকে অযথা উত্তেজিত করে অন্য কিছু করার অপচেষ্টা করা হয়েছিল কি না? গাড়ির লংমার্চ করে যদি গ্যাস বা বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান করাই যেত, তাহলে আমরাই সবচেয়ে আগে লংমার্চের আয়োজন করতাম।’ পাশাপাশি বিরোধীদের লংমার্চের সমালোচনা করেছেন সরকারি দলের অন্য নেতারাও। তাদের বক্তব্যে মূলত এই কর্মসূচির যৌক্তিকতা, জ্বালানিসংকটের বাস্তবতা এবং সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের বিষয়গুলো সামনে আসছে। বিএনপির উচ্চপর্যায়ের নেতাদের ভাষ্য, বিরোধী দলগুলোর ধারাবাহিক কর্মসূচির কারণে এখনই এমন কোনো রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করছেন না, যার জন্য দলকে পাল্টা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে হবে। বিরোধীদের কর্মসূচি নজরে রাখলেও রাজপথে একই ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে জবাব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন না তারা। দলটির নেতাদের ধারণা, কর্মসূচি পালন বিরোধী দলের রাজনৈতিক অধিকার। তবে কোনো কর্মসূচির মাধ্যমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলে বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে সরকার সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। ফলে আপাতত সরকারি কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক বক্তব্যের মাধ্যমে বিরোধীদের মোকাবিলার কৌশলেই থাকছে বিএনপি। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের বক্তব্য ও সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করে রাজনৈতিক কর্মীদের অনেকে মনে করছেন, বিরোধীদের কর্মসূচিকে বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে না ক্ষমতাসীন দল। দলটির নেতাদের একটি অংশেরও বক্তব্য, ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির রাজনৈতিক অগ্রাধিকার বদলেছে। প্রায় দুই দশক বিরোধী রাজনীতিতে থাকার সময় রাজপথের আন্দোলন ছিল দলের প্রধান রাজনৈতিক হাতিয়ার। এখন সরকার পরিচালনাই প্রধান দায়িত্ব। তাই বিরোধীদের কর্মসূচির জবাবে একই ধরনের কর্মসূচিতে যাওয়ার তাগিদ নেই। তবে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের মতো জনসম্পৃক্ত ইস্যুতে বিরোধীরা নিয়মিত কর্মসূচি দিতে থাকলে সরকারের রাজনৈতিক ব্যাখ্যা জনগণের কাছে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার প্রয়োজন হতে পারে- বলে দলের ভেতরেই কেউ কেউ মনে করছেন। ক্ষমতায় আসার পর দলীয় সংগঠন কতটা সক্রিয় রয়েছে, সেই প্রশ্নও বিএনপির সামনে আসছে। দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের বড় অংশ ব্যস্ত মন্ত্রিসভা, সংসদ ও প্রশাসনিক কাজে। সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।  এদিকে এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিকভাবে বিএনপি কতটা সক্রিয় হয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিরোধী দলগুলো নিয়মিত কর্মসূচির মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক উপস্থিতি জানান দেওয়ায় ক্ষমতাসীন দলের সাংগঠনিক তৎপরতার বিষয়টিও আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে।  

নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে বিএনপি কাজ করছে: রিজভী

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে বিএনপি কাজ করছে। তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন না হলে সভ্যতা সম্পূর্ণ হয় না। নারীদের রাজনীতি, সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে অংশগ্রহণের সক্ষমতাকে সামনে রেখেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদী মহিলা দল গঠন করেছিলেন। জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন। রুহুল কবির রিজভী বলেন, জাতীয়তাবাদী মহিলা দল বাংলাদেশের একটি বৃহত্তম ও শক্তিশালী নারী সংগঠন। নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন অত্যাচারের বিরুদ্ধে সংগঠনটি প্রতিবাদ করেছে। নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি স্বাধীন মতপ্রকাশের জন্য ফেসবুকে লেখালেখি করায় যেসব নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের পরিবারের পাশেও জাতীয়তাবাদী মহিলা দল ছুটে গেছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে খাদিজা, নুসরাতসহ অসংখ্য নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। প্রতিটি ঘটনায় জাতীয়তাবাদী মহিলা দল রাজপথে প্রতিবাদ করেছে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাদের কণ্ঠের আওয়াজ ধ্বনিত হয়েছে। রুহুল কবির রিজভী বলেন, নারীদের অগ্রগতি ও উন্নয়নের জন্য তাদের ক্ষমতায়ন জরুরি। এই দর্শনকে মাথায় রেখেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদী মহিলা দল গঠন করেছিলেন। সেই দর্শন ধারণ করেই জাতীয়তাবাদী মহিলা দল এগিয়ে এসেছে এবং সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। দেশের বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গ্যাস ও জ্বালানি সংকট আন্তর্জাতিক ও বৈশ্বিক সংকট। আমেরিকা ও ইরানের যুদ্ধ না থামা পর্যন্ত এই সংকট একক কোনো রাষ্ট্রের পক্ষে নিরসন করা সম্ভব নয়। হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল আসার ক্ষেত্রে বর্তমানে সমস্যা তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরন্তর চেষ্টা করছেন। কুয়েত, বার্মা, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকে গ্যাস আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে গ্যাসবাহী কার্গোগুলো আসছে। রুহুল কবির রিজভী বলেন, মহেশখালীর গভীর সমুদ্রের গ্যাস টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে গ্যাসের স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ ছিল। সেটি ঠিক হয়েছে এবং ধীরে ধীরে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসছে। তিনি বলেন, এই সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজনে আরও ভর্তুকি দিয়ে গ্যাস আমদানি করা হবে। এ জন্য আরও ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করে গ্যাস ও জ্বালানি আমদানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দ্রব্যমূল্য প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, মানুষের বর্তমান আয় অনুযায়ী যাতে তারা ব্যয় করতে পারে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য কিনতে পারে, সে লক্ষ্যে সরকার বাজারে হস্তক্ষেপ করে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে। বর্ষা শেষ হয়ে শরৎকাল শুরু হওয়ায় সাধারণত শাকসবজি, চাল, ডাল, লবণসহ খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ে। কিন্তু সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপের কারণে প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম তেমন বাড়েনি। ফলে আগস্টে মূল্যস্ফীতি অনেক কমেছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছে। জনগণের সামাজিক সুরক্ষা, উন্নয়ন এবং সামগ্রিকভাবে গোটা জাতিকে উন্নততর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানী ভাতাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। রুহুল কবির রিজভী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শিক্ষার ক্ষেত্রে ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত অবৈতনিক করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেটি বিএ ও বিএ অনার্স পর্যন্ত অবৈতনিক ঘোষণা করেছেন। এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নারীদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা হচ্ছে। জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সংগঠনটির সার্বিক সাফল্য কামনা করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপি সবসময় নারীদের সম্মান দেওয়া এবং তাদের এগিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। সম্প্রতি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অবদান রাখা এক নারীর ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, নারীর ওপর আঘাত করা অত্যন্ত নিকৃষ্ট কাজ। যারা নারীদের ওপর আক্রমণ চালায় এবং এ ঘটনায় উল্লাস করে, তারা কাপুরুষ।  

নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে বিএনপি কাজ করছে: রিজভী

সপ্তাহখানেকের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: রিজভী

সপ্তাহখানেকের মধ্যেই দেশে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশাবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতিকে বৈশ্বিক সংকট হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রিজভী। তিনি বলেন, ‘দেশে চলমান বিদ্যুৎ-জ্বালানি পরিস্থিতি একটি বৈশ্বিক সংকট। তবে সরকার হাত গুটিয়ে বসে নেই।’ গ্যাসের সরবরাহ প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশাবাদী। সরকার ও দল হিসেবে বিএনপি একে অপরের সহযোগী বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রিজভী বলেন, চ্যালেঞ্জ ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে সরকারের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি দ্রুত সব ধরনের সংকটের সমাধান হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

সপ্তাহখানেকের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: রিজভী