রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
চট্টগ্রামে দুই শিশুর পেটে মিলল সাড়ে ৭ হাজার ইয়াবা

চট্টগ্রামে দুই শিশুর পেটে মিলল সাড়ে ৭ হাজার ইয়াবা

মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে ৯ ও ১২ বছর বয়সী দুই শিশুর পেটে করে চট্টগ্রামে পাচার করা হচ্ছিল সাড়ে ৭ হাজারের বেশি ইয়াবা। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার তৈলারদ্বীপে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে এক নারীসহ দুই শিশুকে আটক করে র‍্যাব-৭। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পর পয়োনিষ্কাশনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে শিশু দুটির পেট থেকে এসব ইয়াবা বের করে আনা হয়। আটক দুই শিশুর নাম শাহরিয়ার (১২) ও আবু বকর (৯)। তাদের বিস্তারিত পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। র‍্যাবের দাবি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ এড়াতে অপরাধী চক্র শিশুদের ব্যবহার করে ইয়াবা পাচারের এই বিপজ্জনক পথ বেছে নিয়েছে। র‍্যাব-৭ এর অধিনায়ক মো. লে. কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাচ্চা দুটির পেটের ভেতর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার ইয়াবা পাওয়া গেছে। ক্যাপসুলের ভেতরে এসব ইয়াবা ছিল। একেকটি ক্যাপসুলে ৪০ থেকে ৫০টি করে ইয়াবা পাওয়া গেছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার গণনা চলছে। গণনা শেষে প্রকৃত সংখ্যা জানা যাবে।’ তিনি বলেন, বর্তমানে দুই শিশু সুস্থ আছে। তবে তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ইয়াবা পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা করা হবে। র‍্যাবের অধিনায়ক আরও বলেন, আটক নারীর সঙ্গে দুই শিশুর কোনো রক্তের সম্পর্ক নেই বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ওই নারীই শিশু দুটিকে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন। র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, শিশু দুটির সঙ্গে কথা বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন, ইয়াবা পাচারের জন্য একজন ব্যক্তি তাঁদের জনপ্রতি ৪ হাজার টাকা করে মোট ৮ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। চট্টগ্রামে চালান পৌঁছে দেওয়ার পর তাঁদের আরও টাকা দেওয়ার কথা ছিল। এর আগেও তাঁরা দুবার পেটের ভেতরে করে ইয়াবা নিয়ে চট্টগ্রামে এসেছিল বলে র‍্যাবকে জানিয়েছে। শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে দুই শিশুসহ ওই নারীকে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে শিশু দুটিকে পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। গতকাল রোববার বিকেল পৌনে ৫টা পর্যন্ত শিশু দুটির পেট থেকে প্রায় ৬ হাজার ইয়াবা বের করে আনা হয়। এরপর রাতের দিকে তাঁদের পেট থেকে ক্যাপসুলে থাকা সাড়ে ৭ হাজারের বেশি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে র‍্যাব সূত্রে জানা যায়। এক্স-রে করে শিশু দুটির পেটের ভেতরে বিপুলসংখ্যক সন্দেহজনক বস্তুর উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছিল। পরবর্তী এক্স-রেতে তাঁদের পেট পরিষ্কার পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান বলেন, সাধারণত ইয়াবা প্লাস্টিকে পেঁচিয়ে ছোট ছোট ক্যাপসুলের মতো বানিয়ে গিলে পেটে নেওয়া হয়। এভাবে মাদক বহন করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। কোনো ক্যাপসুল দুর্ঘটনাবশত অন্ত্রে আটকে গেলে বা ফুটো হয়ে গেলে বহনকারীর গুরুতর শারীরিক জটিলতা এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। তিনি বলেন, ক্যাপসুলের ভেতরের মাদকদ্রব্য শরীরে ছড়িয়ে পড়লে দ্রুত বিষক্রিয়া হতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। র‍্যাব-৭-এর অধিনায়ক জানান, শিশু দুটিকে হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে ইয়াবা পাচারের সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে। এ ঘটনায় আজ সোমবার বিস্তারিত ব্রিফিং করা হবে বলেও জানান তিনি।

নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর পুকুরে মিলল দুই শিশুর মরদেহ

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে নিখোঁজের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর রোহান ও ইসমাইল নামে দুই শিশুর মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।সোমবার (২৪ আগস্ট) ভোরে উপজেলার কলসপাড় ইউনিয়নের মধ্যনাকশী গ্রামের একটি পুকুরে তাদের মরদেহ ভেসে ওঠে।নিহত রোহান মধ্যনাকশী গ্রামের হযরত আলীর ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। একই গ্রামের ওবায়দুল আসলামের ছেলে ইসমাইল স্থানীয় বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত।পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে দুই শিশু বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর তারা আর বাড়িতে ফেরেনি। দীর্ঘ সময় পার হলেও ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।সোমবার ভোরে গ্রামের একটি বড় পুকুরে দুই শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করেন।এলাকাবাসী জানান, রোহান ও ইসমাইল মাঝেমধ্যে স্থানীয় জলাশয়ে মাছ ধরতে নামত। তবে তারা ভালোভাবে সাঁতার জানত না। নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান বলেন, পুকুর থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধারের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা করা হয়েছে।

নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর পুকুরে মিলল দুই শিশুর মরদেহ

হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৮৮০

দেশে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৮৮০টি শিশু। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৩১টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরো ৯৯টি শিশুর। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ সময়ে মোট ৯৩০টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৬৫টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮১৫। এই সময়ে ৭৫৮টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৫৯৩টি শিশু। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪০৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ২৭৩। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৮৩ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার ১৫১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে। সূত্র : ইউএনবি

হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৮৮০