বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সং/ঘ/র্ষ, ৫ পু/লি/শ/সহ আহত ৩০

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সং/ঘ/র্ষ, ৫ পু/লি/শ/সহ আহত ৩০

গোপালগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ফকিরকান্দি ও ঘোষেরচর গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকালে গোপালগঞ্জ শহরতলির ঘোষেরচর এলাকার একটি মাঠে দুই গ্রামের মধ্যে ফুটবল খেলা চলাকালে বিরোধের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। এ সময় ফকিরকান্দির কয়েকজনের বিরুদ্ধে ঘোষেরচরের বাসিন্দা হান্নান মোল্লাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার পর দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যার পর টর্চের আলো জ্বালিয়ে ও মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই পক্ষের লোকজন জড়ো হন। পরে তারা লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এ সময় পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে শতাধিক পুলিশ সদস্য কাজ করেন বলে জানা গেছে। গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে নতুন করে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

নারীদের গোসলের ছবি তোলার জেরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫০

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে নারীদের গোসলের সময় ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। আজ রোববার সকালে উপজেলার পুকড়া ইউনিয়নের কাটখাল গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ সেপ্টেম্বর স্থানীয় বিএনপি নেতা কাজী লুৎফুর রহমানের বাড়ির পেছনের পুকুরে তাঁদের পরিবারের নারীরা গোসল করছিলেন। এ সময় একই গ্রামের বাসিন্দা ও বিএনপি নেতা এজারত মিয়ার পক্ষের দুই ছেলে গোপনে ওই নারীদের ছবি তোলেন। পরবর্তীতে ঘটনাটি কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বিরোধ ও চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে রোববার সকালে কাজী লুৎফুর রহমান ও এজারত মিয়ার সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন। খবর পেয়ে বানিয়াচং থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিন রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং পুনরায় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নারীদের গোসলের ছবি তোলার জেরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৫০

বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফিরছিলেন, কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষে মাইক্রোবাসের ৪ যাত্রী নিহত

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষে মাইক্রোবাসের চার যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত আটজন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। গতকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কর্ণফুলীর শিকলবাহা চৌমুহনী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে—মো. ফেরদৌস আলম (৫), মিফতাহ (১৭) ও মাইক্রোবাসের চালক মুন্না (৪০)। অন্যজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদ এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাস কক্সবাজারের ঈদগাহের উদ্দেশে রওনা হয়। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের দিকে মাইক্রোবাসটি শিকলবাহা চৌমুহনী এলাকায় পৌঁছালে ইউটার্ন নেওয়া একটি কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে সেটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটির সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ফেরদৌস আলম ও মিফতাহ মারা যায়। আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাইক্রোবাসের চালক মুন্নাসহ আরও দুজনের মৃত্যু হয়। তাঁদের মধ্যে একজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। কর্ণফুলী থানার পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনায় অন্তত ১১ জন আহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর আহমদ জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে দুজনের মৃত্যু হয়। আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। তবে এর চালক ও তাঁর সহকারী পালিয়ে গেছেন।

বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফিরছিলেন, কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষে মাইক্রোবাসের ৪ যাত্রী নিহত

ছাত্রদলের দু’পক্ষের সংঘর্ষ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি হলের কক্ষেও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সালাম হল এলাকায় এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেনের অনুসারীদের সঙ্গে সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেন শান্তর অনুসারীদের বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।অভিযোগ রয়েছে, সংঘর্ষের সময় সাব্বির হোসেন শান্তর পক্ষ বহিরাগতদের নিয়ে হলে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায়। এ সময় নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সালাম হলের কক্ষে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। একই সঙ্গে সালাম হল ও মালেক হলের বিভিন্ন কক্ষেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।পরবর্তী সময়ে সালাম হল প্রাঙ্গণ থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পক্ষের নেতাকর্মীরা একজোট হয়ে সাব্বির হোসেন শান্তর অনুসারীদের ধাওয়া দেন। ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া অডিটোরিয়াম এলাকা পেরিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ পর্যন্ত গড়ায়। সেখানে দুই পক্ষ সংঘর্ষ ও মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হন।ঘটনার পর ক্যাম্পাসে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা কাজ করছেন।এদিকে ঘটনার পরপরই বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং আহতদের খোঁজ নেওয়ার পর উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ‘আমরা এ নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। আমাদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এখানে আছেন। পরিস্থিতি এখন আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। আমরা অতিদ্রুত এ নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’এর আগে সোমবার গভীর রাতে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে মালেক হল ও পকেট গেটসংলগ্ন এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার জের ধরেই মঙ্গলবার দুপুরে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

ছাত্রদলের দু’পক্ষের সংঘর্ষ