বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
কিশোরগঞ্জে এইচআইভিতে আক্রান্ত ২৬ জন, সরকারি হিসাবে শূন্য

কিশোরগঞ্জে এইচআইভিতে আক্রান্ত ২৬ জন, সরকারি হিসাবে শূন্য

কিশোরগঞ্জে ২০২০ থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত ২৬ জন এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ‘বন্ধু সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ নামের একটি আন্তর্জাতিক সমাজসেবী সংস্থা। তাদের মধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ৯ জন। তবে সরকারি স্বাস্থ্য বিভাগের হিসাবে, কিশোরগঞ্জে এখন পর্যন্ত কোনো এইচআইভি রোগী শনাক্ত হয়নি। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, শনাক্ত ২৬ জনের মধ্যে ২২ জন ভৈরব কার্যালয়ের আওতাধীন ভৈরব, কুলিয়ারচর, বাজিতপুর, নিকলী, অষ্টগ্রাম ও কটিয়াদী উপজেলা থেকে। বাকি সাতটি উপজেলা নিয়ে গঠিত কিশোরগঞ্জ কার্যালয়ের আওতাধীন এলাকা থেকে শনাক্ত হয়েছেন চারজন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত শনাক্ত ৯ জনের মধ্যে ভৈরব কার্যালয়ের আওতাধীন উপজেলাগুলো থেকে পাঁচজন এবং কিশোরগঞ্জ কার্যালয়ের আওতাধীন এলাকা থেকে চারজন শনাক্ত হয়েছেন। স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, সংস্থাটি কিশোরগঞ্জে গোপনে এইচআইভি শনাক্তকরণ ও অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ২০১০ সাল থেকে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এ কার্যক্রম চলছে। তবে শনাক্ত ব্যক্তিদের পরিচয় বা তাঁদের বসবাসের নির্দিষ্ট এলাকা প্রকাশ করতে রাজি হয়নি সংস্থাটি। তারা জানিয়েছে, এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিদের পরিচয় অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গোপনীয় বিষয়। সেই গোপনীয়তা রক্ষা করেই তাদের পরীক্ষা করা হয়েছে। সংস্থাটির ম্যানেজার জানান, কারও শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হলে তাঁকে অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি (এআরটি) চিকিৎসার আওতায় আনা হয়। বিনা মূল্যে এ চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত ফলোআপ করা হয়। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভি শনাক্তের কাজ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ভাসমান মানুষ, হিজড়া জনগোষ্ঠী, ট্রাকচালকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ, ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারী, যৌনকর্মী, পোশাকশ্রমিক ও বিদেশফেরত ব্যক্তিরা রয়েছেন। তবে শনাক্ত ২৬ জনের মধ্যে কোন জনগোষ্ঠীর কতজন রয়েছেন, সে তথ্য প্রকাশ করেনি সংস্থাটি। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। সমন্বয় সমাজকল্যাণ সংস্থার সভাপতি আতা মোহাম্মদ ওবায়েদ বলেন, ‘এটি অবশ্যই উদ্বেগের বিষয়। কিশোরগঞ্জ হাওরবেষ্টিত জেলা। ভৈরবে গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন রয়েছে। এ ছাড়া সড়ক ও নৌপথেও মানুষের চলাচল রয়েছে। এসব কারণে এইচআইভি সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।’ কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সানজিদ আহমেদ বলেন, ‘এইচআইভির বিস্তার শুধু স্বাস্থ্যগত সমস্যা নয়, এটি সামাজিক ও মানবিক সংকটও। সচেতনতার ঘাটতি, ভুল তথ্য, সামাজিক স্টিগমা ও ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ মানুষকে সংক্রমণের ঝুঁকিতে ফেলছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন।’ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (মেডিসিন) আবিদুর রহমান ভূইয়া বলেন, অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক, সংক্রমিত রক্ত গ্রহণ এবং ব্যবহৃত বা অপরিষ্কার সুচ ও সিরিঞ্জ ভাগাভাগির মাধ্যমে এইচআইভি ছড়াতে পারে। আক্রান্ত মায়ের মাধ্যমেও গর্ভাবস্থা, প্রসব বা বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় শিশুর সংক্রমণ হতে পারে। তিনি বলেন, প্রবাসফেরত জনগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষা ও সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন। তবে সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থায় এখন পর্যন্ত কিশোরগঞ্জে কোনো এইচআইভি রোগী শনাক্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন জেলার সিভিল সার্জন মোহাম্মদ সাইদুর রহমান। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে প্রতিটি উপজেলায় এইচআইভি শনাক্তের জন্য পর্যাপ্ত পরীক্ষার কিট সরবরাহ করা হচ্ছে। সরকারি ব্যবস্থায় এখন পর্যন্ত জেলায় কোনো এইচআইভি রোগী শনাক্ত হয়নি। সিভিল সার্জন আরও বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে এবং স্বাস্থ্য বিভাগের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

গেটে জং ধরা তালা, কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন এমপি

আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্যখাতের এক করুণ চিত্র দেখতে পেয়েছেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. এসএম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র হঠাৎ পরিদর্শনে যান তিনি।  এসময় তিনি গিয়ে দেখেন প্রধান ফটকে জং ধরা তালা ঝুলছে। তবে গেট বন্ধ থাকলেও ভেতরে গল্পগুজবে ব্যস্ত কয়েকজন মাঠকর্মী, এ সময়ে তাদের মাঠে থাকার কথা। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর পাশের ভাঙা দেয়ালের ওপর থেকে কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে সেই দেওয়াল টপকে ভেতরে ঢুকেন তিনি। এদিন আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে এ চিত্র দেখতে পান তিনি। এসময় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানান। সাংবাদিকদের অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, গেটে লাগানো তালা দেখে মনে হলো, বহুদিন আগে লাগানো, ইদানিং খোলা হয়নি। তালায় জং ধরে গেছে। এখানে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত জনবলও নাই। প্রত্যন্ত এএ অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়াটা জরুরি। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকের পক্ষেই শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়া সহজ নয়। ঢাকায় গিয়েও চিকিৎসা নেওয়া তাদের জন্য কষ্টসাধ্য। তাই স্থানীয় পর্যায়েই এ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সেবা কার্যক্রম সচল থাকা প্রয়োজন। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জনবল সংকটের বিষয়টিও উঠে আসে তার পরিদর্শনে। তাৎক্ষণিকভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। জানা যায়, এমপির পরিদর্শনের সময় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির ভেতরে ছিলেন গাজীপুর ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হাসান আল মামুন। তিনি স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির পার্শ্ববর্তী আজুগিরচালা গ্রামের বাসিন্দা। এ বিষয়ে হাসান আল মামুন বলেন, আমি এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কেউ নই। আমি পরিবার পরিকল্পনা সেক্টরের। তবে ওই কেন্দ্রে কোনো পদে কেউ না থাকায় আমরা পরিবার পরিকল্পনার কর্মীদের নিয়ে মিটিং করি, মাঝে মধ্যে বসি। এ কারণে আমার কাছে চাবি নিয়ে রেখেছি। ওই এলাকার বাসিন্দা হাবিবুল্লাহ হক বলেন, সাত থেকে আট বছর ধরে এভাবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পড়ে আছে। কোনো ডাক্তার নেই, কর্মী নেই। ইউনিয়ন পর্যায়ের এ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ মানুষ।  চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি আধুনিকায়ন ও ১০ শয্যায় উন্নীত করার জন্য আবেদন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আবেদনের ভিত্তিতে স্থানীয় এমপি অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু ডিও লেটার দিয়েছেন। ডিও লেটার দেওয়ার পর হঠাৎ স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শনে এসে তিনি গতকাল এমন দৃশ্য দেখতে পান।      

গেটে জং ধরা তালা, কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন এমপি

মাংস বিক্রি করতে হলে ‘পরীক্ষিত’ সিল থাকতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, নির্ধারিত দোকানে মাংস বিক্রি করতে হবে এবং সেখানে সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তার পরীক্ষার সিল থাকতে হবে। ওই সিল দেখেই সাধারণ মানুষ বুঝতে পারবেন, মাংসটি পরীক্ষিত। সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর হাজারীবাগে আধুনিক পশু জবাইখানার উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। আবদুস সালাম বলেন, মাংস পরীক্ষিত কি না, তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি মাংসের গায়ে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সিল থাকতে হবে। সিল ছাড়া মাংস বিক্রি হলে তা জব্দ এবং অবৈধভাবে জবাই করা মাংস বিক্রি করা দোকানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, নির্ধারিত জবাইখানার বাইরে বিভিন্ন বাজারে পশু জবাই করা যাবে না। কেউ অননুমোদিত স্থানে পশু জবাই করলে তাকে জরিমানা করা হবে। আর অবৈধভাবে জবাই করা মাংস কোনো দোকানে বিক্রি হলে সেই দোকান বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, অন্য জায়গা থেকে মাংস আনা হলে পশুটি ঠিকমতো জবাই করা হয়েছে কি না, পশুটি সুস্থ ছিল কি না বা কোনো রোগ ছিল কি না, এসব জানার সুযোগ থাকে না। এমনকি গরুর নামে মহিষ বিক্রি করা হচ্ছে কি না, সেটিও নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। এসব বিষয় নিশ্চিত করতে নির্ধারিত জবাইখানায় পশু জবাই করতে হবে। জবাইখানায় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার কথা জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, পশু জবাইয়ের সময় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিত থাকতে হবে। কেউ দায়িত্বে অনুপস্থিত থাকলে তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাংস বিক্রি করতে হলে ‘পরীক্ষিত’ সিল থাকতে হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জ্বালানিসহ দেশের প্রতিটি খাতকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও স্বনির্ভর করতে সরকার বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।শনিবার (৮ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত চিকিৎসক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের কারণে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সংকট তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকার দেশ ও জনগণকে এ সংকট থেকে বের করে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট ধীরে ধীরে কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।স্বাস্থ্য খাত প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, সরকারের নীতি হলো ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’। রোগের কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে মানুষকে শুরু থেকেই সচেতন করা গেলে অনেক রোগ প্রতিরোধ ও নিরাময় সম্ভব। এ লক্ষ্যেই বিদ্যমান চিকিৎসাব্যবস্থার পাশাপাশি আরও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, এসব স্বাস্থ্যকর্মী জনগণকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সচেতন করবেন। তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের নেতৃত্ব দিতে হবে।রাজনীতিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পেশাজীবীদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রায় সব ক্ষেত্রেই প্রভাব ফেলে। তাই নিজ নিজ মতাদর্শ অনুযায়ী রাজনৈতিকভাবে সচেতন বা সংগঠিত থাকা অযৌক্তিক নয়। তবে অতিমাত্রায় রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি না করে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।তিনি আরও বলেন, প্রথাগত রাজনীতির বাইরে এসে রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি।এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হল প্রাঙ্গণে নিম ও অর্জুন গাছের চারা রোপণ করেন। পরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করেন।সমাবেশে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ড্যাবের নেতাকর্মী ও চিকিৎসকেরা অংশ নেন। ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ডা. জুবাইদা রহমান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং ড্যাব মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিলসহ অনেকে বক্তব্য দেন।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী