রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
চাঁদপুরে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা যাত্রী নিহত, আহত ৪

চাঁদপুরে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশা যাত্রী নিহত, আহত ৪

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় জৈনপুর পরিবহনের বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার এক নারী যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশার চালকসহ আরও চার যাত্রী আহত হয়েছেন। শনিবার সকালে উপজেলার- নারায়ণপুর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাদিয়া আক্তার (২৩) খাদেরগাঁও ইউনিয়নের গিলাতলী গাজী বাড়ির প্রবাসী ইসমাইল হোসেন গাজীর স্ত্রী। তার তিন বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। আহতরা হলেন অটোরিকশাচালক মো. ফারুক (৪২), যাত্রী মো. জিলানী (৩২), হোসনে আরা (৪৫) ও পারভীন বেগম (৩৭)। তাদের সবার বাড়ি গিলাতলী গ্রামে। তারা পরস্পর আত্মীয়। স্থানীয়রা জানান, ফজরের নামাজের পর সাদিয়া আক্তারসহ চার যাত্রী অটোরিকশায় করে নাগদা গ্রামের এক আত্মীয়ের জানাজায় অংশ নিতে যাচ্ছিলেন। নাগদা বড় বাড়ির সামনে অটোরিকশাটি থামানো অবস্থায় চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী জৈনপুর পরিবহনের একটি বাস পেছন থেকে সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে গিয়ে চালক ও যাত্রীরা আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে সাদিয়া আক্তারকে মৃত অবস্থায় নেওয়া হয়। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নুরে আলম তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে পারভীন বেগম, হোসনে আরা ও জিলানীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মতলব দক্ষিণ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেন বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। হাসপাতালে নিহত নারীর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, দুর্ঘটনার পর জৈনপুর পরিবহনের বাসের চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছেন। বাস ও অটোরিকশা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাস্থলে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে।

গাজীপুরে কার্ভানভ্যান-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৩

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে কাভার্ডভ্যান ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। শনিবার সকাল ১০টার দিকে মাওনা আঞ্চলিক সড়কের কাঞ্চনপুর চেয়ারম্যান বাড়ি বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে আসাদুল্লাহ (২৬) নামে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিহত অপর দুজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আহতরা হলেন সিএনজিচালক শাকিল (৩৫), খোকন মিয়া (২২) ও আসাদুল ইসলাম (১৯)। এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কালিয়াকৈর বাজার থেকে পাঁচ যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা মাওনার দিকে যাচ্ছিল। কাঞ্চনপুর চেয়ারম্যান বাড়ি বাজার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি কার্ভানভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিটি সড়কের পাশের ধানখেতে পড়ে দুমড়েমুচড়ে যায় ও ঘটনাস্থলেই নারীসহ দুজন নিহত হন। আহতদের উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানে আরও এক যাত্রীর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ ও যানবাহন দুটি উদ্ধার করে। কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

গাজীপুরে কার্ভানভ্যান-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৩

পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পর ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ৫৪৮ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ১৪৭

পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পর থেকে এ পর্যন্ত ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে ৫৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ৮৭৪ জন আহত এবং ১৪৭ জন নিহত হয়েছেন ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়। মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিন থেকে ২০২৬ সালের ২৭ আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়ের মাওয়া টোল প্লাজা থেকে ধলেশ্বরী টোল প্লাজা পর্যন্ত এলাকায় মোট ৫৪৮টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ১৪৭ জন নিহত এবং ৮৭৪ জন আহত হয়েছেন। তিনি জানান, এই মহাসড়কে এসব দুর্ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটারদের অত্যন্ত ঝুঁকি উদ্ধার কার্যক্রম চালাতে হয়। তাঁরা দ্রুততার সঙ্গে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়ে থাকেন। একই সঙ্গে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে দিন দিন যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যাও বাড়ছে। এ অবস্থায় দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালক ও সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, দুর্ঘটনা এড়াতে চালকদের ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেক থেকে বিরত থাকা, সড়কের নির্দেশনা ও ট্রাফিক সিগন্যাল যথাযথভাবে অনুসরণ করা এবং নির্ধারিত গতিসীমার মধ্যে গাড়ি চালাতে হবে। পাশাপাশি ট্রাফিক আইন মেনে চলা, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা এবং অসতর্ক ও বেপরোয়া গাড়ি চালানো থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন। তাহলেই ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পর ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে ৫৪৮ সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ১৪৭

ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ঢাকা-ভাঙ্গা হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়ের মালিগ্রাম এলাকায় অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় সালাউদ্দিন মোল্লা (২২) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা আরও দুই যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় বৃষ্টির মধ্যে হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়ের ঢাকাগামী লেনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সালাউদ্দিন মোল্লা নগরকান্দা উপজেলার কুমারদিয়া গ্রামের আদম মোল্লার ছেলে। আহত দুজন হলেন একই এলাকার সাব্বির শেখ (১৮) ও তামিম হোসেন (২৮)। তারা তিনজন বন্ধু ছিলেন এবং একই মোটরসাইকেলে করে ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। শিবচর হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মামুন মিয়া জানান, মোটরসাইকেলে করে তিন বন্ধু ভাঙ্গা হাইওয়ে এক্সপ্রেসওয়ের ঢাকাগামী লেনে যাচ্ছিলেন। এ সময় পেছন থেকে দ্রুতগতির একটি অজ্ঞাত গাড়ি তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়।  তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তাদের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে আহত দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিহতের মরদেহ ও দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করেছি। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে। দুর্ঘটনার জন্য দায়ী অজ্ঞাত গাড়িটি শনাক্তে তদন্ত চলছে।

ভাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

সড়ক দুর্ঘটনায় জরুরি সেবা দেবে অ্যাম্বুলেন্সসহ ১৮০ যান, উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী

সড়ক দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে দেশের মহাসড়কে ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স, ঢাকায় ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স এবং হাইওয়ে পুলিশের জন্য ৮০টি টহল মোটরসাইকেল চালু করা হয়েছে।বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পের (বিআরএসপি) আওতায় এসব যানবাহন যুক্ত করা হয়েছে।সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব সেবার উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমানোর পাশাপাশি দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধার ও জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। দেশের প্রথম বহুখাতভিত্তিক ও ‘সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ভিত্তিক এ প্রকল্প যৌথভাবে বাস্তবায়ন করছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।মহাসড়কে ৬০ বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্সপ্রকল্পের আওতায় ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স জয়দেবপুর-হাটিকুমরুল-বগুড়া-রংপুর, হাটিকুমরুল-নাটোর-রাজশাহী এবং জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ জাতীয় মহাসড়কের মোট ৫০০ কিলোমিটার অংশে মোতায়েন করা হবে।পরিকল্পনা অনুযায়ী, মহাসড়কের প্রতি ১০ কিলোমিটার পরপর একটি করে অ্যাম্বুলেন্স রাখা হবে। এর ফলে দুর্ঘটনার পর আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।ঢাকায় ৪০ মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্সরাজধানীতে দুর্ঘটনার পর দ্রুত রোগী হাসপাতালে পৌঁছে দিতে চালু করা হয়েছে ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকার যানজটের কারণে অনেক সময় সাধারণ অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারে না। এ ক্ষেত্রে মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে জরুরি সেবা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।হাইওয়ে পুলিশের জন্য ৮০ টহল মোটরসাইকেলমহাসড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশকে দেওয়া হয়েছে ৮০টি টহল মোটরসাইকেল। এগুলোর মাধ্যমে মহাসড়কে পুলিশের টহল কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান ডিভিশনের পরিচালক এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সড়ক দুর্ঘটনায় জরুরি সেবা দেবে অ্যাম্বুলেন্সসহ ১৮০ যান, উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী