রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট আকস্মিক পরিদর্শনকালে এক চিকিৎসককে নিজ কক্ষে ধূমপান করতে দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই ঘটনায় ওই চিকিৎসককে তাৎক্ষণিক বরখাস্তের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে শিশু হাসপাতাল পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখার পাশাপাশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মপরিবেশ এবং হাসপাতালের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। পরিদর্শনের একপর্যায়ে হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের কক্ষে গিয়ে তাকে ধূমপান করতে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় ওই চিকিৎসকের কক্ষও অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় ছিল। হাসপাতালের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকের এমন আচরণ ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সরকার প্রধান। এ ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালের পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হককে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর চিকিৎসক রফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ সময় হাসপাতালে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখা, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। বিডি-প্রতিদিন/বিএম
সকালে খাবার খেয়ে বাড়ির উঠানে খেলছিল ছয় বছরের আরিয়ান খাঁ। খেলতে খেলতে একসময় সে চলে যায় বাড়ির পাশের সড়কে। সেখানেই ইট ভাঙার যন্ত্রবাহী একটি গাড়ির চাপায় প্রাণ যায় শিশুটির। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে মাদারীপুর সদর উপজেলার নয়াচর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় আরিয়ানকে মাদারীপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ছেলের মৃত্যুর পর আরিয়ানের বাবা আরমান খাঁ বারবার ফিরে যাচ্ছেন সকালের সেই সময়টায়। তিনি বলেন, ‘আরিয়ান ঘরের মধ্যে দুষ্টুমি করছিল। খাবার খেয়ে বাড়ির উঠানে খেলছিল। হঠাৎ কী থেকে কী হয়ে গেল, বুঝলাম না।’ বাড়িতে এখন কান্না থামছে না। আরিয়ানের মা ‘আরিয়ানকে এনে দাও’ বলে শুধু কেঁদে চলেছেন। আরমান খাঁ বলেন, ‘ওর মা পাগলের মতো কান্নাকাটি করছে।’ পুলিশ, স্বজন ও স্থানীয় লোকজনের বর্ণনা অনুযায়ী, আজ সকাল সাড়ে আটটার দিকে মাদারীপুর পৌরসভার চরমুগরিয়া থেকে ইট ভাঙার একটি যন্ত্র নিয়ে কয়েকজন শ্রমিক সদর উপজেলার তেয়ারপুর ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন। নয়াচর এলাকায় সড়ক পার হওয়ার সময় গাড়িটি শিশুটিকে চাপা দেয়। আরমান খাঁর অভিযোগ, গাড়িটির কোনো ব্রেক ছিল না। তিনি বলেন, ‘তবু এ ধরনের গাড়ি রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে। এগুলো কেউ দেখার নেই। আমার ছেলের মৃত্যুর জন্য দায়ী চালকের বিচার চাই।’ মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, গাড়িটি থ্রি-হুইলার (তিন চাকার যান) ধরনের। এসব গাড়ির কোনো বৈধতা নেই। নিহত শিশুর পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে গাড়ি ও চালকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে কথিত দালাল চক্রের সদস্যদের সঙ্গে রোগীর স্বজনদের মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এতে কানিজা আফরোজ (৪০) ও তাঁর ছেলে মো. তাজ (২৩) আহত হয়েছেন। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালের ক্যাশ কাউন্টারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত কানিজা আফরোজ চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বালুবাগান এলাকার বাসিন্দা ফজলুর রহমান বিপ্লবের স্ত্রী। ঘটনার পর তাঁকে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তাঁর মাথায় দুটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। কানিজা আফরোজের অভিযোগ, তাঁর ছেলে তাজ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। গতকাল মঙ্গলবার চিকিৎসক তাঁকে সিবিসি (কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট) পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। সরকারি হাসপাতালে ওই পরীক্ষা করা হয় কি না, তা জানতে ছেলেকে নিয়ে আজ সকালে হাসপাতালের ক্যাশ কাউন্টারে যান তিনি। কানিজা আফরোজ বলেন, এ সময় লিটন নামে এক ব্যক্তি তাঁদের কাছে এসে সরকারি হাসপাতালে সিবিসি পরীক্ষা করা হয় না বলে বাইরে থেকে পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন। এ নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কয়েকজন মিলে তাঁকে ও তাঁর ছেলেকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। কানিজা আফরোজ আরও বলেন, মারধরের সময় তাঁর মাথায় আঘাত লাগে এবং মাথা ফেটে যায়। পরে হাসপাতালেই তাঁর মাথায় দুটি সেলাই দেওয়া হয়। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত লিটনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ঘটনার পর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে সরিয়ে দেন। পরে কানিজা আফরোজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) মাহবুব রহমান বলেন, ‘রোগী ও হাসপাতাল এলাকায় সক্রিয় বলে অভিযোগ থাকা একটি চক্রের সদস্যদের মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আহত ব্যক্তি আইনি সহায়তা চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।’ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, ‘হাসপাতালে মারামারির ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে আগামী এক মাসের মধ্যে নতুন করে আইসিইউ (নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র) বেড চালু করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেছেন, অ্যানেসথেসিয়ার চিকিৎসক না থাকায় এত দিন আইসিইউ চালু করা সম্ভব হয়নি। ইতিমধ্যে চিকিৎসক পদায়ন হয়েছে, আগামী এক মাসের মধ্যে নতুন করে আইসিইউ বেড চালু করতে পারব। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে রমেক হাসপাতালে বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সার্ভিস বিল্ডিংয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী। দেশের স্বাস্থ্য খাতের সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘১৭টি বছর জুলুম এবং নানা অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে শুধু স্বাস্থ্য খাত নয়, দেশের প্রত্যেকটা খাতই ধ্বংসের শেষ প্রান্তে উপনীত হয়েছে। আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন স্বাস্থ্য খাতকে।’ হাসপাতালের জনবল সংকটের কথা উল্লেখ করে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘সারা বাংলাদেশেই জনবল সংকট। আমরা নিয়োগের মধ্যে চলে গিয়েছি। অল্প সময়ের মধ্যে নিয়োগ সম্পন্ন হয়ে গেলে এই হাসপাতালের জনবল চাহিদা পূরণের চেষ্টা করব।’ রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজন হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রসঙ্গেও কথা বলেন ত্রাণমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের পেছনে কেউ জড়িত থাকলে তাঁদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।’ তদন্তে সময় লাগার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা আছে, তাই সময় লাগছে। তবে আমরা চাই, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যারা দোষী এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনে যদি কেউ জড়িত থাকে, তাদের আইনের আওতায় আনা সবচেয়ে জরুরি।’ আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘আশা করি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে কিছুদিনের মধ্যেই অভিযোগপত্র দিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচার কাজ শেষ হবে।’
রাজধানীর পল্লবীতে চলন্ত গাড়ি থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আলমগীর হোসেন (৪৫) ও জ্যোৎস্না নামের এক পথচারী নারী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আলমগীরের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে আলমগীরকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ল্যাংড়া রুবেল ও মুসলিম নামের দুজনের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশ বলছে, তারা এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। তবে ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে পল্লবী থানার সেকশন-১১, ব্লক-বি, লাইন-২-এর ২৬ নম্বর বাসার সামনে ইমনের চায়ের দোকানের কাছে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি চলন্ত প্রাইভেটকার থেকে আলমগীরকে লক্ষ্য করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। এতে তাঁর মাথা, পেট ও নিতম্বসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি লাগে। এ সময় পাশ দিয়ে যাওয়া জ্যোৎস্না নামের এক নারীও গুলিবিদ্ধ হন।পরে আলমগীরকে প্রথমে পল্লবীর ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।আলমগীরের চাচা মো. আশিক জানান, আলমগীরের বাসা মিরপুর সেকশন-১১-এর ৩ নম্বর রোডে। তিনি ঢাকার নবাবগঞ্জ থানা বিএনপির সদস্য এবং পেশায় মাছ ব্যবসায়ী।আশিকের দাবি, বিকেলে মিল্লাত ক্যাম্পের সামনে একটি প্রাইভেটকারে চারজন ব্যক্তি এসে আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত চলে যান। এতে আলমগীরের মাথার ডান পাশ, পেটের ডান পাশ ও নিতম্বে গুলি লাগে।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, আলমগীর নামের একজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন। তাঁর মাথাসহ শরীরের কয়েকটি স্থানে গুলি লেগেছে। জরুরি বিভাগে তাঁর চিকিৎসা চলছে।পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশীর বলেন, ‘একটি গাড়ি থেকে দুর্বৃত্তরা তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে। প্রাথমিকভাবে মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হামলার পেছনের কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত চলছে।’ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোস্তাক সরকার বলেন, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।এদিকে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে পল্লবী ও আশপাশের এলাকায় আবারও গুলির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর আগে গত মাসে মিরপুরের কাফরুলে ভাড়াটে শ্যুটারদের গুলিতে যুবদল কর্মী ইউসুফ নিহত হন।ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ডিবি ও মিরপুর মডেল থানা-পুলিশ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আটজনকে গ্রেপ্তার করে।ডিবির তদন্ত অনুযায়ী, কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবুকে হত্যার জন্য একই থানার স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান হাফিজ ওরফে সিএনজি হাফিজ ভাড়াটে শ্যুটার নিয়োগ করেছিলেন। তবে ওই হামলায় বাবু বেঁচে গেলেও গুলিতে ইউসুফ নিহত হন। আহত হন সবজি বিক্রেতা নালাম সরদার ও মনির হোসেন।ডিবির ভাষ্য, হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ঢাকার বাইরে থেকে শ্যুটার এনে ২৫ লাখ টাকায় ভাড়া করা হয়েছিল। গ্রেপ্তার আটজনের মধ্যে চারজন সরাসরি গুলি চালান এবং বাকিরা সহযোগী হিসেবে কাজ করেন।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।