লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা ও তিন মেয়েকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। ঘটনার সময় নিহতদের বাড়ির পাশেই ছিলেন প্রতিবেশী আফরোজা বেগম রানী। চারজনকে রক্ষা করতে না পারার আক্ষেপে ভেঙে পড়েছেন তিনি।
আফরোজা বেগম জানান, ‘বাঁচাও, বাঁচাও’ চিৎকার শুনে তিনি দ্রুত প্রতিবেশী শাহিনুর বেগমের বাড়িতে ছুটে যান। জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বারবার ডাকলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাননি। কিছুক্ষণ পর তিনি দেখতে পান, একজন ব্যক্তি ঘরের ভেতর থেকে রান্নাঘরের দিকে যাচ্ছে। প্রথমে তিনি ধারণা করেছিলেন, তিনি হয়তো শাহিনুরের ছেলে সিফাত। কিন্তু নাম ধরে ডাকলেও কোনো উত্তর মেলেনি।
তিনি আরও বলেন, কিছুক্ষণ পর জানালা বন্ধ হওয়ার শব্দ শুনে আবার তাকিয়ে দেখেন, এক যুবকের হাতে প্যান্ট। সন্দেহ হলে তিনি ওই যুবকের পরিচয় জানতে চান। যুবক নিজেকে পাইপলাইন মেরামতের কর্মী বলে দাবি করলেও তার আচরণে সন্দেহ আরও বেড়ে যায়। এরপর আফরোজা বেগম বাইরে থেকে বাড়ির গেট আটকে দিয়ে দ্রুত প্রতিবেশীদের খবর দেন।
এই মর্মান্তিক চার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।