জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিং মামলায় আত্মসমর্পণকারী চাকরিচ্যুত পুলিশ কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন এবং তার স্ত্রী ফারহানা ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) যশোরের বিশেষ দায়রা জজ (জেলা ও দায়রা জজ) এস. এম. নূরুল ইসলাম জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, জসিম উদ্দিন ২০০২ সালে বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন এবং পরে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) পদে পদোন্নতি পান। চাকরির সময় দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২০১৮ সালে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তে জসিম উদ্দিন ও তার স্ত্রীর নামে মোট ১ কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার ২৩ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। তবে বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে মাত্র ৬ লাখ টাকার প্রমাণ মিলেছে। ফলে তাদের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৬৫ হাজার ২৩ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়।
২০২০ সালে এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর ২০২১ সালে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর বৃহস্পতিবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন জসিম দম্পতি। শুনানি শেষে আদালত তাদের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।