বহুল আলোচিত সাদিক অ্যাগ্রো লিমিটেডের বিরুদ্ধে করা ১৩৩ কোটি টাকার মানি লন্ডারিং মামলার তদন্তে বড় ধরনের অসঙ্গতি উঠে এসেছে। তদন্ত শেষে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) জানিয়েছে, অভিযোগে উল্লেখিত বিপুল অর্থের পরিবর্তে প্রতিষ্ঠানটির অবৈধ সম্পদের পরিমাণ প্রায় দেড় কোটি টাকা পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বিদেশে পাচার করা হয়েছে প্রায় ৮৬ লাখ টাকা।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে, প্রতিষ্ঠানটি সরকারি অনুমোদন ছাড়াই ব্রাহমা জাতের গরু আমদানি, অর্থ আত্মসাৎ এবং সরকারি খাল ও সড়ক দখলের সঙ্গে জড়িত ছিল।
আলোচিত এই প্রতিষ্ঠানের নাম প্রথম আলোচনায় আসে ২০২৪ সালের ঈদুল আজহার আগে, যখন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান (ইফাত) সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ১৫ লাখ টাকায় একটি ‘উচ্চবংশীয়’ ছাগল কিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেন।
এরপর থেকেই মতিউর রহমান ও সাদিক অ্যাগ্রোর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ সামনে আসে। সেই অভিযোগের ধারাবাহিকতায় সিআইডি তদন্ত চালিয়ে নতুন এসব তথ্য পেয়েছে।