সারা দেশে টানা ভারী বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বন্যাকবলিত এলাকায় উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
শুক্রবার (১০ জুলাই) দিনব্যাপী প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং সিভিল সার্জনদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, বন্যাকবলিত জেলার উদ্ধার, পুনর্বাসন ও চিকিৎসা কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিতকে। শনিবার তিনি ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রাম সফর করবেন।
তিনি আরও জানান, কয়েকটি এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও পরিস্থিতি এখনও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বিশেষ করে নারী ও শিশু, গর্ভবতী নারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
এ ছাড়া দুর্যোগের সুযোগ নিয়ে যেন কোনো অসাধু চক্র চুরি, ডাকাতি বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা শুরু থেকেই বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন।