পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার গৌরিগ্রাম ইউনিয়নের হাঁড়িয়াকাহন গ্রামে স্থানীয় একটি সালিশ বৈঠকে এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে ‘২০টি জুতার বাড়ি’ এর অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও সালিশকারীদেরসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) ভুক্তভোগী মো. মহব্বৎ আলী খাঁর স্ত্রী মোছা. রোজিনা খাতুন সাঁথিয়া থানায় এজাহার দাখিল করেন। পরে পুলিশ মামলাটি রুজু করে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী মো. এরশাদ আলীর প্রতিবন্ধী বোনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে গত ১২ জুলাই সন্ধ্যায় গ্রামে একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেখানে বিপুলসংখ্যক স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বাদীর অভিযোগ, সালিশে তার স্বামী মহব্বৎ আলী খাঁকে প্রকাশ্যে ২০টি জুতার আঘাত করার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। তিনি উপস্থিত সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলেও সালিশকারীরা সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেননি। একপর্যায়ে সালিশস্থল ত্যাগ করতে চাইলে তাকে বাধা দেওয়া হয় এবং ভয়ভীতি দেখানো হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সালিশকারীদের নির্দেশে দুই ব্যক্তি মহব্বৎ আলী খাঁকে প্রকাশ্যে ২০টি জুতার আঘাত করেন। পরে তিনি বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেন। পরবর্তীতে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
