কুষ্টিয়ার রেলওয়ে কোর্ট স্টেশনে সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রী ও ট্রেনের এক স্টাফের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বাবা-ছেলে ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় প্রায় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় শত শত যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন। ঘটনার তদন্তে পাকশী রেল বিভাগ ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন শফিউল আওয়াল সুমন (৪০) ও তার বাবা আব্দুর রহিম (৬৫)। তাদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে সুন্দরবন এক্সপ্রেস কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে পৌঁছায়। নির্ধারিত বিরতি শেষে ১২টা ৩০ মিনিটে ট্রেনটি ছেড়ে গেলেও মাত্র তিন মিনিট পর এসি চেইন পুল করে ট্রেনটি থামিয়ে দেওয়া হয়।
অভিযোগ রয়েছে, ট্রেনের স্টাফ ও কয়েকজন যাত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। ওই সময় এক স্টাফের ছুরিকাঘাতে বাবা-ছেলে আহত হন। ঘটনার প্রতিবাদে যাত্রীরা ও স্থানীয় লোকজন বিক্ষোভ শুরু করলে ট্রেনটি দীর্ঘ সময় স্টেশনে আটকে থাকে।
এর ফলে ট্রেনটি দুপুর ২টা ১৩ মিনিট পর্যন্ত স্টেশনে অবস্থান করে এবং প্রায় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট বিলম্বে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এতে সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
ঘটনার পর পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে সিআরএনবি, ডিটিও, ডিসিও, ডিএমই (সি অ্যান্ড ডব্লিউ) ও ডিএমওকে নিয়ে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করেছে।
রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।