বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ

যে হত্যাকাণ্ডে কেঁদেছিল দেশবাসী, শুধু কান্নার অধিকার ছিল না স্ত্রী-কন্যার



যে হত্যাকাণ্ডে কেঁদেছিল দেশবাসী, শুধু কান্নার অধিকার ছিল না স্ত্রী-কন্যার
ছবি: সংগৃহীত

টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক নিহত হওয়ার ঘটনায় আলোচিত সেই ফোনালাপের অডিও দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। পরিবারের দাবি, ঘটনার পর শুধু স্বজন হারানোর শোকই নয়, দীর্ঘদিন নিরাপত্তাহীনতা ও নজরদারির মধ্যেও জীবন কাটাতে হয়েছে তাদের। আট বছর পর এ ঘটনায় বিচার প্রক্রিয়ায় নতুন অগ্রগতি হয়েছে।

২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে একরামুল হক নিহত হওয়ার আগে মোবাইল ফোনে পরিবারের সঙ্গে তার শেষ কথোপকথনের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেই অডিওতে তার বড় মেয়ে তাহিয়া হকের প্রশ্ন—“আব্বু, তুমি কান্না করতেছ যে?”—দেশব্যাপী আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর তারা টেকনাফ ছেড়ে চট্টগ্রামে চলে যেতে বাধ্য হন। নিরাপত্তার কারণে তারা বর্তমান ঠিকানা প্রকাশ করতে চান না। একরামের স্ত্রী আয়েশা বেগমের অভিযোগ, দীর্ঘদিন তারা নজরদারি ও বিভিন্ন ধরনের চাপের মুখে ছিলেন। মামলা করার চেষ্টায়ও নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

একরামুল হকের স্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, তার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, একরাম কোনো মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না এবং তাকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

আয়েশা বেগম বলেন, তার স্বামীর হত্যার ন্যায়বিচারই এখন তাদের পরিবারের একমাত্র প্রত্যাশা। তিনি অভিযোগ করেন, যারা তার পরিবারকে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি করেছে, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেখতে চান।

বিষয় : কক্সবাজার হত্যা

বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬


যে হত্যাকাণ্ডে কেঁদেছিল দেশবাসী, শুধু কান্নার অধিকার ছিল না স্ত্রী-কন্যার

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬

featured Image

টেকনাফ পৌরসভার কাউন্সিলর একরামুল হক নিহত হওয়ার ঘটনায় আলোচিত সেই ফোনালাপের অডিও দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। পরিবারের দাবি, ঘটনার পর শুধু স্বজন হারানোর শোকই নয়, দীর্ঘদিন নিরাপত্তাহীনতা ও নজরদারির মধ্যেও জীবন কাটাতে হয়েছে তাদের। আট বছর পর এ ঘটনায় বিচার প্রক্রিয়ায় নতুন অগ্রগতি হয়েছে।

২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে একরামুল হক নিহত হওয়ার আগে মোবাইল ফোনে পরিবারের সঙ্গে তার শেষ কথোপকথনের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেই অডিওতে তার বড় মেয়ে তাহিয়া হকের প্রশ্ন—“আব্বু, তুমি কান্না করতেছ যে?”—দেশব্যাপী আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর তারা টেকনাফ ছেড়ে চট্টগ্রামে চলে যেতে বাধ্য হন। নিরাপত্তার কারণে তারা বর্তমান ঠিকানা প্রকাশ করতে চান না। একরামের স্ত্রী আয়েশা বেগমের অভিযোগ, দীর্ঘদিন তারা নজরদারি ও বিভিন্ন ধরনের চাপের মুখে ছিলেন। মামলা করার চেষ্টায়ও নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

একরামুল হকের স্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, তার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, একরাম কোনো মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না এবং তাকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

আয়েশা বেগম বলেন, তার স্বামীর হত্যার ন্যায়বিচারই এখন তাদের পরিবারের একমাত্র প্রত্যাশা। তিনি অভিযোগ করেন, যারা তার পরিবারকে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি করেছে, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেখতে চান।


বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ



কপিরাইট © ২০২৬ বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
যে হত্যাকাণ্ডে কেঁদেছিল দেশবাসী, শুধু কান্নার অধিকার ছিল না স্ত্রী-কন্যার
0:00 0:00
1.0x