রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
গাজীপুরে ব্রিফকেসে নারীর খণ্ডিত লাশের ঘটনায় গ্রেফতার মিল্টন

গাজীপুরে ব্রিফকেসে নারীর খণ্ডিত লাশের ঘটনায় গ্রেফতার মিল্টন

গাজীপুরের জয়দেবপুরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে পানিতে ব্রিফকেস ও বস্তায় নারীর খণ্ডিত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পিবিআই জানিয়েছে, গ্রেফতার তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এর আগে, গত ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে পানিতে ব্রিফকেসে এক খণ্ড এবং অন্যত্র বস্তায় আরেক খণ্ড অর্ধগলিত অবস্থায় অজ্ঞাতনামা নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়। পিবিআই আরো জানিয়েছে, পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান আনসারীর নেতৃত্বে ক্রাইমসিন টিম বিভিন্ন ডকুমেন্ট বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে। নিহতের নাম ডলি আক্তার ওরফে কালিয়া (৩০)। তিনি মুক্তাগাছা থানার পাহাড়পাবইজান গ্রামের সোহেল (৪৪)-এর ছোট বোন। স্বামীর সাথে বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি গাজীপুরের জয়দেবপুর থানাধীন বানিয়ারচালা মেম্বারবাড়ী এলাকায় একাই বসবাস করতেন। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই সোহেল অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে জয়দেবপুর থানায় মামলা করেন। ১২ সেপ্টেম্বর দায়ের করা মামলায় পেনাল কোডের ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। একই দিন পিবিআই গাজীপুর জেলা স্ব-উদ্যোগে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে। পিবিআই জানায়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ১২ সেপ্টেম্বর ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে মো: মিশন ইসলাম, তার মা বানু আক্তার এবং মিশনের বন্ধু মো: মিজানুর রহমান মিল্টনকে গ্রেফতার করেন। পিবিআই জানিয়েছে, মিশনের দেখানো মতে তার ঘর থেকে লাশ খণ্ডিত করতে ব্যবহৃত বটি দা, লাশ প্যাকেজিংয়ে ব্যবহৃত স্কচটেপ, স্যুটকেস কেনার সিসিটিভি ফুটেজ, ভিকটিমের জাতীয় পরিচয়পত্র, বাটন মোবাইল ফোন ও জুতা উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার তিন আসামিই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পিবিআইয়ের তদন্ত অনুযায়ী, প্রায় পাঁচ বছর আগে তামান্না গার্মেন্টসে মিশনের সাথে ডলির পরিচয় হয় এবং তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি নিয়ে বিরোধ ও আর্থিক বিষয়কে কেন্দ্র করে মিশনের ক্ষোভ তৈরি হয়। তদন্ত সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে ডলি মিশনের বাসায় গেলে তার মা বানু আক্তারের সাথে কথাকাটাকাটি হয়। পরে মিশন ও ডলি একই কক্ষে অবস্থান করেন। পিবিআই জানায়, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী মিশন ডলিকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর পর শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। ডলি ঘুমিয়ে পড়লে রাত আনুমানিক ২টার দিকে লুঙ্গি দিয়ে গলায় প্যাঁচ দিয়ে ও পা দিয়ে চেপে ধরে শ্বাসরোধ করা হয়। পরে বালিশ দিয়ে মুখ চেপে ধরে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পিবিআইয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এরপর লাশ চৌকির নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। পরদিন মিশন স্যুটকেস কিনে বটি ও ব্লেড দিয়ে লাশ কোমর থেকে দুই খণ্ড করেন। পরে মিশন ও তার মা বানু আক্তার মিশনের বন্ধু মিজানুর রহমান মিল্টনের সহযোগিতা নেন। তদন্ত সংস্থাটি জানায়, মিশনের বাড়িতে থাকা স্যুটকেস ও বস্তা নিয়ে তারা অটোতে রাজেন্দ্রপুর এবং সেখান থেকে সিএনজিতে ভবানীপুর যায়। পরে ভবানীপুর ব্রিজের ওপর থেকে মিশন ও মিল্টন লাশভর্তি স্যুটকেস ও বস্তা খালে ফেলে দেন। ঘটনার সাথে আরো কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ঢামেকে ফেলে যাওয়া কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত, গ্রেফতার ৩

রাজধানীর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। নিহত কিশোরীর নাম মিম আক্তার (১৫)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান। গ্রেফতাররা হলেন এ বি এম আব্দুর রাজ্জাক (৪৭), মো: ফয়সল আহমেদ (৩৫) ও রাহেমা খাতুন রেশমা (২৯)। নিয়াজ মেহেদী জানান, গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ১০ মিনিটে রাজধানীর ডেমরা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বুধবার ১২ আগস্ট ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এক কিশোরীর লাশ ফেলে চলে যায় অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। পরে শাহবাগ থানায় খবর দেয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহত কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত করা হয়। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে শাহবাগ থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) শাহবাগ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অপরাধ আড়াল করার উদ্দেশ্যে আসামিরা মিম আক্তারের লাশ হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। গ্রেফতার এড়াতে তারা নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকার বাসা ছেড়ে রাতারাতি সপরিবারে অন্যত্র আত্মগোপন করে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ঢামেকে ফেলে যাওয়া কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত, গ্রেফতার ৩

উত্তরায় ফিলিং স্টেশনের টাকা ডাকাতি, গ্রেফতার ৫

রাজধানীর উত্তরায় ফিলিং স্টেশনের বিক্রয়লব্ধ ১ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা দিতে যাওয়ার পথে ডাকাতির ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও উত্তরা ক্রাইম বিভাগের যৌথ দল।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ইলিয়াস শিকদার (৩৬), জাফর (৩৬), রবিউল ইসলাম ওরফে রুবেল (৩৪), মিন্টু রাড়ী (২৩) ও সাগর বাড়ৈ (৪০)।ডিএমপি জানায়, গত ৯ আগস্ট সকালে উত্তরা পূর্ব থানার ডিএল ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আব্দুল করিমসহ চারজন ১ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা দিতে যাচ্ছিলেন। বিমানবন্দর থানার ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের ক্রাউন প্লাজার কাছে বিআরটি লেনে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আসা একদল ডাকাত তাদের পথরোধ করে। অস্ত্র ও চাপাতি দিয়ে ভয় দেখিয়ে এবং আঘাত করে টাকা লুট করে পালিয়ে যায়।ঘটনার তদন্তে নেমে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে ইলিয়াস শিকদার ও জাফরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত ১২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া চারটি ৭.৬৫ মি.মি. পিস্তল, ছয়টি ম্যাগাজিন, ২১ রাউন্ড গুলি, র‌্যাবের ভুয়া পরিচয়পত্র ও পোশাক, ওয়াকিটকি, হাতকড়া, বিভিন্ন নম্বর প্লেট এবং একটি মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। ডিএমপি জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তারদের ডাকাতির ঘটনায় সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত বাকি টাকা উদ্ধারে অভিযান চলছে।

উত্তরায় ফিলিং স্টেশনের টাকা ডাকাতি, গ্রেফতার ৫

আরেক মামলায় গ্রেফতার সাবেক প্রতিমন্ত্রী ফরহাদের স্ত্রী মোনালিসা

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নীলক্ষেত এলাকায় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের স্ত্রী ও যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সৈয়দ মোনালিসা ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।বুধবার (১২ আগস্ট) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। মোনালিসা ইসলামের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক আমজাদ হোসেন তালুকদার গত ৭ আগস্ট মোনালিসা ইসলামকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন। এদিন ভার্চুয়ালি তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।আইনজীবী তরিকুল ইসলাম বলেন, মেহেরপুরের আটটি মামলা এবং ঢাকায় দুদকের করা একটি মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন মোনালিসা ইসলাম। তিনি কারামুক্ত হওয়ার সময় তাকে মুক্তি ঠেকাতে এই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। বুধবার ভার্চুয়ালি তাকে গ্রেপ্তার দেখানোয় তার মুক্তি আটকে গেছে।মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে নিউমার্কেট থানাধীন নীলক্ষেত এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিতে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ নিহত হন। ঘটনার পর নিহতের শ্যালক আব্দুর রব বাদী হয়ে ওই বছরের ২১ আগস্ট নিউমার্কেট থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ মোট ১৩০ জনকে আসামি করা হয়।

আরেক মামলায় গ্রেফতার সাবেক প্রতিমন্ত্রী ফরহাদের স্ত্রী মোনালিসা

স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ৩

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় এক পঞ্চম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার (৫ আগস্ট) তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ জুলাই দুপুরে স্কুল থেকে ফেরার পথে স্থানীয় একটি নির্জন বাগানে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলার কথা বলে ওই ছাত্রীকে নিয়ে যায় কয়েকজন। সেখানে তাকে জোরপূর্বক যৌন নির্যাতনের শিকার করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ভুক্তভোগীকে বিষয়টি কাউকে না জানাতে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।গ্রেফতাররা হলেন উপজেলার রাহাত (১৭), সিয়াম (১৭) এবং ইমন। এ ঘটনায় আরও দুজনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।ভুক্তভোগীর ভাই জানান, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে তার বোনকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উত্যক্ত করত। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে তাকে নির্জন স্থানে নিয়ে এই ঘটনা ঘটানো হয়।স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি পরিবারের নজরে আসে। এরপর থানায় মামলা করা হয়। বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন কুমার সাহা বলেন, ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত চলছে এবং ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ, গ্রেফতার ৩