বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
নয় মাস পর স্ত্রী ও বোনের সঙ্গে ইমরান খানের সাক্ষাৎ

নয় মাস পর স্ত্রী ও বোনের সঙ্গে ইমরান খানের সাক্ষাৎ

কারাবন্দী পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান নয় মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো তার বোন ও স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দি থাকা এই নেতার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট সাপ্তাহিক পারিবারিক সাক্ষাতের অনুমতি দেওয়ার পর এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান ২০২৩ সাল থেকে বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন। বর্তমানে আল-কাদির ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় তিনি ১৪ বছরের সাজা ভোগ করছেন।কারা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ইমরানের বোন নওরীন নিয়াজি চলতি বছরে প্রথমবারের মতো তার সঙ্গে দেখা করেন। প্রায় ১৫ মিনিটের এই সাক্ষাৎ কারাগারের কনফারেন্স রুমে হয়। এ সময় তারা ইমরানের স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।নওরীন ইমরানকে চিকিৎসার জন্য শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তরের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আগের আদেশের কথাও জানান বলে জানা গেছে।তবে সাক্ষাতের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার উদ্দেশ্যে এই সাক্ষাতের ব্যবহার করা হলে ইমরান খানকে দেওয়া এই সুবিধা প্রত্যাহার করা হতে পারে।ইমরানের অন্য দুই বোন আলীমা খান ও উজমা খান এবং তার চাচাতো ভাই কাসিম জামানকে সাক্ষাতের অনুমতি দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে তার দলের রাজনৈতিক নেতাদেরও এই সাক্ষাতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি।স্ত্রীর সঙ্গেও সাক্ষাৎকারা সূত্র জানিয়েছে, ইমরান খানের স্ত্রী বুশরা বিবির সঙ্গেও তার প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট সাক্ষাৎ হয়েছে। আদিয়ালা কারাগারে বন্দি বুশরা বিবির সঙ্গে সাক্ষাতে তার সন্তান মুসা ও মুবাশারা মানেকা এবং ননদ মেহেরুন্নিসাও উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট সরকারকে ইমরান খানকে চিকিৎসার জন্য শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছিল। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তাকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেখানে রাখার কথা ছিল।

সৌদি–পাকিস্তান–তুরস্কের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি ‘ওয়াও’: ট্রাম্প

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত **‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’**কে স্বাগত জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ চুক্তিকে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। ট্রাম্প বলেন, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করায় তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। তার মতে, এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে তারা আরও কার্যকরভাবে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে।চুক্তিতে স্বাক্ষর করা তিন দেশের নেতৃত্বের প্রশংসাও করেন ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি এটিকে ‘বড়, সাহসী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেন।সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান গত ৭ আগস্ট মক্কায় এই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। চুক্তির আওতায় তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার পাশাপাশি যৌথ নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তোলার কথা রয়েছে। চুক্তিতে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। পাশাপাশি স্থল, নৌ, আকাশ ও সাইবার ক্ষেত্রে যৌথ সামরিক মহড়া, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং সামরিক শিল্পে সহযোগিতার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের এই উদ্যোগকে আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। চুক্তিটিকে স্বাগত জানিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যও এর প্রতি ওয়াশিংটনের ইতিবাচক মনোভাবের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সৌদি–পাকিস্তান–তুরস্কের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি ‘ওয়াও’: ট্রাম্প