বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিলেন বিএনপি নেতা

পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিলেন বিএনপি নেতা

সৌদি আরবে পবিত্র কাবা শরীফের সামনে দাঁড়িয়ে কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মো. সাদ্দাম হাওলাদার নামে এক বিএনপি নেতা। সাদ্দাম হাওলাদার বর্তমানে জিয়া সাইবার ফোর্সের বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি। একইসঙ্গে বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকেও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক আইডি থেকে পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। একইসঙ্গে ওই ভিডিও'র কমেন্টে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস লিখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেন তিনি।যেটি মুহুর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে। তবে হঠাৎ করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার এমন সিদ্ধান্তের পিছনে কোন রহস্য রয়েছে কিনা, সেই ব্যাপারে সাদ্দাম হোসেনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করায় কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ফেসবুক পোস্টে মো. সাদ্দাম লিখেন, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় বাংলাদেশ, প্রিয় মাতৃভূমি, প্রিয় জন্মভূমি বরিশালের গৌরনদী-আগৈলঝাড়াবাসী আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি সকলে ভালো আছেন, আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ও আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসায় অনেক ভালো আছি। শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ্।  আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে, বাংলাদেশের বৃহত্তম দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত আমি, আমার পরিবার বাবা ও চাচাসহ বংশের ৯০% সকলেই এই দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। আমি, মো. সাদ্দাম হাওলাদার, জাতীয় উপ-নির্বাচন কমিটির (সাবেক) সদস্য ও ৪নং মডেল গৈলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক প্রার্থী ও একজন একটিভ সদস্য এবং বর্তমানে আগৈলঝাড়া উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সহ-সভাপতি দায়িত্বরত অবস্থায় আছি।  বিএনপির এই নেতা বলেন, আপনারা সকলেই জানেন, বর্তমানে আমি একজন সৌদি প্রবাসী ও রেমিটেন্সযোদ্ধা, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতি প্রেক্ষাপটে আমার দ্বারা রাজনীতি করা সম্ভব নয়। আমরা বই পুস্তকে পড়েছিলাম রাজনীতি হল জনগণের সেবা করা, এখন দেখছি ভিন্ন হাজারও কথা/অভিযোগ থাকলেও দলের প্রতি আমার বিন্দু পরিমাণ কোন অভিযোগ নেই। আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবাসি, ভালোবাসি দেশ নায়ক তারেক রহমানের সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে, ভালোবাসি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে।  আমি কোন বড় রাজনীতিবিদ না বা ত্যাগী নেতাকর্মী নয় ,আমার চাইতে হাজারও লক্ষ কোটি নেতাকর্মী এখন দলের কাছে বোঝা ও অবহেলিত। তাই আমি স্ব-সম্মানে সজ্ঞানে বাংলাদেশ নামক সকল রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি এবং পদত্যাগ করলাম। আজকের পর থেকে আমি কোন দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় জানিয়ে সাদ্দাম বলেন, আল্লাহতায়ালার ঘর পবিত্র কাবা শরীফকে সামনে রেখে তওবা করলাম, সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন এবং আমার রাজনৈতিক জীবনে যদি জানা/অজানা কাউকে বিন্দু পরিমাণ কষ্ট দিয়ে থাকি তাহলে আমাকে আপনাদের কারও ছেলে, ভাই, বন্ধু বা সন্তান হিসেবে ক্ষমা করে দিবেন। আমি সকলের কাছে বিনয়ের সঙ্গে মাফ চাই। সবশেষে বিশেষ দ্রষ্টব্য দিয়ে তিনি লিখেন, রাজনীতি ছিল আমার আবেগ ও মনের খোড়াক, ভেবে ছিলাম জনগণের সেবা করবো। তবে সেটা রাজনীতি দিয়ে হইলো না, তবে রাজনীতির বাইরে ওযে মানব সেবা করা যায়, সেটা আমি সাদ্দাম প্রমাণ করে দিবে আল্লাহভরসা। বিগতদিনে যেমন অসহায় হতদরিদ্র মানুষের পাশে সর্বদা ছিলাম, ভবিষ্যতে আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোল্লা বশির আহমেদ পান্না বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তাছাড়া সাদ্দাম হাওলাদার কর্মের সুবাধে দীর্ঘদিন থেকে সৌদি আরবে রয়েছেন। কারও সাথে কোন ধরনের বিরোধ থেকে সাদ্দাম হাওলাদার ক্ষোভের কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কিনা সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তিনি আরও বলেন, পাশাপাশি সাদ্দাম হাওলাদার লিখিতভাবে কোন পদত্যাগপত্র না পাঠিয়ে কি কারণে ফেসবুকে ভিডিও ছেড়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছেন, সে ব্যাপারেও খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।        

অপেক্ষার প্রহর শেষ হচ্ছে কাল, রাষ্ট্রপতি পদে আগাম নাম প্রকাশ করবে না বিএনপি

বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছেন। ইতোমধ্যে মনোনীত প্রার্থীর সম্মতিপত্রে মির্জা ফখরুল স্বাক্ষর করেছেন বলেও সূত্রটি জানিয়েছে।তবে বিএনপি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। এরপরই বিএনপির প্রার্থিতা আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট হবে।দলীয় সূত্র জানায়, বিএনপির স্থায়ী কমিটি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষমতা দলের চেয়ারম্যানের ওপর ন্যস্ত করেছে। এ কারণে আগেভাগে প্রার্থীর নাম প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।এদিকে বিএনপির পক্ষে নির্বাচন কমিশন থেকে দুটি পৃথক মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। একই প্রার্থীর সমর্থনে একাধিক মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ থাকায় কৌশলগত কারণেই একাধিক ফর্ম সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থনপুষ্ট ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নাম ইতোমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের বিশেষ অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের সরাসরি ভোটে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার কথা রয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে অন্য কোনো প্রার্থীকে ভোট দিলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের পদ বাতিল হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান হুইপ।

অপেক্ষার প্রহর শেষ হচ্ছে কাল, রাষ্ট্রপতি পদে আগাম নাম প্রকাশ করবে না বিএনপি