বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
টঙ্গীতে শিশুকে যৌন নিপীড়নের মামলায় মাদ্রাসাশিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

টঙ্গীতে শিশুকে যৌন নিপীড়নের মামলায় মাদ্রাসাশিক্ষকের জামিন নামঞ্জুর

গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি মাদ্রাসার সাত বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার মাদ্রাসাশিক্ষক মুসলিম আহম্মেদের (৩০) জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ রোববার গাজীপুরের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ওমর হায়দার শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গাজীপুর মেট্রোপলিটন আদালতের পরিদর্শক আহসানুল্লাহ চৌধুরী তাঁর জামিন নামঞ্জুর করার বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তার মুসলিম আহম্মেদ টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক। ভুক্তভোগী শিশুটি ওই মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। যৌন নিপীড়নের অভিযোগে গত বুধবার ওই শিক্ষককে মারধর করে পুলিশে দেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। গত বৃহস্পতিবার সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শিক্ষককে আদালতে পাঠানো হয়। একই দিন বিকেলে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এদিকে অভিযোগের তদন্তে গতকাল শনিবার টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার ওই মাদ্রাসা পরিদর্শন করে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজসহ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে পুলিশ। ঘটনার সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের বক্তব্যও নেওয়া হয়। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে শিশুটিকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান। তবে তদন্ত এখনো চলমান। ১৯ অক্টোবর মাদ্রাসার নিচতলার সিঁড়িতে প্রথম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন করা হয় বলে অভিযোগ করে তার পরিবার। ঘটনার পর শিশুটি মাদ্রাসায় যেতে চাইছিল না। পরিবারের সদস্যরা কারণ জানতে চাইলে প্রথমে সে কিছু বলেনি। পরে মা-বাবার জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনা খুলে বলে। এরপর ২১ অক্টোবর (বুধবার) দুপুরে শিশুটির স্বজনেরা মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজনও সেখানে জড়ো হন। এ সময় শিক্ষককে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে শিশুটির বাবা থানায় মামলা করেন। অন্যদিকে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ আলমাছ হোসেনের অভিযোগ, শিশুটির বাবার নেতৃত্বে ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি দল মাদ্রাসায় ঢুকে শিক্ষককে মারধর করেছে। তাঁকে বাঁচাতে গেলে অন্য শিক্ষক-শিক্ষিকা ও নিরাপত্তাকর্মীরাও মারধরের শিকার হন। এ সময় মাদ্রাসার কার্যালয় ভাঙচুর, ১৭ লাখ টাকা ও ৫টি মুঠোফোন লুটের অভিযোগ করেন তিনি। এ নিয়ে থানায় পৃথক অভিযোগ দিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। পরে সংবাদ সম্মেলন করে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন শিশুটির বাবা। তিনি দাবি করেন, মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চাইতে তিনি মাদ্রাসায় গিয়েছিলেন; কোনো ধরনের ‘মব’ সৃষ্টি করতে নয়। মাদ্রাসায় ভাঙচুর ও ১৭ লাখ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। শিক্ষককে মারধরের ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। শিশুকে নিপীড়নের অভিযোগ এবং পরবর্তী সময়ে মাদ্রাসায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের তদন্ত করছে পুলিশ।

মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপিকে ধরে দিল ছাত্রদল নেতা কর্মীরা

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার মো. আজিজুল হক আরজুকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে লালমাটিয়ার মিনা বাজারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার খন্দকার মো. আজিজুল হক আরজু (৬৯) পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ওই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তাঁর বাড়ি পাবনার আমিনপুরের নাটিয়াবাড়ী এলাকায়। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোহাম্মদপুরের লালমাটিয়ায় মিনা বাজারের সামনে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা আরজুকে আটক করেন। পরে তাঁকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আটকের সময় ধস্তাধস্তিতে তিনি সামান্য আঘাত পান। মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ জানিয়েছে, আরজু হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত। আটকের পর তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে পুলিশি প্রহরায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে পাঠানো হয়। ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, স্থানীয় ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের সহযোগিতায় আওয়ামী লীগের সাবেক এই সংসদ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলার বিষয়ে যাচাই-বাছাই ও তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপিকে ধরে দিল ছাত্রদল নেতা কর্মীরা

অপারেশন ডেভিল হান্ট: পিরোজপুরে দুই নারীসহ গ্রেপ্তার ৮

পিরোজপুরের নাজিরপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুই নারীসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাত থেকে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এর আওতায় নাজিরপুর সদর ইউনিয়নের সাতকাছিমা গ্রাম থেকে নওশের হোসেনের মেয়ে কোহিনুর বেগম (৪০) এবং শেখমাটিয়া ইউনিয়নের ষোলশত গ্রাম থেকে অনুজ মজুমদারের স্ত্রী জুঁই মিস্ত্রিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্রীরামকাঠি ইউনিয়নের মধ্য জয়পুর এলাকা থেকে হানিফ শেখের ছেলে মো. রাসেল শেখ (৩৫), নাজিরপুর সদর ইউনিয়নের কাঠালিয়া এলাকা থেকে অহিদুল ইসলামের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন (২০), শ্রীরামকাঠি ইউনিয়নের জয়পুর এলাকা থেকে কামাল হাওলাদারের ছেলে সবুজ হাওলাদার ও আনিসুর রহমানের ছেলে সাইফুল ইসলাম এবং মাটিভাঙা ইউনিয়নের বড়ইবুনিয়া এলাকা থেকে এনামুল হকের ছেলে আনিস শেখকে (৩৩) গ্রেপ্তার করা হয়। নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার আটজনের মধ্যে দুজন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি, দুজন ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত মাদকসেবী, দুজন ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া নারী, একজন নিয়মিত মামলার আসামি এবং একজন পরোয়ানাভুক্ত আসামি রয়েছেন। ওসি আরও বলেন, উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও মাদকমুক্ত করতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অপারেশন ডেভিল হান্ট: পিরোজপুরে দুই নারীসহ গ্রেপ্তার ৮

নড়াইলে শিক্ষার্থীদের ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

নড়াইলে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ধর্ষণের অভিযোগে মাহবুবুর রহমান (২৫) নামে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার মাহবুবুর রহমান নড়াইল সদর উপজেলার মাইজপাড়া ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের আলমগীর সরদারের ছেলে ও নড়াইল পৌরসভার ডুমুরতলা তাফসির উদ্দিন হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক। পুলিশ জানায়, গত ২৭ আগস্ট রাত দেড়টার দিকে ডুমুরতলা তাফসির উদ্দিন হাফেজিয়া মাদ্রাসার এক শিশু শিক্ষার্থী ধর্ষণের শিকার হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরদিন ২৮ আগস্ট ওই ঘটনাটি জানাজানি হয়। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্ত শিক্ষক মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে গতকাল (৫ সেপ্টেম্বর) সদর থানার মামলা করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে গিয়ে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মাদ্রাসার আরও পাঁচ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ পায় পুলিশ। পুলিশ জানায়, মামলা রজুর ১০ ঘণ্টার মধ্যে নড়াইল সদর থানার ওসি (তদন্ত) অজয় কুমার কুন্ডুর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকার গাছা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি মাহবুবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। নড়াইল সদর থানার ওসি (তদন্ত) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

নড়াইলে শিক্ষার্থীদের ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার

লকআপে বসেই ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান, দুই পুলিশকে প্রত্যাহার

সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের পক্ষে মিছিলের প্রস্তুতির সময় আটক ১০ কিশোর-তরুণ থানা হাজতে বসে স্লোগানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানার ভেতরে এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে। ভিডিওটি ‘আজমেরী ওসমান’ নামে একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে। পুলিশি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরা হাজতের ভেতরে মোবাইল ফোন কীভাবে পেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।  এ ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।  তারা হলেন-ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম ও কনস্টেবল জাহাঙ্গীর হোসেন। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে এক তরুণকে কিছু বক্তব্য দেওয়ার পর ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে শোনা যায়। এরপর সেখানে থাকা অন্য তরুণেরাও একই স্লোগান দেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ব্যানারে মিছিলের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।  এর আগে, গ্র্যান্ড চাঁদনী রেস্টুরেন্টের বিপরীতে ঢাকামুখী প্রধান সড়ক থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বয়স ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। তাদের একজন নগরীর পাইকপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং বাকিরা ফতুল্লার বিসিক এলাকার বাসিন্দা। আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মামলা করা হয় এবং রোববার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয় বলেও জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন ফেরদৌস (১৮), আবরার আহম্মেদ (১৮), ইয়াসিন (১৮), রাব্বি (২০), শিমুল (২০) ও নয়ন (১৮)। এ ছাড়া বাকি চারজন অপ্রাপ্তবয়স্ক। সবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়া ও ফতুল্লার পঞ্চবটি বিসিক এলাকায়। ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনটির পক্ষে মিছিলের প্রস্তুতির সময় শনিবার রাতে ওই ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাদের থানার হাজতখানায় রাখা হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী আটকের বিষয়টি অভিভাবকদের ফোন করে জানানোর কথা। ওসি বলেন, থানার হাজতখানায় থাকা অবস্থায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এসআই মনিরুল ইসলাম সরল বিশ্বাসে তাদের মুঠোফোন ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন। কোনো এক ফাঁকে তারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনটির পক্ষে স্লোগান দিয়ে ভিডিও ধারণ করেন এবং তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন। এদিকে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের গতকাল আদালতে হাজির করা হলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয় তাদের। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে তাদের বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ।

লকআপে বসেই ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান, দুই পুলিশকে প্রত্যাহার

বিএনপি কর্মী মকবুল হত্যা মামলায় সাবেক এমপি মিলন গ্রেপ্তার

বিএনপি কর্মী মকবুল হোসেন হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও বাগেরহাট-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আমিরুল আলম মিলনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রুকনুজ্জামান। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপপরিদর্শক মো. তোফাজ্জল হোসেন মিলনকে আদালতে হাজির করে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির এক দফা দাবি আদায়ের কর্মসূচি ঘিরে নেতাকর্মীরা নয়াপল্টনে জড়ো হতে থাকেন। এর আগে ৭ ডিসেম্বর আসামিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। ওই সময় হামলায় বিএনপি কর্মী মকবুল হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে পল্টন মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় আমিরুল আলম মিলন ৯৯ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি। এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আমিরুল আলম মিলনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

বিএনপি কর্মী মকবুল হত্যা মামলায় সাবেক এমপি মিলন গ্রেপ্তার

রাজধানীতে একদিনে গ্রেপ্তার ৪৯৮, মামলা ৪৭

রাজধানীতে গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগে ৪৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এ সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ডিএমপির বিভিন্ন থানায় ৪৭টি মামলা করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।  শুক্রবার (২১ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।  ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৬ জন, লালবাগে ৩১, ওয়ারীতে ৯১, মতিঝিলে ৪৮, তেজগাঁওয়ে ৫১, মিরপুরে ১৩১, গুলশানে ৪৫ এবং উত্তরা বিভাগে ৫৯ জন রয়েছেন। এ ছাড়া ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ চারজন এবং সিটিটিসি বিভাগ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানকালে দুটি দেশি পাইপগান, দুটি কার্তুজ, চারটি চার্জারে ৩৯টি চায়না রাইফেলের গুলি, ১০ হাজার ২৮৭টি ইয়াবা, ১ কেজি ১৫০ গ্রাম গাঁজা ও ৭০ বোতল কফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া একটি চাকু, একটি কাঁচি, একটি ব্লেডের অংশবিশেষ, পাঁচটি মুঠোফোন, নগদ ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৮৭০ টাকা, একটি হাতঘড়ি, ১৫৬টি তাস, একটি ট্রাক, একটি মোটরসাইকেল ও একটি সিপিইউ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।  

রাজধানীতে একদিনে গ্রেপ্তার ৪৯৮, মামলা ৪৭

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০৬

রাজধানীতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন থানায় ৫৫টি মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২৫ জন, লালবাগে ৪৫, ওয়ারীতে ৬৫, মতিঝিলে ৪৭, তেজগাঁওয়ে ৪১, মিরপুরে ১২০, গুলশানে ৯৩ এবং উত্তরা বিভাগে ৬৩ জন রয়েছেন। এ ছাড়া গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানে দুটি সুইচ গিয়ার, ২৭ কেজি ৫১০ গ্রাম গাঁজা, ২৩১টি ইয়াবা ও পাঁচ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া একটি এনা বাস, একটি ট্রাক, ১৭টি মোটরসাইকেল ও আটটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। পুলিশ আরও জানায়, অভিযানে ৫৯৭ দশমিক ৭৩ গ্রাম স্বর্ণালংকার, চোরাই হিসেবে দুই লাখ ৬৭ হাজার টাকা এবং চার ভরি ১৫ আনা ৫ রতি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি দুই ভুক্তভোগীকেও উদ্ধার করা হয়েছে। ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে মাদকদ্রব্য ও বিভিন্ন আলামতসহ ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০৬

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৬৪, মামলা ৫২

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ৫২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।ডিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৫ জন, লালবাগে ৪১, ওয়ারীতে ৫৩, মতিঝিলে ৪৮, তেজগাঁওয়ে ৫৮, মিরপুরে ১২৩, গুলশানে ৪৪, উত্তরা বিভাগে ৫৪ এবং গোয়েন্দা বিভাগে আটজন রয়েছেন।অভিযান চলাকালে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া একটি বিদেশি রিভলবার, দুটি সামুরাই, একটি ছুরি এবং একটি আংশিক ব্লেডও উদ্ধার করেছে পুলিশ।মাদকবিরোধী অভিযানে ৮৬ কেজি ৫৯০ গ্রাম গাঁজা, ৩ হাজার ৭৬৩টি ইয়াবা ও ৩ দশমিক ৩৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি এক বোতল বিদেশি মদ ও তিন বোতল দেশি মদ উদ্ধার করা হয়।এদিকে অভিযানে ট্রেনের টয়লেট থেকে চারটি স্টিলের ট্যাপ ও পাঁচটি প্লাস্টিকের ট্যাপ, ১০টি মোবাইল ফোন এবং ২১ দশমিক ২ লিটার ঔষধের কেমিক্যাল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে একজন ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়। ডিএমপি জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত নিয়মিত অভিযানে এসব অস্ত্র, মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তারের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৬৪, মামলা ৫২

রাজধানীতে ফিলিং স্টেশনে ডাকাতি, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৫

রাজধানীর এয়ারপোর্ট এলাকায় একটি ফিলিং স্টেশন থেকে ১ কোটি ২১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ডাকাতির ঘটনায় কয়েকজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। ঢাকা ও আশপাশের কয়েকটি জেলায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।শনিবার (১৫ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানোর কথা রয়েছে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলামের।জানা গেছে, গত রোববার এয়ারপোর্ট এলাকার একটি ফিলিং স্টেশন থেকে ১ কোটি ২১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ডাকাতির ঘটনায় মামলা হয়। মামলাটির তদন্তে নেমে ডিবি রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের কয়েকটি জেলায় অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে।অভিযানে ডাকাতির টাকার বড় একটি অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ডাকাতিতে ব্যবহৃত অস্ত্র, গুলি ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানান, আলোচিত ডাকাতির মামলার তদন্তের অগ্রগতি এবং গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতেই জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

রাজধানীতে ফিলিং স্টেশনে ডাকাতি, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৫

তিন সন্তান রেখে প্রবাসীর টাকা-স্বর্ণালংকার নিয়ে কথিত প্রেমিকসহ লাপাত্তা স্ত্রী

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে মালয়েশিয়াপ্রবাসী এক ব্যক্তির স্ত্রীকে প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্কের জেরে গোপনে তালাক দেওয়ার পর কথিত প্রেমিকের সঙ্গে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় প্রবাসী স্বামীর পাঠানো প্রায় ২০ লাখ টাকা ও ১১ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে ওই নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বুধবার (১২ আগস্ট) আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—আড়াইহাজার পৌরসভার নোয়াপাড়া এলাকার রুমা আক্তার (৩২) ও একই এলাকার কবির হোসেন (৪০)।এ ঘটনায় রুমা আক্তারের স্বামী মনির হোসেনের ভাগনে মো. রিফাত মিয়া (২৪) বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় মামলা করেছেন।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২৫ বছর আগে রুমা আক্তারের সঙ্গে মালয়েশিয়াপ্রবাসী মনির হোসেনের বিয়ে হয়। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। প্রায় চার বছর আগে মনির হোসেন আবার মালয়েশিয়ায় চলে যান। এরপর থেকে তিনি নিয়মিত উপার্জনের টাকা স্ত্রী রুমা আক্তারের কাছে পাঠাতেন।এজাহারে অভিযোগ করা হয়, স্বামী বিদেশে থাকার সুযোগে রুমা আক্তার প্রতিবেশী কবির হোসেনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে গত ২ জানুয়ারি গোপনে মনির হোসেনকে তালাক দেন তিনি। তবে বিষয়টি স্বামীকে না জানিয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখেন এবং জমি কেনার কথা বলে টাকা ও স্বর্ণালংকার নেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।মামলার নথি অনুযায়ী, প্রায় চার বছরে মনির হোসেন স্ত্রীকে প্রায় ২০ লাখ টাকা এবং প্রায় পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার পাঠান। এসব স্বর্ণালংকারের আনুমানিক মূল্য ১১ লাখ টাকা।বাদীর অভিযোগ, গত ৭ আগস্ট রুমা আক্তার ও কবির হোসেন ওই টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বাড়ি থেকে চলে যান। চার দিন পর ১১ আগস্ট সকালে তারা কবির হোসেনের বাড়িতে ফিরে এলে বিষয়টি জানাজানি হয়।স্থানীয়রা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা বিয়ে করেছেন বলে জানান। একই সময় রুমা আক্তার তার প্রবাসী স্বামীকে তালাক দেওয়ার বিষয়টিও প্রকাশ করেন।পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তারা এতে রাজি হননি বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় মামলা বা মীমাংসার চেষ্টা করা হলে বাদী ও রুমা আক্তারের সন্তানদের হত্যার পর লাশ গুম করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।পরে স্থানীয়রা দুজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে আসে। এরপর রিফাত মিয়া বাদী হয়ে মামলা করেন। আড়াইহাজার থানার ওসি মো. সবজেল হোসেন বলেন, মামলার পর রুমা আক্তার ও কবির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিন সন্তান রেখে  প্রবাসীর টাকা-স্বর্ণালংকার নিয়ে কথিত প্রেমিকসহ লাপাত্তা স্ত্রী

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ৩ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তিন হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—জামাল উদ্দিন (৩৯) ও মো. শাহীন আলম (৩৮)। পুলিশের দাবি, তারা চিহ্নিত মাদক কারবারি। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। সিটিটিসি সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিটিটিসির ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগের একটি দল সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাদের কাছ থেকে তিন হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে জামাল উদ্দিন ও শাহীন আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ৩ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

প্রসূতি সেজে নবজাতক চুরির চেষ্টা, স্বামী-স্ত্রী আটক

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রসূতি সেজে নবজাতক চুরির চেষ্টার অভিযোগে এক দম্পতিকে আটক করেছেন হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা। এ সময় তাদের কাছ থেকে নবজাতকটিকে উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন পালিয়ে গেছে।সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রসূতি বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। আটকরা হলেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফাঁসিতলা গ্রামের মৃত ভোলা মিয়ার ছেলে সিরাজুল ইসলাম ও তার স্ত্রী শেফালী বেগম।হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে তালুককানুপুর ইউনিয়নের সমসপাড়া গ্রামের জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী রুপালী বেগম সন্তান প্রসবের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে তিনি একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দেন। প্রসবের পর নবজাতককে কোলে নিয়ে প্রসূতি বিভাগের ভেতরে অবস্থান করছিলেন শিশুটির দাদি জয়গুন বেওয়া।এ সময় পাশের একটি বেডে থাকা শেফালী বেগম শিশুটিকে কোলে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সরল বিশ্বাসে জয়গুন বেওয়া শিশুটিকে তার কোলে তুলে দেন। কিছুক্ষণ শিশুটিকে আদর করার পর দাদি চিকিৎসকের কাছে যান। এই সুযোগে শেফালী শিশুটিকে কোলে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। তার সঙ্গে ছিলেন স্বামী সিরাজুল ইসলাম।বিষয়টি বুঝতে পেরে জয়গুন বেওয়া চিৎকার শুরু করেন। পরে হাসপাতালের নিচে গিয়ে দেখতে পান, শেফালীসহ কয়েকজন শিশুটিকে নিয়ে দ্রুত বের হওয়ার চেষ্টা করছেন। তার চিৎকার শুনে হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মীরা এগিয়ে গিয়ে নবজাতকসহ শেফালী ও সিরাজুলকে আটক করেন। তবে তাদের সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন পালিয়ে যায়।হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী লাল মিয়া বলেন, চিৎকার শুনে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নবজাতকসহ ওই নারী ও তার স্বামীকে আটক করেন। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দম্পতির সঙ্গে শিশু চুরির একটি চক্রের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। শেফালী বেগম প্রসূতি সেজে হাসপাতালে প্রবেশ করেছিলেন বলেও প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। তার শরীরে বাঁধা অবস্থায় অতিরিক্ত কাপড় পাওয়া গেছে। ওই কাপড় ব্যবহার করে পেট উঁচু করে তাকে প্রসূতি সাজানো হয়েছিল বলে জানা গেছে।ঘটনার পর হাসপাতালের রোগী ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।গোবিন্দগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার বলেন, ‘নবজাতকসহ আটক দুজনকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

প্রসূতি সেজে নবজাতক চুরির চেষ্টা, স্বামী-স্ত্রী আটক

চট্টগ্রামে চোরাই স্বর্ণ বিক্রির ১৫ লাখ টাকাসহ তিনজন গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের আকবরশাহ থানার একটি চুরির মামলায় অভিযান চালিয়ে চোরাই স্বর্ণ বিক্রির নগদ ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৮০০ টাকা ও স্বর্ণের ওজন মাপার একটি ডিজিটাল নিক্তিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শনিবার (৮ আগস্ট) নগরের কোতোয়ালি থানাধীন হাজারী গলিসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সেতু দাস প্রকাশ সালাউদ্দিন (৪৩), মোহাম্মদ আলী (৪৩) ও দেবব্রত বণিক প্রকাশ বলাই বণিক (৩৭)।সেতু দাসের বাড়ি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার বড় উঠান এলাকায়। মোহাম্মদ আলীর বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় এবং দেবব্রত বণিক প্রকাশ বলাই বণিকের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায়।চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী কমিশনার আমিনুর রশিদ জানান, আকবরশাহ থানার একটি চুরির মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে চোরাই স্বর্ণ বিক্রির নগদ টাকা ও স্বর্ণের ওজন মাপার ডিজিটাল নিক্তি উদ্ধার করা হয়।তিনি বলেন, গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে চোরাই স্বর্ণ বিক্রির ১৫ লাখ টাকাসহ তিনজন গ্রেপ্তার