বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০৫

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০৫

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০৫ জনকে গ্রেফতার এবং ১৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।  রবিবার ডিএমপি’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে রমনা বিভাগ ৩৮, লালবাগ বিভাগ ৫৭, ওয়ারী বিভাগ ৫৩, মতিঝিল বিভাগ ৪০, তেজগাঁও বিভাগ ৬৬, মিরপুর বিভাগ ১২৭, গুলশান বিভাগ ৫০, উত্তরা বিভাগ ৬৭ ও গোয়েন্দা বিভাগ বিভাগ সাতজনকে গ্রেফতার করেছে।  অভিযানকালে ২ হাজার ৫৮২ পিস ইয়াবা, ৩৯ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, আটটি মোবাইলফোন, নগদ ২৪ হাজার ৭০০ টাকা এবং একজন ভিকটিম উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫২৩

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫২৩ জন গ্রেফতার হয়েছে। একই সময়ে ৪০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। ডিএমপি জানায়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ ৩৬ জন, লালবাগ বিভাগ ৫৯ জন, ওয়ারী বিভাগ ৭৫ জন, মতিঝিল বিভাগ ৮২ জন, তেজগাঁও বিভাগ ৭৯ জন, মিরপুর বিভাগ ৯০ জন, গুলশান বিভাগ ৪৭ জন, উত্তরা বিভাগ ৪৩ জন, গোয়েন্দা বিভাগ ১১ জন ও সিটিটিসি ১ জনকে গ্রেফতার করেছে।  অভিযানকালে ৭৫ কেজি ২৫০ গ্রাম গাঁজা, ১৪৪২ পিস ইয়াবা, ৭ গ্রাম হেরোইন, ২ ক্যান বিয়ার, ১টি কাভার্ডভ্যান, ২টি মোটরসাইকেল, ৯টি মোবাইল, একজন ভিকটিম ও নগদ ২ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। বিডি-প্রতিদিন/টিএ

ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫২৩

কেন ঢাকার নতুন প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠছে বনশ্রী

ঢাকার এক কোণে অবস্থিত মেরাদিয়া। একসময় নদী-খাল আর গ্রামীণ পরিবেশে ঘেরা এই অঞ্চল ছিল অনেকটাই নিভৃত জনপদ। সময়ের সঙ্গে মেরাদিয়ার কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠে বনশ্রী আবাসিক এলাকা। বিশেষ করে বনশ্রী অ্যাভিনিউর ১, ২, ৩, ৪, ৫ ও ৮ নম্বর সড়ক এবং রামপুরা-স্টাফ কোয়ার্টার সংলগ্ন এলাকায় এখন আধুনিক নগরজীবনের ছোঁয়া।তবে এই পরিবর্তনের ইতিহাস খুব বেশি দিনের নয়। মেরাদিয়া বাজারের ইতিহাস প্রায় ১৫০ বছরের পুরোনো। একসময় বালু নদসংলগ্ন এই হাট ছিল বেশ জমজমাট। নদীপথে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ীরা শাকসবজি, মাছসহ নানা গৃহস্থালি পণ্য নিয়ে আসতেন এখানে।গত দেড় দশকে বনশ্রী ও মেরাদিয়া এলাকায় এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন। আবাসিক এলাকার পাশাপাশি গড়ে উঠেছে শপিং, খাবার, বিনোদন ও জীবনযাপনকেন্দ্রিক নানা প্রতিষ্ঠান। কেনাকাটার নতুন কেন্দ্রবনশ্রী অ্যাভিনিউ ৮ এখন কেনাকাটার অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। এখানে রয়েছে দেশের অন্যতম পরিচিত ফ্যাশন হাউস আড়ং। পাশাপাশি এই সড়কে শোরুম গড়ে তুলেছে ক্ল্যাসিক্যাল সোল, টুয়েলভ ক্লদিং, আনজার, ইলিয়েন ও আমব্রেলার মতো বিভিন্ন লাইফস্টাইল ও পোশাকের ব্র্যান্ড।রূপচর্চার জন্যও গড়ে উঠেছে বেশ কিছু পারলার।বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তরুণী সফুরা আফরিন বলেন, আড়ং বা ইলিয়েনের মতো ফ্যাশন ব্র্যান্ডের উপস্থিতি থেকে বোঝা যায়, এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান ও ক্রয়ক্ষমতায় পরিবর্তন এসেছে। একই এলাকায় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুম থাকায় কেনাকাটার সময় ও পরিশ্রম দুটোই কমে।এলাকার কয়েকটি ভবনে নতুন করে রং করার কাজও দেখা গেছে। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ক্লাবহাউসসহ কয়েকটি ব্র্যান্ড সেখানে নতুন স্টোর চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে।ফিটনেস ও বিনোদনের জায়গাবনশ্রীর ১ ও ৩ নম্বর সড়কের কাছাকাছি রয়েছে বনশ্রী প্লেগ্রাউন্ড। শিশুদের খেলাধুলার পাশাপাশি প্রাতর্ভ্রমণকারীদের হাঁটার জন্যও এটি ব্যবহৃত হয়।এর আশপাশে তরুণদের শরীরচর্চার জন্য রয়েছে স্ট্রং ফিটনেস জিম ও টার্ফ রিপাবলিক। সন্ধ্যার পর টার্ফ রিপাবলিকে তরুণদের সিক্স-আ-সাইড ফুটবল ম্যাচও দেখা যায়। শিশুদের জন্য রয়েছে বাবুল্যান্ডের মতো বিনোদনকেন্দ্র।সরকারি কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম বলেন, ব্যস্ত নগরজীবনে খেলার মাঠ, আধুনিক জিমনেসিয়াম ও শিশুদের বিনোদনের জায়গা অত্যন্ত প্রয়োজন। বনশ্রীর অ্যাভিনিউসংলগ্ন এসব স্পোর্টস হাব ও জিম তরুণদের শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে ভূমিকা রাখছে।ঐতিহ্যবাহী কাঁচাবাজার ও মেরাদিয়ার হাটবনশ্রী অ্যাভিনিউ ৮ ও রামপুরা-স্টাফ কোয়ার্টার সড়কসংলগ্ন কাঁচাবাজারের পরিচিতি বনশ্রী ও আশপাশের এলাকাজুড়ে। প্রতিদিনের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি তাজা শাকসবজি, মাছ, মাংস ও গৃহস্থালি পণ্যের জন্যও বাজারটির বেশ সুনাম রয়েছে।বিশেষ করে প্রতি বুধবার এখানে বসে ঐতিহ্যবাহী মেরাদিয়ার হাট।বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ডি এম রুম্মান বলেন, তিনি নিয়মিত এই হাটে কেনাকাটা করতে আসেন। প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে কৃষকেরা শাকসবজি, হাঁস-মুরগি ও মাছ নিয়ে সরাসরি হাটে আসেন। এতে তুলনামূলক কম দামে তাজা পণ্য পাওয়া যায় বলে জানান তিনি।ভোজনরসিকদের নতুন গন্তব্যশুধু কেনাকাটা কিংবা বিনোদন নয়, খাবারের জন্যও দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বনশ্রী। রামপুরা খালসংলগ্ন এলাকা থেকে ভূঁইয়াপাড়া মেইন রোড এবং অ্যাভিনিউ ২, ৩, ৪, ৫ ও ৮ নম্বর সড়কজুড়ে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন খাবারের দোকান, ক্যাফে ও রেস্তোরাঁ।এলাকায় রয়েছে আনন্দ বেকারি, টেস্টি ট্রিট, মিঠাই, পুষ্টি ডেইরি, কাবুলিওয়ালা, সিপি ফাইভ স্টার, ওয়াফল অ্যান্ড বানস ও লো ডেলিশিয়ার মতো বিভিন্ন খাবারের ব্র্যান্ড। পাশাপাশি রয়েছে তেহারি ভাই, মেহেক বিরিয়ানি ও আল্লাহর দান বিরিয়ানি হাউসের মতো খাবারের দোকান।স্থানীয় এসব খাবারের পাশাপাশি মেক্সিকান, আফগান ও বিভিন্ন বেকারি আইটেমের স্বাদ নিতে প্রতিদিন সন্ধ্যায় তরুণ-তরুণী ও পরিবারগুলোর ভিড় বাড়ে।তরুণ পেশাজীবী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আগে ভালো খাবার খেতে বা প্রিয়জনের সঙ্গে আড্ডা দিতে ধানমন্ডি কিংবা গুলশানের বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় যেতে হতো। এখন বনশ্রীতেই বিভিন্ন ধরনের খাবার ও আড্ডার জায়গা পাওয়া যাচ্ছে।একসময় নদী-খালঘেরা গ্রামীণ জনপদ মেরাদিয়া এখন আধুনিক আবাসিক এলাকা বনশ্রীর সঙ্গে মিশে তৈরি করেছে নতুন এক নগরচিত্র। পুরোনো হাটের ঐতিহ্য ধরে রেখেই এখানে যুক্ত হয়েছে ব্র্যান্ডের শোরুম, রেস্তোরাঁ, জিম, খেলার মাঠ ও বিনোদনকেন্দ্র। ফলে মেরাদিয়া-বনশ্রী এখন শুধু বসবাসের এলাকা নয়, বরং ঢাকার ব্যস্ত নগরজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।

কেন ঢাকার নতুন প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠছে বনশ্রী

রায়েরবাজারে ৬ গ্যারেজের চারটিতেই অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, গ্রেপ্তার ১

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থান এলাকায় ছয়টি অটোরিকশা গ্যারেজে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ট্রাফিক ও ক্রাইম ইউনিট। চারটি গ্যারেজে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ থাকার অভিযোগে একটি গ্যারেজের মালিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ট্রাফিক তেজগাঁও বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি ও অন্যান্য সংস্থা সমন্বিতভাবে অংশ নেয়। এ ছাড়া মোহাম্মদপুর ট্রাফিক জোনের ২০ জন সদস্য অভিযানে অংশ নেন। ছয়টি গ্যারেজের মধ্যে দুটি গ্যারেজে বিদ্যুৎ সংযোগ সঠিক পাওয়া গেলেও বাকি চারটিতে চুরি করে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে ট্রাফিক তেজগাঁও বিভাগ। রায়েরবাজার এলাকার গ্যারেজগুলোতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে রবিউল নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। চোরাই বিদ্যুৎ লাইনের সরবরাহকারী হিসেবে অভিযুক্ত রবিউলকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে ডিএমপি।

রায়েরবাজারে ৬ গ্যারেজের চারটিতেই অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, গ্রেপ্তার ১

সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। অধিবেশন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছে ডিএমপি।  আজ বুধবার রাত ১২টা থেকে অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। সোমবার ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার থেকে অনুষ্ঠেয় অধিবেশন যাতে নির্বিঘ্নে চলে তা নিশ্চিতে জাতীয় সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় এ নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত এলাকায় সব ধরনের অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য বহন এবং যেকোনো ধরনের সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ থাকবে। যেসব এলাকায় নিষেধাজ্ঞা  নিষেধাজ্ঞার আওতার মধ্যে পড়েছে ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরাতন বিমানবন্দর হয়ে বাংলামোটর ক্রসিং পর্যন্ত; বাংলামোটর লিংক রোডের পশ্চিম প্রান্ত থেকে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত; পান্থপথের পূর্ব প্রান্ত থেকে গ্রিন রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত। এ ছাড়া মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় থেকে ধানমন্ডি ১৬ (পুরনো ২৭) নম্বর সড়কের সংযোগস্থল, রোকেয়া সরণির সংযোগস্থল থেকে পুরাতন নবম ডিভিশন (উত্তরা জাহাজ) ক্রসিং হয়ে বিজয় সরণি পর্যটন ক্রসিং, ইন্দিরা রোডের পূর্ব প্রান্ত থেকে মানিক মিয়া অ্যাভেনিউয়ের পশ্চিম প্রান্ত, জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা এবং এসব সীমানার মধ্যে থাকা সব রাস্তা ও গলিপথ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে।

সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

ঢামেকে ফেলে যাওয়া কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত, গ্রেফতার ৩

রাজধানীর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। নিহত কিশোরীর নাম মিম আক্তার (১৫)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান। গ্রেফতাররা হলেন এ বি এম আব্দুর রাজ্জাক (৪৭), মো: ফয়সল আহমেদ (৩৫) ও রাহেমা খাতুন রেশমা (২৯)। নিয়াজ মেহেদী জানান, গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় বৃহস্পতিবার ভোর ৫টা ১০ মিনিটে রাজধানীর ডেমরা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বুধবার ১২ আগস্ট ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এক কিশোরীর লাশ ফেলে চলে যায় অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। পরে শাহবাগ থানায় খবর দেয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহত কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত করা হয়। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে শাহবাগ থানা পুলিশের একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) শাহবাগ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অপরাধ আড়াল করার উদ্দেশ্যে আসামিরা মিম আক্তারের লাশ হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। গ্রেফতার এড়াতে তারা নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকার বাসা ছেড়ে রাতারাতি সপরিবারে অন্যত্র আত্মগোপন করে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ঢামেকে ফেলে যাওয়া কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত, গ্রেফতার ৩

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০৬

রাজধানীতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন থানায় ৫৫টি মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২৫ জন, লালবাগে ৪৫, ওয়ারীতে ৬৫, মতিঝিলে ৪৭, তেজগাঁওয়ে ৪১, মিরপুরে ১২০, গুলশানে ৯৩ এবং উত্তরা বিভাগে ৬৩ জন রয়েছেন। এ ছাড়া গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানে দুটি সুইচ গিয়ার, ২৭ কেজি ৫১০ গ্রাম গাঁজা, ২৩১টি ইয়াবা ও পাঁচ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া একটি এনা বাস, একটি ট্রাক, ১৭টি মোটরসাইকেল ও আটটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। পুলিশ আরও জানায়, অভিযানে ৫৯৭ দশমিক ৭৩ গ্রাম স্বর্ণালংকার, চোরাই হিসেবে দুই লাখ ৬৭ হাজার টাকা এবং চার ভরি ১৫ আনা ৫ রতি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি দুই ভুক্তভোগীকেও উদ্ধার করা হয়েছে। ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত এসব অভিযানে মাদকদ্রব্য ও বিভিন্ন আলামতসহ ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫০৬

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৬৪, মামলা ৫২

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ৫২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।ডিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৫ জন, লালবাগে ৪১, ওয়ারীতে ৫৩, মতিঝিলে ৪৮, তেজগাঁওয়ে ৫৮, মিরপুরে ১২৩, গুলশানে ৪৪, উত্তরা বিভাগে ৫৪ এবং গোয়েন্দা বিভাগে আটজন রয়েছেন।অভিযান চলাকালে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া একটি বিদেশি রিভলবার, দুটি সামুরাই, একটি ছুরি এবং একটি আংশিক ব্লেডও উদ্ধার করেছে পুলিশ।মাদকবিরোধী অভিযানে ৮৬ কেজি ৫৯০ গ্রাম গাঁজা, ৩ হাজার ৭৬৩টি ইয়াবা ও ৩ দশমিক ৩৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি এক বোতল বিদেশি মদ ও তিন বোতল দেশি মদ উদ্ধার করা হয়।এদিকে অভিযানে ট্রেনের টয়লেট থেকে চারটি স্টিলের ট্যাপ ও পাঁচটি প্লাস্টিকের ট্যাপ, ১০টি মোবাইল ফোন এবং ২১ দশমিক ২ লিটার ঔষধের কেমিক্যাল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে একজন ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়। ডিএমপি জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত নিয়মিত অভিযানে এসব অস্ত্র, মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তারের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৬৪, মামলা ৫২

উত্তরায় ফিলিং স্টেশনের টাকা ডাকাতি, গ্রেফতার ৫

রাজধানীর উত্তরায় ফিলিং স্টেশনের বিক্রয়লব্ধ ১ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা দিতে যাওয়ার পথে ডাকাতির ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও উত্তরা ক্রাইম বিভাগের যৌথ দল।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ইলিয়াস শিকদার (৩৬), জাফর (৩৬), রবিউল ইসলাম ওরফে রুবেল (৩৪), মিন্টু রাড়ী (২৩) ও সাগর বাড়ৈ (৪০)।ডিএমপি জানায়, গত ৯ আগস্ট সকালে উত্তরা পূর্ব থানার ডিএল ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আব্দুল করিমসহ চারজন ১ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা দিতে যাচ্ছিলেন। বিমানবন্দর থানার ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের ক্রাউন প্লাজার কাছে বিআরটি লেনে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আসা একদল ডাকাত তাদের পথরোধ করে। অস্ত্র ও চাপাতি দিয়ে ভয় দেখিয়ে এবং আঘাত করে টাকা লুট করে পালিয়ে যায়।ঘটনার তদন্তে নেমে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে ইলিয়াস শিকদার ও জাফরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত ১২ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া চারটি ৭.৬৫ মি.মি. পিস্তল, ছয়টি ম্যাগাজিন, ২১ রাউন্ড গুলি, র‌্যাবের ভুয়া পরিচয়পত্র ও পোশাক, ওয়াকিটকি, হাতকড়া, বিভিন্ন নম্বর প্লেট এবং একটি মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। ডিএমপি জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তারদের ডাকাতির ঘটনায় সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত বাকি টাকা উদ্ধারে অভিযান চলছে।

উত্তরায় ফিলিং স্টেশনের টাকা ডাকাতি, গ্রেফতার ৫

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ৩ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তিন হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—জামাল উদ্দিন (৩৯) ও মো. শাহীন আলম (৩৮)। পুলিশের দাবি, তারা চিহ্নিত মাদক কারবারি। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। সিটিটিসি সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিটিটিসির ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগের একটি দল সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাদের কাছ থেকে তিন হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে জামাল উদ্দিন ও শাহীন আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ৩ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

রাজধানীতে কালো ধোঁয়া নির্গমনে ৯১৫ মামলা, সবচেয়ে বেশি মতিঝিলে

রাজধানীতে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে গত জুলাই মাসে ৯১৫টি মামলা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মুখপাত্র অতিরিক্ত উপকমিশনার নিয়াজ মেহেদী।ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ জানায়, পরিবেশ দূষণ রোধ ও যানবাহন থেকে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমন বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় জুলাই মাসে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে কালো ধোঁয়া নির্গমনের দায়ে এসব মামলা করা হয়।ডিএমপির আটটি ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে মতিঝিল বিভাগে। সেখানে ৩৫৪টি মামলা করা হয়েছে।এ ছাড়া রমনা বিভাগে ৩৪টি, লালবাগে ৪টি, ওয়ারীতে ১৭২টি, তেজগাঁওয়ে ১৩১টি, মিরপুরে ৩৬টি, উত্তরা বিভাগে ১২৮টি এবং গুলশান বিভাগে ৫৬টি মামলা করা হয়েছে।ডিএমপি জানিয়েছে, পরিবেশ দূষণ রোধে অতিরিক্ত কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

রাজধানীতে কালো ধোঁয়া নির্গমনে ৯১৫ মামলা, সবচেয়ে বেশি মতিঝিলে

পল্লবীতে আবার গুলিতে আহত দুজন, মাদক কারবারের জের ধারণা পুলিশের

রাজধানীর পল্লবীতে চলন্ত গাড়ি থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আলমগীর হোসেন (৪৫) ও জ্যোৎস্না নামের এক পথচারী নারী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আলমগীরের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে আলমগীরকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ল্যাংড়া রুবেল ও মুসলিম নামের দুজনের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশ বলছে, তারা এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। তবে ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে পল্লবী থানার সেকশন-১১, ব্লক-বি, লাইন-২-এর ২৬ নম্বর বাসার সামনে ইমনের চায়ের দোকানের কাছে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি চলন্ত প্রাইভেটকার থেকে আলমগীরকে লক্ষ্য করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। এতে তাঁর মাথা, পেট ও নিতম্বসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি লাগে। এ সময় পাশ দিয়ে যাওয়া জ্যোৎস্না নামের এক নারীও গুলিবিদ্ধ হন।পরে আলমগীরকে প্রথমে পল্লবীর ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।আলমগীরের চাচা মো. আশিক জানান, আলমগীরের বাসা মিরপুর সেকশন-১১-এর ৩ নম্বর রোডে। তিনি ঢাকার নবাবগঞ্জ থানা বিএনপির সদস্য এবং পেশায় মাছ ব্যবসায়ী।আশিকের দাবি, বিকেলে মিল্লাত ক্যাম্পের সামনে একটি প্রাইভেটকারে চারজন ব্যক্তি এসে আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত চলে যান। এতে আলমগীরের মাথার ডান পাশ, পেটের ডান পাশ ও নিতম্বে গুলি লাগে।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, আলমগীর নামের একজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন। তাঁর মাথাসহ শরীরের কয়েকটি স্থানে গুলি লেগেছে। জরুরি বিভাগে তাঁর চিকিৎসা চলছে।পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশীর বলেন, ‘একটি গাড়ি থেকে দুর্বৃত্তরা তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে। প্রাথমিকভাবে মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হামলার পেছনের কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত চলছে।’ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোস্তাক সরকার বলেন, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।এদিকে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে পল্লবী ও আশপাশের এলাকায় আবারও গুলির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর আগে গত মাসে মিরপুরের কাফরুলে ভাড়াটে শ্যুটারদের গুলিতে যুবদল কর্মী ইউসুফ নিহত হন।ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ডিবি ও মিরপুর মডেল থানা-পুলিশ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আটজনকে গ্রেপ্তার করে।ডিবির তদন্ত অনুযায়ী, কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবুকে হত্যার জন্য একই থানার স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান হাফিজ ওরফে সিএনজি হাফিজ ভাড়াটে শ্যুটার নিয়োগ করেছিলেন। তবে ওই হামলায় বাবু বেঁচে গেলেও গুলিতে ইউসুফ নিহত হন। আহত হন সবজি বিক্রেতা নালাম সরদার ও মনির হোসেন।ডিবির ভাষ্য, হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ঢাকার বাইরে থেকে শ্যুটার এনে ২৫ লাখ টাকায় ভাড়া করা হয়েছিল। গ্রেপ্তার আটজনের মধ্যে চারজন সরাসরি গুলি চালান এবং বাকিরা সহযোগী হিসেবে কাজ করেন।

পল্লবীতে আবার গুলিতে আহত দুজন, মাদক কারবারের জের ধারণা পুলিশের

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার আরও ৪১৮

রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে অস্ত্র, গুলি, মাদকসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ৬৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।ডিএমপির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২৩ জন, লালবাগে ৪৩ জন, ওয়ারীতে ৪২ জন, মতিঝিলে ৪৮ জন, তেজগাঁওয়ে ৫৭ জন, মিরপুরে ১৩৫ জন, গুলশানে ৩০ জন এবং উত্তরা বিভাগে ৪০ জন রয়েছেন।অভিযানে গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে ৩টি বিদেশি পিস্তল, ৫টি ম্যাগাজিন, ৩৮ রাউন্ড গুলি, একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি সুইচ গিয়ার, বিস্ফোরিত ককটেলের অংশবিশেষ, ৪ হাজার ৪৩৯টি ইয়াবা এবং ১ কেজি ১১০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।এ ছাড়া ২টি কাঁধের ব্যাগ, ৩টি ওয়াকিটকি, ২টি চার্জার, একটি হাইয়েস মাইক্রোবাস, ৯টি মোবাইল ফোন, ৩৭২টি সিম কার্ড, ৩টি তাসের বান্ডিল, ২টি পুরোনো ও ছেঁড়া লাল-সবুজ চেকের বিছানার চাদর এবং নগদ ২৪ হাজার ৮৫০ টাকা জব্দ করা হয়েছে। ডিএমপি আরও জানায়, অভিযানের সময় দুজন ভুক্তভোগীকেও উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার আরও ৪১৮