রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপিকে ধরে দিল ছাত্রদল নেতা কর্মীরা

মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপিকে ধরে দিল ছাত্রদল নেতা কর্মীরা

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার মো. আজিজুল হক আরজুকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে লালমাটিয়ার মিনা বাজারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার খন্দকার মো. আজিজুল হক আরজু (৬৯) পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ওই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তাঁর বাড়ি পাবনার আমিনপুরের নাটিয়াবাড়ী এলাকায়। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোহাম্মদপুরের লালমাটিয়ায় মিনা বাজারের সামনে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতা কর্মীরা আরজুকে আটক করেন। পরে তাঁকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আটকের সময় ধস্তাধস্তিতে তিনি সামান্য আঘাত পান। মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ জানিয়েছে, আরজু হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত। আটকের পর তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে পুলিশি প্রহরায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে পাঠানো হয়। ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, স্থানীয় ছাত্রদলের নেতা কর্মীদের সহযোগিতায় আওয়ামী লীগের সাবেক এই সংসদ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলার বিষয়ে যাচাই-বাছাই ও তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রায়েরবাজারে ৬ গ্যারেজের চারটিতেই অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, গ্রেপ্তার ১

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থান এলাকায় ছয়টি অটোরিকশা গ্যারেজে অভিযান চালিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ট্রাফিক ও ক্রাইম ইউনিট। চারটি গ্যারেজে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ থাকার অভিযোগে একটি গ্যারেজের মালিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ট্রাফিক তেজগাঁও বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি ও অন্যান্য সংস্থা সমন্বিতভাবে অংশ নেয়। এ ছাড়া মোহাম্মদপুর ট্রাফিক জোনের ২০ জন সদস্য অভিযানে অংশ নেন। ছয়টি গ্যারেজের মধ্যে দুটি গ্যারেজে বিদ্যুৎ সংযোগ সঠিক পাওয়া গেলেও বাকি চারটিতে চুরি করে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে ট্রাফিক তেজগাঁও বিভাগ। রায়েরবাজার এলাকার গ্যারেজগুলোতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে রবিউল নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। চোরাই বিদ্যুৎ লাইনের সরবরাহকারী হিসেবে অভিযুক্ত রবিউলকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে ডিএমপি।

রায়েরবাজারে ৬ গ্যারেজের চারটিতেই অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, গ্রেপ্তার ১

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৬৪, মামলা ৫২

রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ৫২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।ডিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৫ জন, লালবাগে ৪১, ওয়ারীতে ৫৩, মতিঝিলে ৪৮, তেজগাঁওয়ে ৫৮, মিরপুরে ১২৩, গুলশানে ৪৪, উত্তরা বিভাগে ৫৪ এবং গোয়েন্দা বিভাগে আটজন রয়েছেন।অভিযান চলাকালে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও তিন রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া একটি বিদেশি রিভলবার, দুটি সামুরাই, একটি ছুরি এবং একটি আংশিক ব্লেডও উদ্ধার করেছে পুলিশ।মাদকবিরোধী অভিযানে ৮৬ কেজি ৫৯০ গ্রাম গাঁজা, ৩ হাজার ৭৬৩টি ইয়াবা ও ৩ দশমিক ৩৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি এক বোতল বিদেশি মদ ও তিন বোতল দেশি মদ উদ্ধার করা হয়।এদিকে অভিযানে ট্রেনের টয়লেট থেকে চারটি স্টিলের ট্যাপ ও পাঁচটি প্লাস্টিকের ট্যাপ, ১০টি মোবাইল ফোন এবং ২১ দশমিক ২ লিটার ঔষধের কেমিক্যাল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে একজন ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়। ডিএমপি জানায়, রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত নিয়মিত অভিযানে এসব অস্ত্র, মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তারের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৬৪, মামলা ৫২

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ৩ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে তিন হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—জামাল উদ্দিন (৩৯) ও মো. শাহীন আলম (৩৮)। পুলিশের দাবি, তারা চিহ্নিত মাদক কারবারি। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ডিএমপি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। সিটিটিসি সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিটিটিসির ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগের একটি দল সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাদের কাছ থেকে তিন হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে জামাল উদ্দিন ও শাহীন আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ৩ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

পল্লবীতে আবার গুলিতে আহত দুজন, মাদক কারবারের জের ধারণা পুলিশের

রাজধানীর পল্লবীতে চলন্ত গাড়ি থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আলমগীর হোসেন (৪৫) ও জ্যোৎস্না নামের এক পথচারী নারী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত দুজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আলমগীরের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে আলমগীরকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ল্যাংড়া রুবেল ও মুসলিম নামের দুজনের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশ বলছে, তারা এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। তবে ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে পল্লবী থানার সেকশন-১১, ব্লক-বি, লাইন-২-এর ২৬ নম্বর বাসার সামনে ইমনের চায়ের দোকানের কাছে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি চলন্ত প্রাইভেটকার থেকে আলমগীরকে লক্ষ্য করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। এতে তাঁর মাথা, পেট ও নিতম্বসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি লাগে। এ সময় পাশ দিয়ে যাওয়া জ্যোৎস্না নামের এক নারীও গুলিবিদ্ধ হন।পরে আলমগীরকে প্রথমে পল্লবীর ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।আলমগীরের চাচা মো. আশিক জানান, আলমগীরের বাসা মিরপুর সেকশন-১১-এর ৩ নম্বর রোডে। তিনি ঢাকার নবাবগঞ্জ থানা বিএনপির সদস্য এবং পেশায় মাছ ব্যবসায়ী।আশিকের দাবি, বিকেলে মিল্লাত ক্যাম্পের সামনে একটি প্রাইভেটকারে চারজন ব্যক্তি এসে আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে দ্রুত চলে যান। এতে আলমগীরের মাথার ডান পাশ, পেটের ডান পাশ ও নিতম্বে গুলি লাগে।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, আলমগীর নামের একজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন। তাঁর মাথাসহ শরীরের কয়েকটি স্থানে গুলি লেগেছে। জরুরি বিভাগে তাঁর চিকিৎসা চলছে।পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশীর বলেন, ‘একটি গাড়ি থেকে দুর্বৃত্তরা তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে। প্রাথমিকভাবে মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হামলার পেছনের কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত চলছে।’ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোস্তাক সরকার বলেন, ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।এদিকে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে পল্লবী ও আশপাশের এলাকায় আবারও গুলির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর আগে গত মাসে মিরপুরের কাফরুলে ভাড়াটে শ্যুটারদের গুলিতে যুবদল কর্মী ইউসুফ নিহত হন।ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ডিবি ও মিরপুর মডেল থানা-পুলিশ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আটজনকে গ্রেপ্তার করে।ডিবির তদন্ত অনুযায়ী, কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবুকে হত্যার জন্য একই থানার স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান হাফিজ ওরফে সিএনজি হাফিজ ভাড়াটে শ্যুটার নিয়োগ করেছিলেন। তবে ওই হামলায় বাবু বেঁচে গেলেও গুলিতে ইউসুফ নিহত হন। আহত হন সবজি বিক্রেতা নালাম সরদার ও মনির হোসেন।ডিবির ভাষ্য, হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ঢাকার বাইরে থেকে শ্যুটার এনে ২৫ লাখ টাকায় ভাড়া করা হয়েছিল। গ্রেপ্তার আটজনের মধ্যে চারজন সরাসরি গুলি চালান এবং বাকিরা সহযোগী হিসেবে কাজ করেন।

পল্লবীতে আবার গুলিতে আহত দুজন, মাদক কারবারের জের ধারণা পুলিশের

গাজীপুরে প্রায় ৮০০ কারখানায় ৩ দিনের ছুটি, সড়কে ‘ঈদযাত্রার’ চাপ

গ্যাস সরবরাহ সংকট ও সরকারি ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে গাজীপুরের প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ শিল্পকারখানায় টানা ৩ থেকে ৪ দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ঢাকা–ময়মনসিংহ ও ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঘরমুখো শ্রমিকদের ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গাজীপুরের মোট কারখানার প্রায় ২০ থেকে ২২ শতাংশ এ ছুটির আওতায় এসেছে। বুধবারের সরকারি ছুটির সঙ্গে বৃহস্পতিবার এবং সাপ্তাহিক শুক্র-শনিবার মিলিয়ে অনেক কারখানা টানা ছুটি দিয়েছে।বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, চান্দনা চৌরাস্তা, চন্দ্রা ত্রিমোড়, সফিপুর, কোনাবাড়ী ও মাওনা চৌরাস্তাসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘরমুখো শ্রমিকদের উপচে পড়া ভিড়। পরিবহন সংকটের কারণে অনেককে বৃষ্টির মধ্যেও যানবাহনের অপেক্ষায় থাকতে দেখা যায়। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে স্থানীয় বাসগুলো দূরপাল্লার রুটে চলাচল শুরু করেছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (ট্রাফিক) এসএম আশরাফুল আলম জানান, মঙ্গলবার বিকেল থেকে ঢাকা–টাঙ্গাইল ও ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। রাতভর যানজট অব্যাহত ছিল এবং বুধবার সকালেও চাপ বজায় ছিল।কোনাবাড়ী হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক জাফর আলী বলেন, সরকারি ছুটির সঙ্গে অতিরিক্ত ছুটি মেলায় বিপুলসংখ্যক শ্রমিক গ্রামের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। এতে চন্দ্রা ত্রিমোড়সহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল ধীরগতির হয়ে পড়ে।শিল্পমালিকরা বলছেন, গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং সময়মতো রপ্তানি আদেশ সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। অনেক কারখানায় উৎপাদন সীমিত করা হয়েছে, কোথাও কিছু উৎপাদন লাইন বন্ধ রাখা হয়েছে, আবার কোথাও রাতের শিফটে উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।গাজীপুরে তিতাস গ্যাসের সিস্টেম অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স শাখার ব্যবস্থাপক মো. সাইফুজ্জামান জানান, জেলায় দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট, অথচ সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট। অর্থাৎ প্রায় ৪৫ শতাংশ গ্যাস ঘাটতি রয়েছে, যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে কালিয়াকৈর, শ্রীপুর ও টঙ্গী বিসিক শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে।গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশের সুপার (এসপি) মো. আমজাদ হোসেন বলেন, গ্যাসের স্বল্প চাপ, কাঁচামালের সংকট, অর্ডার কমে যাওয়া এবং সরকারি ছুটির কারণে অনেক কারখানা অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করেছে। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের গাজীপুরের উপমহাপরিদর্শক প্রকৌশলী এম এম মামুন-অর-রশিদ জানান, কোনো কোনো কারখানা তিন দিনের, আবার কোনোটি চার দিনের ছুটি দিয়েছে। সব মিলিয়ে জেলার প্রায় ২০–২২ শতাংশ শিল্পকারখানা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গাজীপুরে প্রায় ৮০০ কারখানায় ৩ দিনের ছুটি, সড়কে ‘ঈদযাত্রার’ চাপ