বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ
Topic Ads 1
এসএসসির রেজাল্ট দেখতে বেরিয়ে নিখোঁজ পরীক্ষার্থী ৪ দিন পর উদ্ধার

এসএসসির রেজাল্ট দেখতে বেরিয়ে নিখোঁজ পরীক্ষার্থী ৪ দিন পর উদ্ধার

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল দেখতে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হওয়া এক শিক্ষার্থীকে চার দিন পর রাজধানী ঢাকার গোপীবাগ এলাকা থেকে উদ্ধার করেছেন স্বজনরা। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে গোপীবাগ এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি শিক্ষার্থীর বাবা নিশ্চিত করেছেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের করইয়ানগর এলাকা থেকে ওই শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়। সে উপজেলার একটি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এবং ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। প্রকাশিত ফলাফলে সে একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। পরিবারের সদস্যরা জানান, ফলাফল আশানুরূপ না হওয়ায় অভিমান করে মা-বাবাকে কিছু না জানিয়েই ঢাকায় চলে যায় ওই শিক্ষার্থী। সেখানে গোপীবাগ এলাকার এক ব্যবসায়ীর হেফাজতে ছিল সে। তবে বিষয়টি পরিবারের কাউকে জানানো হয়নি। নিখোঁজ হওয়ার পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় চরম উৎকণ্ঠায় পড়েন স্বজনরা। গত চার দিন ধরে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মীয়স্বজনরা তাকে খুঁজছিলেন। শিক্ষার্থীর বাবা জানান, শুক্রবার দুপুরের দিকে হঠাৎ তার মোবাইল ফোনটি চালু হয়। পরে স্বজনরা ফোন করলে এক ব্যক্তি ফোনটি রিসিভ করে জানান, ওই শিক্ষার্থী গোপীবাগে তাদের হেফাজতে রয়েছে। এরপর তাঁর ভাইসহ কয়েকজন স্বজন গোপীবাগে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। তিনি বলেন, ছেলে ফিরে আসায় এখন সবচেয়ে বড় স্বস্তি পেয়েছেন তারা। ফল খারাপ হওয়ায় অভিমান করে সে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। পরিবারের প্রত্যাশা, এখন সে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আবার পড়াশোনায় মনোযোগ দেবে। এর আগে শিক্ষার্থীর নিখোঁজের ঘটনায় তার বাবা সাতকানিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজের পর পুলিশও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে উদ্ধারে কাজ করছিল।

৭ শিক্ষকের ১০ পরীক্ষার্থী, পাস করেনি একজনও

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চবিদ্যালয় থেকে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১০ শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। তাদের সবাই ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে। সাতজন শিক্ষক কর্মরত থাকা বিদ্যালয়টির এমন ফলাফলে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা।সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বিদ্যালয়টির ফলাফল নিয়ে এ তথ্য জানা যায়। ১০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে আটজন নিয়মিত এবং দুজন অনিয়মিত পরীক্ষার্থী ছিল।অর্জুনা ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চলে অবস্থিত বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে ১৭৩ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। তাদের পাঠদানে কর্মরত রয়েছেন সাতজন শিক্ষক।অভিভাবকদের অভিযোগ, সাতজন শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও ১০ পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হওয়া বিদ্যালয়টির পাঠদানের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এমন ফলাফল কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে তারা শিক্ষার মানোন্নয়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বলেছে, এবারের ফলাফল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে ভালো ফল করার চেষ্টা করবে তারা। এজন্য নিয়মিত পড়াশোনার কোনো বিকল্প নেই বলেও তারা মনে করে।বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আশরাফ আলী বলেন, ‘এবারই প্রথম এমন ফলাফল হয়েছে। ভৌগোলিক কিছু সমস্যাও রয়েছে। সামনে যাতে ভালো ফলাফল করা যায়, সে জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’ভূঞাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (চলতি দায়িত্ব) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

৭ শিক্ষকের ১০ পরীক্ষার্থী, পাস করেনি একজনও