মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ঢাকা   
বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ

বিধানসভায় কেন ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়?


ডেক্স রিপোর্ট
ডেক্স রিপোর্ট

বিধানসভায় কেন ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়?

ভারতের তামিলনাড়ুর প্রয়াত সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও ডিএমকের প্রভাবশালী নেতা এম করুণানিধিকে সম্মানসূচক পদবি ছাড়া নাম ধরে উল্লেখ করায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় বিধানসভায় নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়।

বিধানসভায় স্বাস্থ্য ও রাজস্ব বিভাগের অনুদানের দাবির ওপর আলোচনা চলাকালে বনমন্ত্রী আর ভি রঞ্জিত কুমার অতীতের নির্বাচনে ভোটের বিনিময়ে অর্থ বিতরণের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি ‘তিরুমঙ্গলম ফর্মুলা’ উল্লেখ করে দাবি করেন, তাঁর কাঞ্চীপুরম কেন্দ্রে আগের নির্বাচনে ভোটপ্রতি সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ রুপি পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছিল।

বক্তব্যের একপর্যায়ে বনমন্ত্রী প্রয়াত ডিএমকে নেতা এম করুণানিধিকে শুধু নাম ধরে উল্লেখ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হন বিরোধী ডিএমকের বিধায়কেরা। তারা বিষয়টিকে বিধানসভার প্রচলিত সৌজন্য ও শিষ্টাচারের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিবাদ শুরু করেন।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয় হস্তক্ষেপ করেন। তিনি বনমন্ত্রীকে বক্তব্য থামাতে বলেন এবং প্রয়াত এই নেতাকে সম্মানসূচক সম্বোধন ছাড়া নাম ধরে উল্লেখ করাকে অনভিপ্রেত বলে স্বীকার করেন।

পরে মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় বলেন, ‘আমি তার (বনমন্ত্রীর) পক্ষ থেকে ক্ষমা চাইছি।’

মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের পর পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং বিধানসভার কার্যক্রম আবার স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়।

বিষয় : থালাপতি বিজয় মুখ্যমন্ত্রী তামিলনাড়ু

বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬


বিধানসভায় কেন ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়?

প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ভারতের তামিলনাড়ুর প্রয়াত সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও ডিএমকের প্রভাবশালী নেতা এম করুণানিধিকে সম্মানসূচক পদবি ছাড়া নাম ধরে উল্লেখ করায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় বিধানসভায় নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়।

বিধানসভায় স্বাস্থ্য ও রাজস্ব বিভাগের অনুদানের দাবির ওপর আলোচনা চলাকালে বনমন্ত্রী আর ভি রঞ্জিত কুমার অতীতের নির্বাচনে ভোটের বিনিময়ে অর্থ বিতরণের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি ‘তিরুমঙ্গলম ফর্মুলা’ উল্লেখ করে দাবি করেন, তাঁর কাঞ্চীপুরম কেন্দ্রে আগের নির্বাচনে ভোটপ্রতি সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ রুপি পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছিল।

বক্তব্যের একপর্যায়ে বনমন্ত্রী প্রয়াত ডিএমকে নেতা এম করুণানিধিকে শুধু নাম ধরে উল্লেখ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হন বিরোধী ডিএমকের বিধায়কেরা। তারা বিষয়টিকে বিধানসভার প্রচলিত সৌজন্য ও শিষ্টাচারের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিবাদ শুরু করেন।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয় হস্তক্ষেপ করেন। তিনি বনমন্ত্রীকে বক্তব্য থামাতে বলেন এবং প্রয়াত এই নেতাকে সম্মানসূচক সম্বোধন ছাড়া নাম ধরে উল্লেখ করাকে অনভিপ্রেত বলে স্বীকার করেন।

পরে মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় বলেন, ‘আমি তার (বনমন্ত্রীর) পক্ষ থেকে ক্ষমা চাইছি।’

মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের পর পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং বিধানসভার কার্যক্রম আবার স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়।


বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ



কপিরাইট © ২০২৬ বনশ্রী নিউজ (Banasree News) | সত্যের সন্ধানে প্রতিক্ষণ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
বিধানসভায় কেন ক্ষমা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়?
0:00 0:00
1.0x