ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তির আওতায় ইরানের তেল রপ্তানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় এ সংক্রান্ত একটি খসড়া নথি চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ।
সুইজারল্যান্ডে অবস্থানরত ইরানি প্রতিনিধি দলের সদস্য হোসেইন ঘোরবানজাদেহ জানান, ইরানি তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা অস্থায়ীভাবে প্রত্যাহারের বিষয়ে দুই পক্ষ নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। একইসঙ্গে বিদেশি ব্যাংকগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশে স্থগিত থাকা ইরানের অর্থ অবমুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
গত ১৭ জুন পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের অন্যতম শর্ত ছিল ইরানি তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা ৬০ দিনের জন্য শিথিল করা। তবে এ সময়ের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী শান্তিচুক্তি না হলে নিষেধাজ্ঞা পুনরায় কার্যকর হতে পারে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, ইরানের জব্দকৃত অর্থ অবমুক্তির বিষয়টি স্থায়ী শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পর বিবেচনা করা হবে। ফলে অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি কার্যকর থাকলেও ফ্রিজড অর্থ দ্রুত ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনা কম।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সতর্ক করে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থায়ী শান্তিচুক্তি না হলে ৬০ দিন পর ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।